২৪ বছর অনুপস্থিতির পর বরখাস্ত
নানান অসম্ভবের দেশ ভারত। দরজাবিহীন গ্রাম থেকে শুরু করে সাধু-সন্যাসীদের রাজ্য পর্যন্ত আছে ভারতে। প্রতিবাদ আর প্রতিরোধের ভারতকে দীর্ঘসময় অতিক্রম করতে হয়েছে স্বাধীনতার জন্য। আর এই স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে বিশাল ভারতবর্ষ কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। একবাক্যে বলতে গেলে ব্রিটিশ রাজত্ব থেকে মুক্ত হতে ভারত ও এর অধিবাসীদের কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। কিন্তু ভারত ব্রিটিশদের তাড়াতে পারলেও ব্রিটিশদের নিয়ম কানুন কি তাড়াতে পেরেছে?
ব্রিটিশ রাজত্বের অনেক নিয়ম-আইন ভারতবর্ষ ভেঙ্গে সৃষ্টি হওয়া রাষ্ট্রগুলোতে পালিত হয়। তেমনি একটি আইন হলো সরকারি চাকুরিজীবীদের চাকরির নিশ্চয়তা। ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে যতটা তাদের উন্নত অস্ত্র আর কূটকৌশল দিয়ে রাজত্ব টিকিয়ে রেখেছিল তার চেয়েও বেশি তারা টিকে ছিল তাদের সৃষ্ট সরকারি আমলা-তাবেদার শ্রেণির কারণে। অল্প শিক্ষিত ভারতীয় জনগোষ্ঠিকে ছকে বাঁধা ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে তাদের দিয়েই সাধারণ ভারতীয়দের শোষণের নগ্ন পন্থা ব্রিটিশদের অবদান। ব্রিটিশরা তাই নিয়ম করেছিল, ব্রিটিশ নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো সরকারি কর্মচারীকে চাকরি থেকে ঘোরতর অপরাধ না করলে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অব্যাহতি দেয়া যাবে না। তাইতো টানা ২৪ বছর অফিসে না এসেও দিব্যি বেতন-ভাতা নিয়ে বহাল তবিয়তে ছিলেন ভারতীয় এক সরকারি কর্মকর্তা। অবশ্য শেষমেষ তাকে বরখাস্ত করেছে ভারতের নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।
গত মাসের ভারতের নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের গোচরে আসে যে, এ.কে. ভার্মা নামের এক প্রকৌশলী গত ২৪ বছর ধরে কর্মক্ষেত্রে আসছেন না। শুধু তাই নয় এই সময় তিনি বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধাধি গ্রহন করেছেন। শেষমেষ তদন্ত সাপেক্ষে তাকে গত বৃহস্পতিবার নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ভেনকাইয়া নাইড়ু বিশেষ ক্ষমতাবলে চাকরিচ্যুত করেন।
এ.কে.ভার্মা ১৯৮০ সালে কেন্দ্রিয় জণকল্যাণ অধিদপ্তরের একজন সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। চাকরির দশ বছরের মাথায় তিনি ছুটিতে চলে যান এবং সেই থেকে তিনি আর চাকরিতে যোগ দেননি। তবে ১৯৯২ সালের দিকে ভার্মার অনুপস্থিতি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া যায়নি। ভার্মার কাছ থেকে কোনো জবাবদিহিতা না পাওয়ায় এবং ব্রিটিশ আইনের ফাঁকগলে ভার্মা দিব্যি সরকারি চাকুরে হিসেবেই টিকে ছিলেন।
এই ঘটনার পর ভারতের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে শোরগোল শুরু হয়ে যায়। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ভারতে তিন মিলিয়নের বেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। এবং বেশিরভাগ দপ্তরেই এমন অনেকেই আছেন যারা অফিসে না গিয়েও বেতন-ভাতাদি গ্রহন করছে। এবিষয়ে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রধান আশীষ আরোরা বলেন, ‘সরকারি চাকরি মানে নিশ্চয়তা। ভারত সরকারের অধীনে এমন অনেক চাকুরিজীবী আছেন যারা চাকরিতে যোগ দেয়ার পর আর কাজে আসেননি, অথচ সকল সুবিধা ভোগ করছেন।’
ব্রিটিশ রাজত্বের অনেক নিয়ম-আইন ভারতবর্ষ ভেঙ্গে সৃষ্টি হওয়া রাষ্ট্রগুলোতে পালিত হয়। তেমনি একটি আইন হলো সরকারি চাকুরিজীবীদের চাকরির নিশ্চয়তা। ব্রিটিশরা ভারতবর্ষে যতটা তাদের উন্নত অস্ত্র আর কূটকৌশল দিয়ে রাজত্ব টিকিয়ে রেখেছিল তার চেয়েও বেশি তারা টিকে ছিল তাদের সৃষ্ট সরকারি আমলা-তাবেদার শ্রেণির কারণে। অল্প শিক্ষিত ভারতীয় জনগোষ্ঠিকে ছকে বাঁধা ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়ে তাদের দিয়েই সাধারণ ভারতীয়দের শোষণের নগ্ন পন্থা ব্রিটিশদের অবদান। ব্রিটিশরা তাই নিয়ম করেছিল, ব্রিটিশ নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো সরকারি কর্মচারীকে চাকরি থেকে ঘোরতর অপরাধ না করলে চাকরি থেকে বরখাস্ত বা অব্যাহতি দেয়া যাবে না। তাইতো টানা ২৪ বছর অফিসে না এসেও দিব্যি বেতন-ভাতা নিয়ে বহাল তবিয়তে ছিলেন ভারতীয় এক সরকারি কর্মকর্তা। অবশ্য শেষমেষ তাকে বরখাস্ত করেছে ভারতের নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়।
গত মাসের ভারতের নগর উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের গোচরে আসে যে, এ.কে. ভার্মা নামের এক প্রকৌশলী গত ২৪ বছর ধরে কর্মক্ষেত্রে আসছেন না। শুধু তাই নয় এই সময় তিনি বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন সুবিধাধি গ্রহন করেছেন। শেষমেষ তদন্ত সাপেক্ষে তাকে গত বৃহস্পতিবার নগর উন্নয়ন মন্ত্রী ভেনকাইয়া নাইড়ু বিশেষ ক্ষমতাবলে চাকরিচ্যুত করেন।
এ.কে.ভার্মা ১৯৮০ সালে কেন্দ্রিয় জণকল্যাণ অধিদপ্তরের একজন সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। চাকরির দশ বছরের মাথায় তিনি ছুটিতে চলে যান এবং সেই থেকে তিনি আর চাকরিতে যোগ দেননি। তবে ১৯৯২ সালের দিকে ভার্মার অনুপস্থিতি নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া যায়নি। ভার্মার কাছ থেকে কোনো জবাবদিহিতা না পাওয়ায় এবং ব্রিটিশ আইনের ফাঁকগলে ভার্মা দিব্যি সরকারি চাকুরে হিসেবেই টিকে ছিলেন।
এই ঘটনার পর ভারতের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে শোরগোল শুরু হয়ে যায়। এক পরিসংখ্যানে জানা যায়, ভারতে তিন মিলিয়নের বেশি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। এবং বেশিরভাগ দপ্তরেই এমন অনেকেই আছেন যারা অফিসে না গিয়েও বেতন-ভাতাদি গ্রহন করছে। এবিষয়ে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রধান আশীষ আরোরা বলেন, ‘সরকারি চাকরি মানে নিশ্চয়তা। ভারত সরকারের অধীনে এমন অনেক চাকুরিজীবী আছেন যারা চাকরিতে যোগ দেয়ার পর আর কাজে আসেননি, অথচ সকল সুবিধা ভোগ করছেন।’
Slider
দেশ
মেহেরপুর জেলা খবর
মেহেরপুর সদর উপজেলা
গাংনী উপজেলা
মুজিবনগর উপজেলা
ফিচার
খেলা
যাবতীয়
ছবি
ফেসবুকে মুজিবনগর খবর
Home
»
lid news
»
photos
»
world
» ২৪ বছর অনুপস্থিতির পর বরখাস্ত নানান অসম্ভবের দেশ ভারত। দরজাবিহীন গ্রাম থেকে শুরু করে সাধু-সন্যাসীদের রাজ্য পর্যন্ত আছে ভারতে। প্রতিবাদ আর প্রতিরোধের ভারতকে দীর্ঘসময় অতিক্রম করতে হয়েছে স্বাধীনতার জন্য। আর এই স্বাধীনতা অর্জন করতে গিয়ে বিশাল ভারতবর্ষ কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। একবাক্যে বলতে গেলে ব্রিটিশ রাজত্ব থেকে মুক্ত হতে ভারত ও এর অধিবাসীদের কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি। কিন্তু ভারত ব্রিটিশদের তাড়াতে পারলেও ব্রিটিশদের নিয়ম কানুন কি তাড়াতে পেরেছে?
Mujibnagar Khabor's Admin
We are.., This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Labels
- Advertisemen
- Advertisement
- Advertisementvideos
- Arts
- Education
- English News
- English News Featured
- English News lid news
- English News national
- English News news
- English Newsn
- Entertainment
- Featured
- games
- id news
- l
- l national
- li
- lid news
- lid news English News
- lid news others
- media
- national
- others
- pedia
- photos
- politics
- politics English News
- t
- videos
- w
- world
- Zilla News
No comments: