উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ,সিরাজগঞ্জ, জামালপুর ও দিনাজপুরে বিভিন্ন এলাকায় নতুন নতুন চরাঞ্চল ওবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে হাজারো পরিবার।
তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়ায়, সুন্দরগঞ্জের তিস্তার চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া উপজেলার তালুক বেলকা, নবাবগঞ্জ, বেকরির চর, হরিপুর, চরচরিতাবাড়ি, উজান বোচাগাড়ি, লালচামার, বাবু বাজার, কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
মুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে আরো ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে। কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালি, শাহজাদপুর এবং সদর উপজেলার ২০টি ইউনিয়নের আরো নতুন নতুন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
গত ২৪ ঘন্টায় জামালপুরে যমুনার পানি ৪০ সেন্টিমিটার বেড়েছে। গত দু’দিনে যমুনার পানি বেড়ে ভাঙ্গণে ইসলামপুরের চিনাডুলি, বলিয়াদহসহ বিভিন্ন গ্রামের ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিনাজপুরে পূণর্ভবা, আত্রাই, ঢেপা, করতোয়াসহ সব কটি নদীর পানি ২ থেকে ৩ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
লালমনিরহাটে তিস্তা ও ধরলার পানি বিপদসীমার নিচে প্রবাহিত হলেও ভাটি এলাকাগুলোতে এখনো পানিবন্দী রয়েছে কয়েক হাজার মানুষ।

No comments: