Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » সারা শরীরে চুলকানি, অ্যালার্জি না স্ক্যাবিস বুঝবেন কীভাবে?




সারা শরীরে চুলকানি, অ্যালার্জি না স্ক্যাবিস বুঝবেন কীভাবে? ডা. সাইফ হোসেন খানমেডিসিন কনসালট্যান্ট, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ধানমন্ডি, ঢাকা শুধু অ্যালার্জি না স্ক্যাবিস হলেও চুলকানি দেখা দেয়ছবি: ফ্রিপিক ত্বকে চুলকানি খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। আশপাশে অনেকেই এ সমস্যায় ভুগছেন। কারও কারও চুলকানি এতটাই মারাত্মক হয়ে যায় যে জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয় । বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন যে শরীর চুলকানো মানেই অ্যালার্জি। এটা ঠিক যে অ্যালার্জি বেড়ে গেলে শরীর চুলকায়, অস্বস্তি হয়। তবে চুলকানি মানেই যে অ্যালার্জি, সেটা ঠিক নয়। অনেক চর্মরোগ আছে, যাতে সারা শরীর চুলকায়; স্ক্যাবিস এসবের মধ্যে অন্যতম। আমাদের দেশে স্ক্যাবিসের রোগী অনে

ক। সম্প্রতি স্ক্যাবিসের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে অতিমাত্রায়। স্ক্যাবিস কী স্ক্যাবিস একটি সাধারণ চর্মরোগ, যার অন্যতম লক্ষণ সারা শরীর চুলকানো। এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে বা তাঁর ব্যবহার্য জিনিসপত্র ব্যবহার করলে (পোশাক, বিছানা, তোয়াল ইত্যাদি) দ্রুত অন্যজনে সংক্রমিত হতে পারে। এই রোগ হয় ক্ষুদ্র পরজীবী সারকোপটিস স্ক্যাবির মাধ্যমে। এই পরজীবীকে খালি চোখে দেখা যায় না। যেভাবে স্ক্যাবিস বুঝবেন স্ক্যাবিসের রোগীদের তীব্র চুলকানি হয়, বিশেষ করে রাতে এই উপসর্গ বেড়ে যায়। চুলকানির কারণে অনেকে ঘুমাতেও পারেন না। ত্বকে ছোট ছোট লাল দানা বা ফুসকুড়ির মতো হতে পারে। চুলকানি ও দানাগুলো শরীরের কিছু বিশেষ অংশে, যেমন আঙুলের ফাঁক, কনুই, কোমর, নাভির পাশে, কুঁচকিতে, যৌনাঙ্গে, নারীদের স্তনের নিচে বেশি হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে মাথা ও মুখেও হতে পারে। শিশু ছাড়া যাঁদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল, তাঁরা স্ক্যাবিসে বেশি আক্রান্ত হন। চিকিৎসা কী স্ক্যাবিসের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ আছে, যা প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহারের পরামর্শ দেন চিকিৎসক। এসব ওষুধ নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ব্যবহার করলে সেরে ওঠা সম্ভব। পরিবারের অন্য কেউ যদি স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হন, তাঁকেও চিকিৎসা দিতে হবে। এ ছাড়া শরীর যাতে কম চুলকায়, তার জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। স্ক্যাবিসের কিছু ধরন বেশ অপ্রতিরোধ্য হয়, সে ক্ষেত্রে আলাদা কিছু ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। প্রতিরোধ স্ক্যাবিস চিকিৎসার পাশাপাশি প্রতিরোধের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলা জরুরি। যে পরজীবীর মাধ্যমে এটি ছড়ায়, সেটি কাপড়চোপড়, বিছানার চাদর, বালিশ ও ব্যবহার্য জিনিসপত্রে থেকে যেতে পারে। পরবর্তী সময়ে সেটি আবার সংক্রমিত করতে পারে। সে কারণে এসব জিনিস গরম পানি ও জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। কাপড় কড়া রোদে শুকাতে হবে অথবা ইস্ত্রি করে নিতে হবে। স্ক্যাবিস অবহেলা করার মতো রোগ নয়। অনেকেই রোগটি সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়ে বা চিকিৎসককে না দেখিয়ে নিজে নিজে কিছু ক্রিম ব্যবহার করে এ রোগকে আরও জটিল করে ফেলেন। তাই চুলকানি, ফুসকুড়ি যা–ই হোক, চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply