Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » দক্ষিণ আফ্রিকার 4 কিলোমিটারেরও বেশি গভীর, যা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর খনি




দক্ষিণ আফ্রিকার 4 কিলোমিটারেরও বেশি গভীর, যা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর খনি দক্ষিণ আফ্রিকার উইটওয়াটারস্র‌্যান্ড বেসিনে অবস্থিত মপোনেং খনি (Mponeng Gold Mine) পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম সোনার খনি। 1986 সালে শুরু হওয়া এই খনিটি বর্তমানে প্রায় 4 কিলোমিটারেরও বেশি গভীর, যা পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর খনির রেকর্ড ধরে রেখেছে। পৃথীবির সবচেয়ে উচু ভবনের উচ্চতা হলো ৮২৮ মিটার (২৭১৭ ফুট)। অর্থাৎ, প্রায় ৫টি বুর্জ খলিফা একটার পর একটা বসালে সেটি মপোনেং খনির ভেতরে পুরোপুরি এঁটে যাবে। কল্পনা করুন, খনী শ্রমিকদের খনীর লিফটে করে একদম নিচে নামতে সময় লাগে এক ঘণ্টারও বেশি! উনিশ শতকে এই অঞ্চলে সোনা আবিষ্কারের পর শুরু হয় খননযাত্রা। প্রথমে একে বলা হতো ওয়েস্টার্ন ডিপ লেভেলস নং 1 শ্যাফট, পরে 1999 সালে নামকরণ করা হয় মপোনেং (Mponeng)। এই খনী থেকে প্রতিদিন প্রায় 5400 টন শিলা উত্তোলন করা হয়। প্রতি বছর প্রায় 7,449 কেজি সোনা উৎপাদন হয়। সোনার ঘনত্ব গড়ে 8.43 গ্রাম প্রতি টন। 2029 সাল পর্যন্ত এখানে সোনা উত্তোলন চালু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এত গভীরতায় শিলার তাপমাত্রা পৌঁছে যায় প্রায় 66° সেলসিয়াসে। এজন্য টানেল ঠান্ডা রাখতে বরফের স্লারি পাম্প করা হয়। তবুও খনিতে ভূমিকম্পের মতো কম্পন নিয়মিত হয়, যা অনেক সময় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটায়। এই খনির গভীর পানির স্তরে আবিষ্কৃত হয়েছে অদ্ভুত এক ব্যাকটেরিয়া Desulforudis audaxviator, যা সূর্যের আলো ছাড়াই বেঁচে থাকে। বিজ্ঞানীরা একে পৃথিবীর জীববিজ্ঞানের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। তবে খনির বর্জ্য থেকে সৃষ্ট দূষণ দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য বড় সমস্যা। বাতাসে ছড়িয়ে পড়া ধুলোতে ভারী ধাতু ও ইউরেনিয়ামের উপস্থিতি স্থানীয় মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে বোঝা যায়, মপোনেং শুধু একটি সোনার খনি নয়, বরং এটি মানব ইতিহাস, বিজ্ঞান, পরিবেশ এবং অর্থনীতির এক বিশাল কেন্দ্রবিন্দু। গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply