Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » তেঁতুল গাছের ভুতনি বউয়ের গল্পের ওপর শিক্ষা সহায়িকা




তেঁতুল গাছের ভুতনি বউয়ের গল্পের ওপর শিক্ষা সহায়িকা এই শিক্ষা সহায়িকাটি "তেঁতুল গাছের ভুতনি বউয়ের গল্প" শীর্ষক উৎসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। এটি পাঠ্যের মূল বিষয়বস্তু, চরিত্র এবং ঘটনার গভীরতা বুঝতে সাহায্য করবে। সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী কুইজ

নির্দেশনা: নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর ২-৩টি বাক্যের মধ্যে প্রদান করুন। ১. গল্পের কথক তাঁর স্ত্রীর স্বভাব সম্পর্কে কী বলেছেন? কথক তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত কৃপণ বা কিপটে হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সঞ্চয়ের নেশায় তাঁর স্ত্রী তাঁকে সারা জীবন কেবল ডাঁটাচচ্চড়ি খাইয়েই দিন কাটিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। ২. কথকের মৃত্যুর পেছনে বিষযুক্ত পাউরুটির ভূমিকা কী ছিল? কথক ইঁদুর মারার জন্য এক পিস পাউরুটিতে বিষ মিশিয়ে খাটের নিচে রেখেছিলেন। তাঁর স্ত্রী বিষয়টি না জেনে সেই বিষাক্ত রুটিই পরের দিন কথককে প্রাতঃরাশে খেতে দেন, যার ফলে তাঁর মৃত্যু ঘটে। ৩. মৃত্যুর ঠিক আগে কথকের শারীরিক অবস্থা কেমন হয়েছিল? বিষাক্ত রুটি খাওয়ার পর কথকের তীব্র কলেরা শুরু হয়। এর ফলে তাঁর শরীরের সমস্ত জল শুকিয়ে যায় এবং তিনি আলুর চিপসের মতো শুকিয়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। ৪. ভূত হওয়ার পর দ্বিতীয় দিনে কথক কী করছিলেন? ভূত হওয়ার দুই দিন পর কথক একটি যজ্ঞডুমুর গাছের সরু ডালে বসে পা দোলাচ্ছিলেন। সেখান থেকে তিনি তাঁদের পাড়াতুতো বউদি 'খেঁদি পেত্নী'কে উঁকিঝুঁকি মেরে দেখছিলেন। ৫. খেঁদি পেত্নী সম্পর্কে কথকের ধারণা কী ছিল? খেঁদি পেত্নী ছিলেন কথকের পাড়াতুতো বউদি এবং তাঁদের এলাকার সকলের কাছেই অত্যন্ত আকর্ষণীয় বা 'ক্রাশ' ছিলেন। কথক এমনকি তাঁর একটি ছবি মোবাইলে তুলে রাখার কথাও ভাবছিলেন। ৬. গাছের ডাল ভেঙে পড়ার পর কথক কাকে দেখতে পান? গাছের ডাল ভেঙে নিচে পড়ার পর কথক তাঁর মৃত স্ত্রীকে সামনে দেখতে পান। তাঁর স্ত্রী কপালে বড় লাল সিঁদুরের টিপ পরে অনেকটা মা কালীর মতো বেশে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। ৭. কথকের স্ত্রী কীভাবে এবং কেন মারা গিয়েছিলেন? কথকের স্ত্রী কলকে ফুলের বীজ খেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। তাঁর ধারণা ছিল যে, তিনি পরে মারা গেলে তাঁর ছেলের শ্রাদ্ধের জন্য আলাদা করে অনেক টাকা খরচ হবে, যা সঞ্চয়ের পরিপন্থী। ৮. স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ শুনে কথকের প্রতিক্রিয়া কী ছিল? স্ত্রীর সঞ্চয় করার অদ্ভুত মানসিকতা দেখে কথক অত্যন্ত বিস্মিত ও ব্যথিত হন। তিনি মনে মনে বলেন যে, তাঁর স্ত্রী এতটাই সঞ্চয়ী যে তাঁর জীবন ও মরণ—সবই এক করে দিয়েছেন। ৯. গল্পে ভূতের কথোপকথনের ভাষার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য কী? গল্পে দেখা যায় যে ভূতেরা কথা বলার সময় 'নাকি সুর' ব্যবহার করছে। যেমন স্ত্রীর সংলাপে প্রতিটি শব্দের ওপর চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করে সেই নাসিক্য ধ্বনি বা নাকি সুর ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ১০. গল্পের শেষে পাঠকদের জন্য কী আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে? গল্পের শেষে বলা হয়েছে যে, যদি কারো দেখার ইচ্ছে থাকে বা মনে চায়, তবে তারা রাত ১২টার সময় তেঁতুল গাছের নিচে আসতে পারে। সেখানে সম্ভবত এই দম্পতির দেখা মিলবে। -------------------------------------------------------------------------------- উত্তরপত্র (Answer Key) ১. স্ত্রী অত্যন্ত কৃপণ ছিলেন এবং সঞ্চয়ের জন্য ডাঁটাচচ্চড়ি খাইয়ে স্বামীকে রাখতেন। ২. ইঁদুর মারার বিষযুক্ত রুটি স্ত্রী না বুঝে স্বামীকে খেতে দেওয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়। ৩. কলেরায় শরীরের জল শুকিয়ে গিয়ে তিনি অত্যন্ত জীর্ণ অবস্থায় মারা যান। ৪. যজ্ঞডুমুর গাছে বসে পা দোলাচ্ছিলেন এবং খেঁদি পেত্নীকে দেখছিলেন। ৫. খেঁদি পেত্নী ছিলেন পাড়াতুতো বউদি এবং কথকের পছন্দের একজন। ৬. কথক তাঁর মৃত স্ত্রীকে দেখতে পান, যার মাথায় সিঁদুর ছিল এবং দেখতে কালীর মতো লাগছিল। ৭. শ্রাদ্ধের খরচ বাঁচানোর জন্য স্ত্রী কলকে ফুলের বীজ খেয়ে আত্মহত্যা করেন। ৮. স্ত্রীর চরম সঞ্চয়ী মনোভাবে কথক হতাশ হয়ে তাঁকে 'ধন্যি গিন্নি' বলে সম্বোধন করেন। ৯. ভূতেদের ভাষায় নাকি সুর বা নাসিক্য ধ্বনির আধিক্য দেখা যায়। ১০. রাত ১২টায় তেঁতুল গাছের নিচে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। -------------------------------------------------------------------------------- প্রবন্ধধর্মী প্রশ্নাবলী (Essay Questions) নির্দেশনা: নিচের বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে বিস্তারিত আলোচনা করুন (উত্তর প্রদানের প্রয়োজন নেই)। ১. "তেঁতুল গাছের ভুতনি বউয়ের গল্প"-এ বর্ণিত স্ত্রীর কৃপণতা কীভাবে হাস্যরস এবং ট্র্যাজেডির সংমিশ্রণ ঘটিয়েছে তা বিশ্লেষণ করুন। ২. গল্পের প্রধান চরিত্রের (স্বামী) মৃত্যুর কারণ এবং তাঁর পরবর্তী প্রেতযোনী প্রাপ্তির ঘটনাপ্রবাহ আলোচনা করুন। ৩. গল্পের শেষাংশে স্ত্রীর আত্মহত্যার যে কারণ দর্শানো হয়েছে, তা তাঁর চরিত্রের কোন দিকটি ফুটিয়ে তোলে? বিস্তারিত লিখুন। ৪. এই ছোটগল্পটিতে অতিপ্রাকৃত উপাদান (ভূত, পেত্নী) এবং বাস্তব জীবনের সমস্যার (সংসার, অভাব, সঞ্চয়) মেলবন্ধন কীভাবে করা হয়েছে? ৫. গল্পের নামকরণ এবং শেষ দুই লাইনের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করুন। -------------------------------------------------------------------------------- গুরুত্বপূর্ণ শব্দকোষ (Glossary) শব্দ অর্থ/সংজ্ঞা কিপটে অত্যন্ত কৃপণ বা যিনি অর্থ ব্যয় করতে কুন্ঠাবোধ করেন। ডাঁটাচচ্চড়ি ডাঁটা ও অন্যান্য সবজি দিয়ে তৈরি একটি সাধারণ বাঙালি তরকারি। কলেরা একটি সংক্রামক ব্যাধি যা শরীর থেকে জল বের করে দিয়ে মানুষকে অত্যন্ত দুর্বল করে দেয়। প্রেতযোনী/ভূত লোকবিশ্বাস অনুযায়ী মৃত্যুর পর মানুষের অতৃপ্ত আত্মার রূপ। যজ্ঞডুমুর এক প্রকার বুনো ডুমুর গাছ যা সাধারণত গ্রামবাংলার ঝোপঝাড়ে দেখা যায়। পেত্নী নারী ভূত বা প্রেতিনী। নাকি সুর নাক দিয়ে কথা বলার ধরন, যা সচরাচর ভূতের কণ্ঠস্বরের বৈশিষ্ট্য হিসেবে কল্পনা করা হয়। ছঁরাদ্দ (শ্রাদ্ধ) হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মৃত ব্যক্তির আত্মার শান্তির জন্য অনুষ্ঠিত ধর্মীয় আচার। কলকে ফুল একটি বিষাক্ত উদ্ভিদ যার বীজ খেলে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সঞ্চয়কারী যিনি ভবিষ্যতের জন্য অর্থ বা সম্পদ জমা করেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply