Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » গুজরাট দাঙ্গার কুতুবউদ্দিন রাজনীতিতে তার ছবি ব্যবহারে আপত্তি





গুজরাট দাঙ্গার  কুতুবউদ্দিন


রাজনীতিতে ছবি ব্যবহারে আপত্তি


ভারতের গুজরাটে ভয়াবহ দাঙ্গার সময় চোখভরা পানি নিয়ে হাতজোড় করে প্রাণ বাঁচানোর আবেদন করেছিলেন কুতুবউদ্দিন আনসারী নামে এক যুবক। ২০০২ সালের সেই ভয়ার্ত মুখ কার্যত গুজরাট দাঙ্গার অন্যতম প্রধান ছবি হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আজো মর্মস্পর্শী সেই ছবিকে সমানভাবে ব্যবহার করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে বলিউড এমনকি সন্ত্রাসীরাও। আর এতেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন কুতুবউদ্দিন। তিনি ওই ছবি ব্যবহার বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

কুতুবউদ্দিন আনসারী বলেছেন, ‘যতবার ওই ছবি ব্যবহার করা হয়, আমার জীবন ততটাই কঠিন হয়ে যায়। কাল হয়তো এর পিছনে আমার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন মানুষজন। যারা আমায় চেনেন তারাও প্রশ্ন করবেন আমায়। ৪৩ বছর বয়স হয়েছে আমার। ঘটনার পরে ১৪ বছর পার হয়ে গেছে। তবুও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আমাকে ব্যবহার করার খেলা বন্ধ করল না।’

কুতুবউদ্দিনের আক্ষেপ, ‘যখন আমার সন্তানরা আমাকে জিজ্ঞাসা করে বাবা আপনাকে কাঁদতে এবং দয়া ভিক্ষা করতে দেখা যায় কেন? তখন আমি জবাব দিতে পারি না। মাঝে মধ্যে মনে হয় এর থেকে বরং তখন মরে গেলেই বোধ হয় ভাল হতো।’

কুতুবউদ্দিন বলেন, রাজনৈতিকভাবে আমাকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক দল আমার জীবন দুর্বিষহ করে তুলছে। অসম বিধানসভা নির্বাচনে প্রচারের শেষ দিন গত শনিবার কয়েকটি সংবাদপত্রে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপন দিয়ে গুজরাট দাঙ্গার সময়ের কুতুবউদ্দিনের সেই বিখ্যাত ছবি ব্যবহার করা হয়। বিজেপিকে টার্গেট করে বিজ্ঞাপনে মোদির গুজরাট মডেল নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলা হয় ‘আপনারাও কি অসমকে গুজরাটের মতো দেখতে চান? আপনাদেরই এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অসমে কংগ্রেসের বিকল্প কংগ্রেসই।’

গুজরাটের বিরজুনগরে দর্জি’র কাজ করা কুতুবউদ্দিন আনসারী তার স্ত্রী এবং সন্তানদের নিয়ে কোনো প্রকারে সংসার নির্বাহ করেন। তার অভিযোগ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাকে এভাবে ব্যবহার করায় তার জীবনে সমস্যা বেড়ে চলেছে। তিনি গুজরাটে শান্তিতে থাকতে চান।

গুজরাট দাঙ্গার সময় ২৯ বছর বয়সী কুতুবউদ্দিন আনসারী নিরাপত্তার কারণে ৬ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি গুজরাটে ফিরে যান।#






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply