Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » প্রতিদিন দুপুরে ভাতের সঙ্গে কাঁচামরিচ খেলে কী ঘটে শরীরে?




প্রতিদিন দুপুরে ভাতের সঙ্গে কাঁচামরিচ খেলে কী ঘটে শরীরে? বাংলাদেশি খাবারের টেবিলে ভাতের সঙ্গে কাঁচামরিচ যেন এক অনিবার্য সঙ্গী। অনেকে আবার প্রতিদিন দুপুরের খাবারে একেবারে অভ্যাসবশত কাঁচামরিচ চিবিয়ে খান। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন, প্রতিদিন কাঁচামরিচ খাওয়ার ফলে শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাঁচামরিচে রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। একদিকে যেমন এটি মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে, অন্যদিকে বেশি খেলে আবার উল্টো ক্ষতিও হতে পারে।

কাঁচামরিচ খাওয়ার উপকারিতা গৃহিণী ও ফুড ব্লগার মঞ্জু মিত্তল জানিয়েছেন, প্রতিদিন দুপুরে বা যে কোনো একবেলা খাবারের সঙ্গে একটি কাঁচামরিচ খাওয়া ত্বক পরিষ্কার রাখতে, হজম শক্তি বাড়াতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যাদের জন্য খাওয়া উচিত নয় অ্যাপোলো স্পেকট্রা মুম্বাইয়ের পুষ্টিবিদ ফাওজিয়া আনসারি বলেন, কাঁচামরিচে রয়েছে ভিটামিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। কিন্তু এর মধ্যে থাকা ‘ক্যাপসাইসিন’ নামের উপাদান অতিরিক্ত খেলে পাকস্থলীর আস্তরণে জ্বালাভাব, অ্যাসিডিটি ও হার্টবার্নের মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। যাদের সংবেদনশীল পেট, এসিড রিফ্লাক্স বা আলসারের সমস্যা আছে, তাদের জন্য প্রতিদিন কাঁচামরিচ খাওয়া একেবারেই উপযুক্ত নয়। তিনি আরও জানান, কাঁচামরিচের ঝাল মুখ, গলা ও হজমতন্ত্রে জ্বালাভাব সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি অতিরিক্ত খেলে ডায়রিয়া, পেটব্যথা কিংবা ক্র্যাম্পও হতে পারে। গবেষণায় এখনো প্রমাণ মেলেনি যে, কাঁচামরিচ সরাসরি ত্বক পরিষ্কার করে। প্রতিদিন কতটুকু খাবেন? ফাওজিয়া আনসারির পরামর্শ হলো, যদি কাঁচামরিচ খেতে চান, তবে এক বেলায় একটির বেশি খাবেন না। আর সম্ভব হলে হালকা সবুজ রঙের কাঁচামরিচ বেছে নিন, কারণ এগুলো তুলনামূলক কম ঝাল। সুষম খাবার গ্রহণ করাই ভালো স্বাস্থ্যের মূল চাবিকাঠি। তাই দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত ঝাল খাবার এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্র: আইএফএল সায়েন্স, নিউ সায়েন্টিস্ট, বিবিসি ও ব্রিটানিকা।গ্রন্থনা:অধ্যক্ষ মহসীন আলী আঙ্গুঁর ,সম্পাদক ও প্রকাশক, মুজিবনগর খবর ডট কম,মেহেরপুর।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply