Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » শিশুকে কত বছর মায়ের দুধ পান করানো উচিত?




শিশুকে কত বছর মায়ের দুধ পান করানো উচিত? একজন মা যার একটা ৫ বছর বয়সী মেয়ে এবং দুই বছর বয়সী ছেলে রয়েছে তারা একই সাথে মায়ের দুধ পান করছে। এমা শার্ডলো হাডসন বলে এটা তার সন্তানদের শরীরের জন্য ভাল। কারণ তার খুব কম অসুস্থ হয়। ২৭ বছর বয়সী এই মা বলছিলেন, তিনি বিষয়

টা ভালো-ভাবে নিচ্ছেন কারণ বুকের দুধে এন্টিবডি রয়েছে যেটা শিশুর শরীরের জন্য ভালো। যুক্তরাজ্যের চিকিৎসকরা পরামর্শ দেন যতদিন মা এবং শিশু দুজনেই চাইবে ততদিন দুধ পান করানো উচিত। বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন ক্যান্সারের সতর্ক সংকেত, যা উপেক্ষা করা উচিত নয় জিয়াউর রহমানের মৃতদেহের খোঁজ মিলল যেভাবে বাংলাদেশী পণ্যের নিজস্ব ব্র্যান্ড কতটা তৈরি হচ্ছে? যুক্তরাজ্যে ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস নির্দিষ্ট কোন টাইম বেধে দেয় নি ঠিক কোন সময়ে দুধ পান করানো বন্ধ করতে হবে। শিশুর জন্য প্রথম ছয় মাস মায়ের বুকের দুধ পান করানোর জন্য বিশেষ ভাবে বলা হয়। এর পর ছয় বছর দুধের সাথে সাথে অন্যান্য শক্ত খাবার খাওয়ানো যেতে পারে। শিশুর জন্য বুকের দুধ শ্রেষ্ঠ খাবার বিশেষজ্ঞরা একমত হয়েছেন যে বুকের দুধ পান করানো মা এবং শিশু উভয়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। যে কোন ধরণের ইনফেকশন, ডাইরিয়া, এবং বমি ভাব বন্ধ করার ক্ষেত্রে মায়ের দুধ ভালো রক্ষাকবচের কাজ করে। পরবর্তী জীবনে স্থূলতাসহ অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। আর মায়ের জন্য স্তন এবং ওভারির ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কিন্তু কত দিন: ইউকে তে এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন নির্দেশনামা নেই। ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে বলা আছে, "যতদিন আপনার ভালো লাগবে ততদিন আপনি আপনার শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারেন"। আরো বলা আছে "দুই বা তার চেয়ে বেশি বছর ধরে বুকের দুধ খাওয়ার পাশাপাশি এসময় অন্যান্য খাবার দেয়া উচিত"। ক্ষতিকর কিছু নেই এর অনেক ভালো দিক থাকলেও একজন মা সিদ্ধান্ত নেন কখন বন্ধ করতে হবে। এটার সাথে মায়ের পরিবেশ ,পরিস্থিতি জড়িত। অনেক সময় মায়েদের কাজে ফিরতে হয়, পরিবার বা বন্ধুদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এছাড়া অস্বস্তি কাটানোর জন্য আত্মবিশ্বাসের দরকার পরে। এর মাধ্যমে মা এবং শিশুর আত্মিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। ডাক্তাররা বলছেন এটা একেবারেই একটা ব্যক্তিগত বিষয়। এটা মা শিশুর সম্পর্ককে গড়ে তোলে আর এতে কোন ক্ষতি নেই।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply