Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » মালদ্বীপের কাছে নৌঘাঁটি চালু করল ভারত, উত্তেজনা চরমে




মালদ্বীপের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দ্বীপরাষ্ট্রটির কাছে নৌঘাঁটি উদ্বোধন করলো ভারত। বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) ঘাঁটি উদ্বোধনের বিষয়টি উঠে আসে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে। এদিকে, মালদ্বীপে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে নয়াদিল্লিকে চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রেখেছে মালে। ছবি: সংগৃহীত মালদ্বীপের কাছের ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দ্বীপে সামরিক নৌঘাঁটির উদ্বোধন করেছে ভারত। বুধবার (৬ মার্চ) ভারত মহাসাগরের মিনিকয় দ্বীপে নতুন ওই ঘাঁটি চালু করেছে নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপে আইএনএস জটায়ু নামের নতুন ঘাঁটি গত কয়েক বছর ধরে নির্মাণ করা হচ্ছিল। ভারত মহাসাগরের পশ্চিম উপকূলে ভারতের সবচেয়ে দূরবর্তী ঘাঁটি এটি। গত কয়েক দশক ধরে মিনিকয় দ্বীপে ভারতের নৌবাহিনীর স্বল্প উপস্থিতি ছিল। আরও পড়ুন: চীনের সঙ্গে চুক্তি করেই ‘ভারত খেদাও’ হুংকার মালদ্বীপের এদিকে মালদ্বীপে অবস্থানরত ভারতীয় সেনাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে নয়াদিল্লিকে চাপ প্রয়োগ করে চলেছে মালে। এর মধ্যেই দ্বীপরাষ্ট্রটির কাছে সামরিক উপস্থিতি জোরদারের অংশ হিসেবে ঘাঁটিটি স্থাপন করেছে ভারতের নৌবাহিনী। গেল বছর মালদ্বীপের চীনপন্থি রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত মোহামেদ মুইজ্জু ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দেশ থেকে তাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারণা চালান। নির্বাচনে ভারত-বিরোধী অবস্থানের কারণে জনসাধারণের বিপুল সমর্থন পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তিনি। তবে মুইজ্জু প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর ভারত ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। নির্বাচিত হওয়ার পরপরই নয়াদিল্লিকে মালদ্বীপে অবস্থানরত ৮৯ ভারতীয় সেনা ও নিরাপত্তা কর্মীকে প্রত্যাহার করে নেয়ার আল্টিমেটাম দেন মুইজ্জু। পরে এ বিষয়ে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠকও হয়। আরও পড়ুন: মালদ্বীপকে সামরিক সহায়তা দেবে চীন, কী করবে ভারত সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ভারতীয় সেনাদের প্রথম ব্যাচটি মালদ্বীপ ত্যাগ করবে। এছাড়া বাকি সেনাদের আগামী দুই মাসের মধ্যে মালদ্বীপ ত্যাগ করার কথা রয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply