Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » গাজায় যুদ্ধবিরতি হামাসের প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে বসছে ইসরাইল




ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের দেয়া নতুন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে বৈঠকে বসছে ইসরাইলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর। ফাইল ছবি। শুক্রবার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। শুক্রবার (১৫ মার্চ) গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন প্রস্তাব দেয় হামাস। এতে বলা হয়, যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক ধাপে তারা বয়স্ক, নারী ও অসুস্থ জিম্মিদের ছেড়ে দেবে। এর বদলে ৭০০ থেকে ১০০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। যার মধ্যে অন্তত ১০০ বন্দি রয়েছেন যারা ইসরাইলি কারাগারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন। এরপরের ধাপে সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হবে। আর ওই সময় গাজায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। এই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবটি মধ্যস্থতাকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কাতার এবং মিসরের কাছে পাঠিয়েছে হামাস। আরও পড়ুন: হামাসের নতুন প্রস্তাবে রমজানেই যুদ্ধবিরতির আশা হামাস নতুন প্রস্তাব দেওয়ার পর ইসরাইলি জিম্মিদের পরিবারের সদস্যরা আন্দোলন শুরু করেছেন। তারা মন্ত্রীসভাকে চাপ দিচ্ছে প্রস্তাবটিতে রাজি হতে। জিম্মিদের পরিবার বলছে, প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সামনে নতুন আরেকটি সুযোগ এসেছে। আর এ সুযোগটি কাজে লাগানোর দাবি জানাচ্ছেন তারা। বৈঠকের বিষয়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, বৈঠকটি আজ শুক্রবার হবে এবং এটি একটু বড় হবে। তবে দিনের কোন সময় বৈঠকটি হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ইসরাইলে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যা ও দুই শতাধিক ব্যক্তিকে জিম্মি করে। এ ঘটনার পর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩১ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ৭২ হাজার ১৯৮ জন। আরও পড়ুন: গাজায় রমজানেও চলছে ইসরাইলি বর্বরতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক প্রচেষ্টায় গত ২৫ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মানবিক বিরতি ঘোষিত হয়েছিল গাজায়। সে সময় ১০৮ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। তার পরিবর্তে বিভিন্ন কারাগারে বন্দি ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে ছেড়ে দিয়েছে ইসরাইল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply