Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » অবাক করা ৩৭ টি তথ্য , জানলে চমকে হবেন




অবাক করা ৩৭ টি তথ্য , জানলে চমকে হবেন কিছু অবাক করার মতো তথ্যঃ — ১. মৃত্যুর পর মানুষের মস্তিষ্ক প্রায় সাত মিনিট সক্রিয় থাকে এবং এই সময় জীবনের চুড়ান্ত মুহূর্তগুলি তিনি স্বপ্নের আকারে দেখতে থাকেন।

২. সাধারনত যে শিশুরা ছোটবেলায় মিথ্যা কথা বলে, তাদের বড় হলে সফল পেশাদার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়। ৩. ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ড সরকার আটটি জেলখানা বন্ধ করে দিয়েছে অপরাধীর অভাবে। ৪. মানুষ মুখোমুখি কথা বলার সময় সবচেয়ে বেশি সত্যি বলে। আর বেশি মিথ্যে বলে ফোনে কথা বলার সময়। ৫. মৃত্যুকালে মানুষের প্রথমে দৃষ্টিশক্তি চলে যায়, এরপর যায় স্পর্শানুভূতি এবং সবশেষে যায় শ্রবণানুভূতি। ৬. চাঁদ প্রতি বছর পৃথিবী থেকে প্রায় দুই ইঞ্চি করে দূরে সরে যাচ্ছে। ৭. ঠিক তোমার মতো দেখতে আরও ছয় জন এই পৃথিবীতে আছে । তাদের মধ্যে একজনের সঙ্গে সারাজীবনে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা মোটামুটি ১১ শতাংশ। ৮. মেয়েরা সাধারনত নীল রংএর শোওয়ার ঘর পছন্দ করে থাকে এবং পুরুষরা সাদা। ৯. একটা সিগারেট খাওয়ার অর্থ এগারো মিনিট আয়ু কমে যাওয়া। ১০. যারা বিড়াল পোষে তাদের আত্মহত্যা করার প্রবনতা থাকে । কুকুর পুষলে মানুষ উদার মনের হয়। ১১. কোনো ভীড়ের মধ্যে আমরা একসঙ্গে শুধুমাত্র দুইটি মুখমন্ডলের উপর দৃষ্টিপাত করতে পারি। ১২. আজথেকে একশ বছর পরে ফেসবুকে প্রায় ৯১ কোটি ৬০ লক্ষ মৃত ব্যক্তির প্রোফাইল থাকবে। ১৩. প্রায় ৯৬ শতাংশ কিশোর কিশোরী সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে তাদের মোবাইলফোনটা চেক করে। ১৪. প্যারিসে একদিন এক মহিলা আত্মহত্যা করার জন্য আইফেল টাওয়ারের মাথা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। কিন্তু সৌভাবশত তিনি একটি গাড়ির উপরে পড়েন এবং বেঁচে যান। ঐ গাড়ির চালক তথা মালিককেই পরে তিনি বিয়ে করেন। ১৫. ১৯৭০ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিলো বর্তমান জনসংখ্যার অর্ধেক। ১৬. গর্ভবতী অবস্থায় কোনো মা অধিক দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে তার সন্তান পরবর্তীতে অল্পেই রেগে যাওয়ার স্বভাবের হবে। ১৭. প্রতি বছর পৃথিবীর মানুষের গড় আয়ু তিনমাস করে বাড়ছে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে। ১৮. পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ O+ এবং সবচেয়ে কম মানুষের রক্তের গ্রুপ AB- । ১৯. হেরোইন শুরুতে সর্দির ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। ২০. ১৮০০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত মানব সভ্যতা ক্যামেরায় যতো ছবি তুলেছে, আমরা এখন বিশ্বজুড়ে প্রতি দুই মিনিটে তার চেয়ে বেশি ছবি তুলছি। ২১. পুরুষ এবং মহিলা উভয়েই সুন্দর শরীরের চেয়ে সুন্দর মুখের অধিকারীকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেশি পছন্দ করে। ২২. আমাদের রোগপ্রতিরোধ সিস্টেম প্রতি দিন অন্তত একটি কোষ ধ্বংস করে আমাদের দেহের যা আমাদের ক্যানসার ঘটাবে মনে করা হয়। ২৩. ডাক্তারদের খারাপ হাতের লেখার কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার রুগির মৃত্যু হয়। ২৪. মোবাইল ফোন চার্জ করার সময় Airplane mode বা Flight mode সেট করে নিলে তিন ভাগের একভাগ সময়ে রিচার্জ হবে। ২৫. যে বন্ধুত্ব সাত বছর পার করেও টিকে থাকে তা সারাজীবন টিকে থাকার সম্ভাবনা আছে। ২৬ আয়নায় দেখার সময় আমরা নিজেকে প্রায় ছয়গুণ বেশি সুন্দর দেখি। ২৭. মানুষ সত্যি কথা বলার সময় হাত নাড়িয়ে কথা বলে। মিথ্যা বলার সময় হাতগুলি লক্ষণীয়ভাবে স্থির থাকে। ২৮. পরনিন্দা পরচর্চা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো । এইসময় দেহে প্রোজেষ্টেরন হরমোন ক্ষরণ হয় যা দুশ্চিন্তা কমায়। ২৯. কোনো নতুন অভ্যাস তৈরি হতে মানুষের সময় লাগে মাত্র একুশ দিন। ৩০) তিনি ছাড়াও তার পরিবারে আরও তিনজন ভিনসেন্ট ভ্যান গগ ছিলেন। চিত্রকর ভ্যান গগের নাম রাখা হয়েছে তার বড় ভাইয়ের নামানুসারে যে প্রসবকালীন সময়ই মারা যায়। এদিকে এই বড় ভাইয়ের নাম রাখা হয়েছিলো তাদের দাদার একই নাম অনুসারে। এদিকে চিত্রকর ভ্যানগগের ছোটো ভাই থিও ভ্যান গগ তার পুত্রের নামও রাখেন ভিনসেন্ট ভ্যান গগ। ৩১) জীবনের ২৭ বছর বয়সে এসে ছবি আঁকা শুরু করেন ভ্যান গগ। ছবি আঁকার জন্য কারো কাছে হাতেখড়ি নেননি তিনি। শুরুর দিককার ছবিগুলোতে এতটা রঙ ব্যবহার করতেন না ভ্যান গগ। সমাজের নিদারুণ বাস্তবতা ও কঠিন বিষয়বস্তু উপস্থাপনই ছিল তাঁর আঁকার মূল উদ্দেশ্য। দরিদ্রতা, গরীব জীবনযাপন ভ্যান গগের প্রথম দিককার ছবিগুলোতে প্রকটভাবে ফুটে উঠেছে। মূলত নিজের জীবনই তিনি ফুটিয়ে তুলতেন রঙ তুলি দিয়ে। পরবর্তীতে তাঁর ছবিগুলোতে রঙের ব্যবহার অনেক বেড়ে যায়। মূলত সেই ছবিগুলোর জন্যই বিখ্যাত হয়ে ওঠেন ভিনসেন্ট। ৩২) ভ্যান গগ আরেক চিত্রশিল্পী পল গঁগার সাথে পরিচিত হন ১৮৮৭ সালে। তারা একই সাথে প্রায় সময়ই ছবি আঁকলেও তাদের আঁকার ধরণ ছিলো ভিন্ন। ৩৩) ভ্যান গগ তাঁর ৩৭ বছরের জীবনে চিঠি লিখেছেন প্রায় ৮০০টির মতো। ঐতিহাসিকবিদেরা সেইসব চিঠিকে ক্রোনোলোজিকাল অর্ডারে সাজিয়ে বের করেছেন ভ্যানগগ সম্পর্কে অনেক অজানা তথ্য। ৮০০ চিঠির প্রায় ৬০০ টিই ছিলো চিত্রকর ভ্যানগগ এবং তাঁর বড় ভাই থিও'র মাঝে আদানপ্রদানকৃত! ৩৪) ভ্যানগগ চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি প্রথম জীবনে বহুপেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার চেষ্টা করেছেন। ভ্যানগগের জীবন আরম্ভ হয় এক ছবির দোকানে। চাকরি বেশীদিন টেকেনি, কারণ ক্রেতার সাথে দুর্ব্যবহার করতেন ভ্যানগগ। কিছুদিন স্কুলে মাস্টারি করলেন, বদমেজাজের জন্য সেই চাকরিও গেল। পাদ্রী হবার চেষ্টা করলেন, ভর্তিও হলেন থিওলজি স্কুলে, কিছুদিন ক্লাস করে ভালো লাগলো না; ছেড়ে দিলেন সেই স্কুল। এরপরে বেলজিয়ামে গেলেন খনি মজুর হয়ে কাজ করতে। এই সময় তিনি ছবি আঁকা শুরু করেন। ৩৫) ভ্যানগগের টেম্পোরাল লোব এপিলেপ্সির কারণে বাই পোলার পারসোনালিটি ডিজ অর্ডার ছিল। আনন্দ -বিষাদের চড়াই উৎরাইয়ের মধ্যে তার জীবন কেটেছে। বিভিন্ন প্রমাণ থেকে জানা যায় তিনি ডিল্যুশনালও ছিলেন। ৩৬) ভিনসেন্ট তার জীবনে এঁকেছেন প্রায় ২,১০০টি ছবি এঁকেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ৮৬০টি তৈলচিত্র। বেশিরভাগ ছবির কাজই সম্পন্ন করেছেন নিজের জীবনের শেষ দুই বছরে। নিজের জীবনের অর্থনৈতিক সমস্যা ও মানসিকভাবে অসুস্থ থাকার পরেও ভ্যান গগ শেষ দুই বছরে যত ছবি এঁকেছেন তা অনেক চিত্রকারের পক্ষে সারাজীবন ধরেও আঁকা সম্ভব ছিলো না। ৩৭) ভ্যান গগ কান কাটার ঘটনাকে ঘিরে অনেক তত্ত্ব রয়েছে। জনপ্রিয় তত্ত্বগুলির মধ্যে একটি হ'ল ভ্যান গগ সহকর্মী পল গোঁগার সাথে লড়াইয়ে নামার পরে তার বাম কানে একটি রেজার নিয়ে আংশিকভাবে বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। তারপরে তিনি আংশিকভাবে কাটা কানটি কাগজে জড়িয়ে তা পতিতালয়ে এক মহিলার হাতে পৌঁছে দেন যাকে তিনি এবং গোঁগা উভয়ই ব্যবহার করতেন। ৯) তর্ক সাপেক্ষে ভিনসেন্ট ভ্যান গগের আঁকা শ্রেষ্ঠ ছবিটি স্ট্যারি নাইট। তবে মজার ব্যাপার হলো এই ছবিটি ভিনসেন্ট এঁকেছেন একটি আশ্রমে বসে। ১৮৮৮ সালে নিজের কান কাটা নিয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে স্বেচ্ছায় ফ্রান্সের সেইন্ট রেমি-ডি প্রদেশের এই আশ্রমে আসেন তিনি। বলা হয়ে থাকে ছবিটি ছিল ভ্যান গগের বিছানার পাশের জানালা দিয়ে দেখতে পাওয়া রাতের দৃশ্য। ১০) ভিনসেন্টের আঁকা সবচেয়ে দামী ছবিটি হচ্ছে ‘পোরট্রেইট অফ ডক্টর গ্যাচেট’। ১৮৯০ সালে আঁকা এই ছবিটি ঠিক একশ বছর পর ১৯৯০ সালে নিলামে ওঠানো হয়। সেই সময়ে ছবিটি বিক্রয় হয় ৮২.৫ মিলিয়ন ডলারে, যেটি কি না পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ছবিগুলোর মধ্যেও একটি। ১১) জীবদ্দশায় মাত্র একটি ছবিই বিক্রয় করতে পেরেছিলেন ভিনসেন্ট ভ্যান গগ। 'রেড ভাইনইয়ার্ড' নামের ছবিটিই ভিনসেন্টের নিজ হাতে বিক্রয় করে যাওয়া একমাত্র ছবি। আত্মহত্যা না করে আরো কিছুদিন বেঁচে থাকলে হয়তো নিজ চোখেই নিজের কীর্তির সম্মাননা দেখে যেতে পারতেন তিনি। ১২) ১৮৯০ সালের ২৭ জুলাই ভিনসেন্ট ভ্যান গগ নিজের বুকে নিজেই গুলি করে বসেন। বলা হয়, একটি গম ক্ষেতে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের বুকে গুলি চালান। গুলি করার আগ মুহূর্তে গমের ক্ষেতে বসেই ছবি আঁকছিলেন তিনি। গুলি করার পরেও তিনি পায়ে হেঁটে হেঁটে নিজ বাড়িতে পৌঁছাতে সক্ষম হন। সেখানে তাকে দুজন ডাক্তার দেখভাল শুরু করেন, কিন্তু দুদিন পর ২৯ জুলাই তিনি পরপারে পাড়ি জমান। গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply