Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ছোট্ট রামমোহন : ছোটবেলায় কেমন ছিলেন রাজা রামমোহন রায়




ছোট্ট রামমোহন : ছোটবেলায় কেমন ছিলেন রাজা রামমোহন রায় অষ্টাদশ শতকে জমিদার রামকান্ত রায়ের ছেলে রামমোহন। ফুটফুটে তার চেহারা, নাদুস নুদুস শরীর। খুব দুরন্ত, তবু লেখাপড়ায় তার ভারী মনোযোগ। অক্ষর-পরিচয় হতে রামমোহনের দু’তিন দিনের বেশি লাগলনা। ফলা-বানান এবং যুক্ত-অক্ষরও তিনি দু’তিন দিনের মধ্যে শিখে ফেললেন। সেকালের হিন্দুদের মধ্যে আরবি ও ফারসি শেখার রেওয়াজ ছিল। ওই ভাষা না শিখলে সরকারি কাজকর্মে খুব অসুবিধে হতো। রামকান্ত তাই ছেলেকে আরবি ও ফারসি শেখাবার ব্যবস্থা করলেন। বালক রামমোহন অল্পদিনের মধ্যে ওই দুটি ভাষা শিখে মৌলভীদের পর্যন্ত তাক লাগিয়ে দিলেন। তারপর তাকে সংস্কৃত শেখানো হতে লাগলো। সংস্কৃত অতি কঠিন ভাষা অথচ কয়েক মাসের মধ্যেই রামমোহন সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিত হয়ে উঠলেন।

একবার, রামমোহনের বয়স তখন খুবই কম। মা তারিনী দেবী ছেলেকে নিয়ে তাঁর বাপের বাড়িতে গেলেন। তারিনী দেবীর বাবা শ্যাম ভট্টাচার্য শিব পূজা করতেন। তিনি একদিন পূজা শেষ করে একটি বেলপাতা রামমোহনের হাতে দিলেন। বালক রামমোহন বেলপাতাটি মাথায় না ছুঁইয়ে চিবিয়ে খেতে লাগল। শ্যাম ভট্টাচার্য নাতিকে অভিশাপ দিলেন- তুই বিধর্মী হবি। মা তারিনী দেবী সে কথা শুনে কান্নাকাটি করতে লাগলেন। তখন শ্যামচরণ মেয়েকে সান্তনা দেবার জন্য বললেন-“তোর ছেলে মহাপন্ডিত হবে, রাজার মত সম্মান পাবে।“ বৃদ্ধ ব্রাহ্মণের অভিশাপ ও আশীর্বাদ দুই সফল হয়েছিল। রামমোহন ব্রাহ্ম ধর্ম প্রচার করেছিলেন এবং “সতীদাহ” সহ দেশের আরও অনেক কুসংস্কার দূর করেছিলেন। দেশ-বিদেশে তিনি পেয়েছিলেন রাজার মত সম্মান।রাজা রামমোহন রায় (২২ মে ১৭৭২ – ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৩৩) একজন ভারতীয় সমাজ সংস্কারক। তিনি ১৮২৮ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের একটি সামাজিক-ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন ব্রাহ্মসভার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর শাহ তাকে রাজা উপাধি দিয়েছিলেন। রাজনীতি, জনপ্রশাসন, শিক্ষা ও ধর্মের ক্ষেত্রে তার প্রভাব ছিল স্পষ্ট। তিনি সতীদাহ প্রথা এবং বাল্যবিবাহ বাতিলের প্রচেষ্টার জন্য পরিচিত ছিলেন।[১] অনেক ইতিহাসবিদ রামমোহন রায় কে "ভারতীয় রেনেসাঁর জনক" বলে মনে করেন। গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply