Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সিলভার ও কাতলা মাছের মাথা মোটা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার




সিলভার ও কাতলা মাছের মাথা মোটা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার \ সিলভার কার্প ও কাতলা মাছের মাথা মোটা এবং লেজ চিকন হয়ে আসে, করণীয় কী? এমন প্রশ্ন আমাদের কাছে প্রায়শেই আসে। আসুন আজ জেনে নিই মাছ চাষের এ সমস্যা নিয়ে। পুকুরে পর্যাপ্ত খাদ্যের অভাব হলে এমন হয়। পুকুরে প্রাকৃতিক খাবার তৈরির জন্য প্রতি সপ্তাহে শতাংশপ্রতি গোবর ৪ কেজি, ইউরিয়া ৫০ গ্রাম এবং টিএসপি ২৫ গ্রাম হারে প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন সম্পূরক খাদ্য হিসেবে চালের কুঁড়া, খৈল, ভুসি ভিটামিন ইত্যাদি একত্রে মিশ্রিত করে মাছের ওজনের ৫% হারে সকালে ও বিকালে নির্দিষ্ট হারে পুকুরে দিতে হবে। চিংড়ি মাছের খোলস কালো হয়ে গেছে কী করবেন? আক্রান্ত চিংড়ির খোলসে কালো দাগ পড়লে চিংড়ির খোলস ভেঙে যায়। আক্রান্ত চিংড়ি ধীর গতিতে চলাফেরা করে এবং আহার বন্ধ করে দেয়। এ রোগ প্রতিরোধে ০.৫ থেকে ১০০ পিপিএম ম্যালাকাইট গ্রীন এবং ২০ থেকে ৭৫ পিপিএম ফরমালিন মিশ্রিত করে ব্যবহার করলে এ রোগ সেরে যাবে। এছাড়া খাবারের সাথে ০.৫ থেকে ১০০ পিপিএম অক্সিটেট্রাসাইক্লিন বা ডক্সাসিলিন ব্যবহার করা হলে এ রোগ সেরে যাবে। মাছের পেট ফোলা রোগ হয়েছে কী করবেন? এ্যারোমোনাস ব্যাকটেরিযা নামক জীবাণুর সংক্রমণের দ্বারা কার্প ও শিং জাতীয় মাছে এর রোগ হয়। এ রোগ সাধারণত বড় মাছে হয়। মাছের দেহ অভ্যন্তরে এক বা একাধিক অঙ্গে তরল পদার্থ জমে যায়। দেহের ভেতরে সবুজ বা হলুদ তরল পদার্থ দেখা যায়। পেট ফুলে উঠে। চোখ বের হয়ে আসে। আইশ ঢিলা হয়ে যায় ও ফুলে ওঠে। পেটে চাপ দিলে মলদ্বার দিয়ে পানি বের হয়ে আসে দেহের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। মাছ উল্টো হয়ে ভেসে ওঠে। অল্প খাবার খায়। তরল পিচ্ছিল পদার্থ বের হয়। দেহের পিচ্ছিলতা কমে যায়। এ রোগে আক্রান্ত মাছ সাধারণত ভালো হয় না। প্রাথমিক অবস্থায় পুকুরে প্রতি ঘনমিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। মাছের দেহের জমাকৃত তরল সিরিঞ্জের সাহায্যে বের করে প্রতি ৪ কেজি ওজনের জন্য ১০ মিলিগ্রাম হারে অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ইনজেকশন সপ্তাহে দু’বার দিতে হবে বা প্রতি কেজি খাবারের সাথে ১০০ মিলিগ্রাম রেনামাইসিন পাউডার মিশিয়ে ৭ দিন খাওয়াতে হবে। আর এ রোগ যাতে করে না হয় সেজন্য পুকুর প্রস্ততির সময় শতাংশ প্রতি ১ কেজি চুন প্রয়োগ করতে হবে। গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply