Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বিএনপিতে কোন গণতন্ত্রের চর্চা নেই : ওবায়দুল কাদের





বিএনপিতে কোন গণতন্ত্রের চর্চা নেই : ওবায়দুল কাদের
  আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির ভিতরে কোন গণতন্ত্রের চর্চা নেই। মেয়র প্রার্থী হিসেবে বাবা ছেলের নাম ঘোষণা করে এটা কেমন গণতন্ত্র।

আজ বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এই শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে দেখলাম বাবা (আব্দুল আওয়াল মিণ্টু) তার ছেলেকে (তাবিথ আওয়াল) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বাবা বিএনপির নেতা, তিনি তার ছেলেকে মনোনয়ন দিয়েছেন। যেই ছেলের নাম প্যারাডাইজ পেপারে এসেছে। বাবা ছেলের নাম ঘোষণা করে, এটা কেমন গণতন্ত্র? বিএনপিতে কোন গণতন্ত্র নেই’।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে হলে আমাদের মনোনয় বোর্ড থেকে নাম আসবে। আমি পার্টির সাধারণ সম্পাদক, হঠাৎ করে বলে দিলাম যে আওয়ামী লীগের সে প্রার্থী, এটা আমাদের দলে হবে না।
মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রুহুল, সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন ও গোলাম আশরাফ তালুকদার, কাজী মোর্শেদ কামাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ আখতার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মনোনয়ন প্রতিযোগিতায় অসুস্থ কোন্দলে জড়ালে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগ একটা বড় দল। বড় দলের কিছু কিছু সমস্যা থাকে। কিন্তু আমাদের দলের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য্য হচ্ছে, আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের পার্টির সভাপতি। তাঁর নেতৃত্বে আমাদের দল ঐক্যবদ্ধ।
তিনি বলেন, আমাদের যদি কোন মেজর সমস্যা হয় এবং আমরা যদি ব্যর্থ হই তাহলে আমাদের সভাপতি হস্তক্ষেপে সমস্যা সমাধান হয়। আমাদের পার্টিতে অনাকাঙ্খিত কিছু ঘটতে আমরা দিচ্ছি না। আমাদের দলের একজন অন্যায় করবে শাস্তি পাবে না এটা হয় না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকবে। কোন প্রার্থী আগ্রহ প্রকাশ করতেই পারে। কোন জায়গায় ১০-১৫ জন প্রার্থী আছে, থাকতে পারে। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন দেবেন আমাদের পার্টির সভাপতি শেখ হাসিনা সেটা মনোনয়ন বোর্ডের মাধ্যমে।

 
  এবার ফরহাদ মজহার দম্পতির বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা
৯ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করেন ফরহাদ মজহার দম্পতি
৯ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করেন ফরহাদ মজহার দম্পতি
বাংলাদেশের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, কবি ফরহাদ মজহার ও তাঁর স্ত্রী ফরিদা আকতারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মিথ্যা তথ্য দেয়া ও হয়রানির অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর আদাবর থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুল ইসলাম।

দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় দায়ের করা মামলায় ফরহাদ মজহার দম্পতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিরও আবেদন করা হয়েছে। দোষ প্রমাণিত হলে ফরহাদ মজহার ও ফরিদার সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপকমিশনার আনিসুর রহমান এ সম্পর্কে জানান, থানায় মামলা দায়েরের পর আজ বৃহস্পতিবার রাতে ডাকযোগে মামলার কাগজ ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এসেছে। আগামী রোববার আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুলাই ভোররাতে শ্যামলী রিং রোডের হক গার্ডেনের নিজ বাসা থেকে বের হন ফরহাদ মজহার। এরপর ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে তিনি তার স্ত্রীকে ফোন করে জানান, ‘ফরিদা, ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে।’ পরে তার স্ত্রী আদাবর থানায় অভিযোগ করেন।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার রাতে র‌্যাব-৬ যশোর নওয়াপাড়া থেকে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে আদাবর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর তাকে মিন্টো রোডের গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ফরহাদ মজহার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে তার স্ত্রীর করা যে জিডিটি মামলা আকারে নেওয়া হয় তার পরিপ্রেক্ষিতে ভিকটিম হিসেবে ফরহাদ মজহার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিও দেন।


গত ৩১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মাহাবুবুল ইসলাম আদালতে ফরহাদ মজহারকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি করার অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়নি মর্মে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। একই সঙ্গে মিথ্যা অপহরণের মামলা করে বিভ্রান্ত ও হয়রানি করার অভিযোগে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় ফরহাদ মজহার ও ১০৯ ধারায় তার স্ত্রী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি চান তদন্ত কর্মকর্তা।

এরপর গত ৭ ডিসেম্বর অপরাধবিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন ও মিথ্যা মামলা করে বিভ্রান্ত ও হয়রানির করার অভিযোগ আনায় ফরহাদ মজহার ও তার স্ত্রী মানবাধিকারকর্মী ফরিদা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করার আদেশ দেয় আদালত। ওই দিনই মামলার বাদীর নারাজি দাখিলের জন্য সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তার ‍বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম খুরশীদ আলম। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পরিদর্শক মাহবুবুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলায় পুলিশ বলেছে, গত ৩ জুলাই ফরহাদ মজহার অপহৃত হয়েছেন বলে অভিযোগ এনে ফরিদা আকতার আদাবর থানায় মামলা করেন। ডিবি পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে বলে, ফরিদার অভিযোগ সত্য নয়। 

চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের দুদিন পর ৯ ডিসেম্বর ফরহাদ মজহার তাঁর হক গার্ডেনের বাসায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। তিনি দাবি করেন,  অপহরণকারীরা তাঁকে খুলনা-যশোর সীমান্তের দিক দিয়ে সীমান্তের ওপারে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। সে অবস্থা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধার করলেও পরে চাপ দিয়ে তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করেছে।#
 






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply