Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বিজেপির রাজনীতি সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত, কেজরিওয়াল নৈরাজ্যবাদী: মোদি : বিজেপির রাজনীতি পরিবারবাদ, জাতিবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত বলে দাবি করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিজেপির প্রথম নির্বাচনী জনসভা ভাষণ দানকালে তিনি এ দাবি করেন। ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রায় ৮ মিনিট ধরে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম উল্লেখ না করে তার সমালোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘যিনি ধর্না দেয়ার মাস্টার তিনি কি করে সরকার চালাবেন? সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক কাজ দেয়া উচিত। দিল্লিতে সভ্য সমাজের মানুষজন বসবাস করেন। দিল্লিবাসীর জন্য কোনো বিশৃঙ্খল নেতার প্রয়োজন নেই। হঠকারী হলে জঙ্গলে গিয়ে নকশালপন্থীদের সঙ্গে কাজ করুন। দিল্লিতে নকশালবাদ চলতে দেয়া হবে না। যিনি দিল্লিকে অস্থিতিশীল করেছেন তার ওপর মানুষ যেন ভরসা না করেন।’ কেজরিওয়ালকে ‘নৈরাজ্যবাদী’ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দিল্লিবাসীকে অনুরোধ করেন আম আদমি পার্টিকে তারা যেন ‘উচিত শিক্ষা’ দেয়। শনিবারই সংবাদ সম্মেলন করে আম আদমি পার্টির প্রধান ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, ‘বিজেপি দল দুর্বল হয়ে পড়েছে। দিল্লিতে তাদের কোনো ইতিবাচক কর্মসূচি নেই।’ কেজরিওয়াল বলেছেন, ‘তার দলীয় রাজনীতি হল সমস্যা ও বিষয়ভিত্তিক, কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়।’ তিনি বলেন, ‘ওরা আমাকে মিথ্যাবাদী, অরাজকতা সৃষ্টিকারীসহ অনেক কিছু বলছেন- এটাই বিজেপির স্তর। আমরা কখনো এই ধরণের ভাষা ব্যবহার করতে পারব না।’ এদিকে, নরেন্দ্র মোদি তার ভাষণে বিজেপি নেতা অমিত শাহকে ‘সবচেয়ে সফল সভাপতি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। আগামী দিনে দিল্লির বাসিন্দারা জেনারেটরের থেকে মুক্ত হবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হয়েছে।’ উপর থেকে নীচ পর্যন্ত দুর্নীতি শেষ করা হবে বলে তিনি বলেন। এই সভায় হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টার, মুম্বাইয়ের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এবং ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসসহ অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মোদির আজকের এই সভার মধ্যে দিয়েই কার্যত দিল্লি বিধানসভার আসন্ন নির্বাচনী প্রচার শুরু হল। গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপ সরকার ইস্তফা দেয়ায় প্রায় এক বছর দিল্লিতে চলছে প্রেসিডেন্ট শাসন। আগামী মাসে সেখানে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।#১১ জানুয়ারি (রেডিও তেহরান)






বিজেপির রাজনীতি সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত, কেজরিওয়াল নৈরাজ্যবাদী: মোদি

:  বিজেপির রাজনীতি পরিবারবাদ, জাতিবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত বলে দাবি করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।



শনিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিজেপির প্রথম নির্বাচনী জনসভা ভাষণ দানকালে তিনি এ দাবি করেন। ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রায় ৮ মিনিট ধরে আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নাম উল্লেখ না করে তার সমালোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, ‘যিনি ধর্না দেয়ার মাস্টার তিনি কি করে সরকার  চালাবেন? সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক কাজ দেয়া উচিত। দিল্লিতে সভ্য সমাজের মানুষজন বসবাস করেন। দিল্লিবাসীর জন্য কোনো বিশৃঙ্খল নেতার প্রয়োজন নেই। হঠকারী হলে জঙ্গলে গিয়ে নকশালপন্থীদের সঙ্গে কাজ করুন। দিল্লিতে নকশালবাদ চলতে দেয়া হবে না।  যিনি দিল্লিকে অস্থিতিশীল করেছেন তার ওপর মানুষ যেন ভরসা না করেন।’

কেজরিওয়ালকে ‘নৈরাজ্যবাদী’ আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দিল্লিবাসীকে অনুরোধ করেন আম আদমি পার্টিকে তারা যেন ‘উচিত শিক্ষা’ দেয়।



শনিবারই সংবাদ সম্মেলন করে আম আদমি পার্টির প্রধান ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেছেন, ‘বিজেপি দল দুর্বল হয়ে পড়েছে। দিল্লিতে তাদের  কোনো ইতিবাচক কর্মসূচি নেই।’ কেজরিওয়াল বলেছেন, ‘তার  দলীয় রাজনীতি হল সমস্যা ও বিষয়ভিত্তিক,  কোনো ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়।’ তিনি বলেন, ‘ওরা আমাকে  মিথ্যাবাদী, অরাজকতা সৃষ্টিকারীসহ অনেক কিছু বলছেন- এটাই বিজেপির স্তর। আমরা কখনো এই ধরণের ভাষা ব্যবহার করতে পারব না।’

 

এদিকে, নরেন্দ্র মোদি তার ভাষণে বিজেপি নেতা অমিত শাহকে ‘সবচেয়ে সফল সভাপতি’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দিল্লিতে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। আগামী দিনে দিল্লির বাসিন্দারা জেনারেটরের থেকে মুক্ত হবেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করা হয়েছে।’ উপর থেকে নীচ পর্যন্ত দুর্নীতি শেষ করা হবে বলে তিনি বলেন।



এই সভায় হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খাট্টার, মুম্বাইয়ের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস এবং ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসসহ অন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মোদির আজকের এই সভার মধ্যে দিয়েই কার্যত দিল্লি বিধানসভার আসন্ন নির্বাচনী প্রচার শুরু হল।



গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপ সরকার ইস্তফা দেয়ায় প্রায় এক বছর দিল্লিতে চলছে প্রেসিডেন্ট শাসন। আগামী মাসে সেখানে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।#১১ জানুয়ারি (রেডিও তেহরান)







«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply