Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » আজ গোলকিপারদের ম্যাচ




 আজ গোলকিপারদের ম্যাচ
 ‘স্টারডামে’ পারফরমেন্সই শেষ কথা। রাশিয়া বিশ্বকাপ সেটাই দেখাচ্ছে। তথাকথিত তারকা, মহাতারকারা বিদায় নিয়েেছ। নেই মেসি। নেই রোনাল্ডো, নেইমারও। পাশাপাশি ন্যুয়ের, ডিগিয়া, নাভাসের মতো ‘স্টার’ কিপাররাও বিদায় নিয়েছে। আলোচনায় এই মুহূর্তে পিকফোর্ড, সুবাসিচ, কুর্তোয়ার মতো গোলকিপাররা। এদের গায়েই এখন তারকার আলো পড়েছে। বিশ্বকাপ মানেই ফরোয়ার্ড, মিডফিল্ডার নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। এবারের বিশ্বকাপে গোলকিপারদের নিয়ে চায়ের কাপে, পাড়ার মোড়ের আড্ডার ঠেকে তুফান উঠছে। এটা দেখে খুব

ভাল লাগছে। এবার আসা যাক আজকের ম্যাচের, অর্থাৎ দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পিকফোর্ড বনাম সুবাসিচকে নিয়ে আলোচনায়। দু’জনের তুল্যমূল্য বিচার করলে ইংল্যান্ডের কিপার পিকফোর্ডের কৃতিত্ব বেশি। তবে, সুবাসিচও ধারাবাহিক পারফর্ম করছে। পিকফোর্ডকে এগিয়ে রাখার কারণ, জুনিয়র ছেলে হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছে দারুণ। সুবাসিচের বয়স ৩৩। পিকফোর্ড তার থেকে ৯ বছরের ছোট। চলতি বিশ্বকাপে পিকফোর্ড পারফরমেন্স দেখিয়ে নিজেেক মেলে ধরার সুযোগটা পেয়েছে তুলনায় বেশি। এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকটা দারুণ সেভ করেছে। ক্রোয়েশিয়া টিমে মডরিচ, রাকিটিচের মতো যেমন তারকা রয়েছে, ইংল্যান্ড টিমেও রয়েছে হ্যারি কেন, ডেলে আলি–রা। কিন্তু, ‘স্টারডামের’ দিক থেকে বিচার করলে এদের যেন ছাপিয়ে যাচ্ছে পিকফোর্ড, সুবাসিচরা। কারণটা লেখার শুরুতেই বলেছি। ‘স্টারডামে’ পারফরমেন্সই মাপকাঠি হয়। অনেেকই দেখছি, ইংল্যান্ডকে এগিয়ে রাখছে। কিন্তু, আমার মতে, ম্যাচ জেতার পাল্লা ভারী ক্রোয়েশিয়ার দিকেই। হ্যাঁ, ক্রোয়েশিয়াকেই এগিয়ে রাখছি। তবে এটুকু বলতে পারি, ইংল্যান্ড যদি ফাইনালে যায় সেটা পিকফোর্ডের জন্যই যাবে। সুইডেনের বিরুদ্ধে যেরকম দুরন্ত ফর্মে থেকে দলকে সেমিতে তুলছে, আজও পিকফোর্ডের কাছ থেকে সেরকমই দুরন্ত একটা পারফরমেন্স যদি দেখতে পাই, অবাক হওয়ার কিছু নেই। পিকফোর্ড অসাধারণ ফর্মে রয়েছে। ইংল্যান্ডকে ফাইনালে যদি কেউ তুলতে পারে, সে হল পিকফোর্ডই। প্রতিটা ম্যাচে ইংল্যান্ডের হয়ে ২–৩টি দুরন্ত সেভ করেছে। তারওপর ৫২ বছর পর কাপ জেতার হাতাছানি ইংল্যান্ড শিবিরে। প্রত্যাশার চাপ তো থাকবেই দলের ওপর। েসই প্রভাব পড়বে পিকফোর্ডের ওপরও। এই দিক থেকে, সুবািসচের ওপর এরকম কোনও চাপ থাকবে না। হালকা মনে খেলতে নামবে। তার ওপর সুবাসিচের দলের মোবিলিটি অনেক বেশি। আজকের ম্যাচে পিকফোর্ড যতটা না ব্যস্ত থাকবে, সুবাসিচ তার তুলনায় কম ব্যস্ত থাকবে। আজ দুই কিপারকে বেশ কয়েকটা জিনিস মাথায় রেখে খেলতে নামতে হবে। পিকফোর্ডকে নজরে রাখতে হবে রাকিটিচ, মডরিচ ও মান্দুকিচকে। মডরিচের লং শটগুলোতে সতর্ক থাকতে হবে। রাকিটিচ কাট করে বক্সে ঢুকে এসে রাখা শটে নজর দিতে হবে। নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, গোলকিপারদের সাধারণত লং বলের শট প্র্যাকটিস কম হয়। প্র্যাকটিস বেশি হয় টপ বক্সের মাথা থেকে মারা শটের। তার ফলে লং রেঞ্জের শটে কিপারদের আই–সেট কম থাকে, টপ বক্সের মাথা নেওয়া শটে আই–সেট ভাল থাকে। তাই, লং রেঞ্জের শটে গোলকিপাররা অনেকসময় বিশ্রী গোল হজম করে থাকে। তার কারণ এটাই। অন্যদিকে, সুবাসিচকে নজরে রাখতে হবে হ্যারি কেন, ডেলে আলি ও রহিম স্টার্লিংকে। পেনাল্টি বক্সের মধ্যে থেকে হ্যারি কেন মারাত্মক পাওয়ারফুল শট নেয়। সেটা মাথায় রাখা জরুরি। স্টার্লিং কাট করে পেনাল্টি বক্সের দিকে ঢুকে এসে শট নেয়। সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে সুবাসিচকে। লং রেঞ্জে ডেলে আলি ভাল শট মারে। সুবাসিচ গত ম্যাচে চোট নিয়ে যা খেলেছে, তার প্রশংসা করতেই হয়। ওর মধ্যে একটা লড়াকু মানসিকতা রয়েছে। অন্যদিকে, পিকফোর্ডের যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভাল লাগে, তা হল, আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলে। যার ফলে অনেক কঠিন শটও অনায়াসে সেভ করে দেয়। কেন জানি না মন বলছে, আজকের ম্যাচে ফের হয়তো দু’দলের গোলকিপারই ফ্যাক্টর হতে যাচ্ছে।
 
 






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply