সিরিয়ায় একসঙ্গে তিন দেশের বিমানহানা
ওয়াশিংটন:
ট্রাম্প জানিয়েছেন, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সঙ্গে অপারেশন করেছে আমেরিকা৷ যতদিন না সিরিয়া তার রাসায়নিক অস্ত্রের প্রয়োগ থামাবে, ততদিন হামলা চলবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প৷ গত সপ্তাহে বিষাক্ত গ্যাসের ফলে সিরিয়ায় ৬০ জনের মৃত্যু হয়৷ তারপরেই এই বিমানহানার সিদ্ধান্ত নেয় তিন দেশ৷
হোয়াইট হাউস থেকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ট্রাম্প জানান, “কিছুদিন আগেই আমি মার্কিন সেনাকে হামলার কথা বলি৷ সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাসার আল-আসাদের রাসায়নিক অস্ত্রের পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷” সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে বিমানহানা একাধিক জায়গায় করা হয়েছে৷ হামলার জন্য তোমাহক ক্রুজ মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে৷ আসাদের রাসায়নিক অস্ত্র হামলার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, “এটা মানুষের কাজ নয়৷ দানবের কাজ৷ আমাদের কাজ রাসায়নিক অস্ত্রে বিরুদ্ধে একটি কঠিন প্রতিবন্ধক৷”
এর পাশাপাশি রাশিয়া ও ইরানকেও সতর্ক করছে আমেরিকা৷ আসাদ সরকারের পিছনে এই দুটি শক্তিরই হাত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে৷ ট্রাম্প বলেছেন, “ইরান ও রাশিয়া, আমি জিজ্ঞাসা করছি কোন দেশ নির্দোষ পুরুষ, মহিলা ও শিশুদের গণহত্যা করতে সাহায্য করে?” ব্রিটিশ মুখ্যমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র যাতে না ব্যবহার করা হয়, তাই এই অপারেশনে অংশ নিয়েছেন তাঁরা৷ ফ্রান্সর প্রেসিডেন্ট এম্মানুল ম্যাকরন বলেছেন, আমেরিকা ও ব্রিটেনের সঙ্গে ফ্রান্স অপারেশনে যোগ দিয়েছে তার কারণ সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারিক প্রয়োগ৷
কিছুদিন আগে রাসায়নিক গ্যাস হামলা হয় সিরিয়ার পূর্ব ঘৌতায় দৌমা শহরে৷ বিষাক্ত গ্যাস আক্রমণের ফলে অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছেন৷ আহত শতাধিক৷ তার ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই হোমস্ শহরের টার্মিনাল-৪ এয়ারফিল্ডে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়৷ এটি অত্যন্ত জোরালো ছিল৷ সিরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, এয়ারপোর্টে মিসাইল হামলা হয়৷ যার ফলে অনেকের প্রাণ যায়৷ রবিবারের কেমিক্যাল অ্যাটাকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বশর-অল-আসাদকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন৷

No comments: