sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » 'এনজিওকর্মীরা মানবতার নামে আলিসান জীবন-যাপন করছে'






রোহিঙ্গাদের তদারকিতে নিয়োজিত এনজিওগুলোর ইচ্ছামত ব্যয় নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার পর অবশেষে এর লাগাম টানতে যাচ্ছে প্রশাসন। এখন থেকে এনজিও ব্যুরোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও তাদের খরচের বিষয়টি তদারকি করবে। তবে এতোদিন রোহিঙ্গাদের বরাদ্দের নামে এনজিওদের মাত্রাতিরিক্ত খরচের সুযোগ করে দেয়ার জন্য প্রশাসনকে দুষলেন সুশীল সমাজ। অপরদিকে মানবিক সহায়তার নামে এনজিও সংস্থাগুলোর কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।


 মিয়ানমারের রাখাইনে সেনা বাহিনীর নির্যাতনের মুখে ২০১৭ সালের ২৫শের আগস্টের পর মাত্র এক বছরে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে আশ্রয় নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহায়তার হাত বাড়ায় বিদেশী রাষ্ট্র, জাতিসংঘসহ আন্তজার্তিক এনজিও।

কিন্তু সহায়তার নামে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বিদেশি এনজিওগুলোর বরাদ্দের চার ভাগের তিন ভাগই বাংলাদেশে আসা তাদের কর্মীদের জন্য ব্যয় করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু গত ৫ মাসেই এনজিওগুলোর কর্মকর্তাদের হোটেল বিল বাবদ ১৫০ কোটি ও ফ্ল্যাট ভাড়ায় ৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে বুধবার (১৩ মার্চ) জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার নামে এনজিওগুলোন এমন কর্মকান্ডে চরম ক্ষুব্ধ স্থানীয়রাও।

একজন বলেন, মানবতার কথা বলে এনজিওকর্মীরা এখানে আলিসান জীবন-যাপন করছে।

আরেকজন বলেন, রোহিঙ্গাদের যে বরাদ্দ তার ৭৫ শতাংশই তাদের জীবন-যাপনের জন্য ব্যয় হয়।

প্রশাসনের যথাযথ তদারকির অভাবেই এতোদিন রোহিঙ্গাদের বরাদ্দের নামে এনজিওগুলোর কর্মকর্তারা নিয়ন্ত্রণহীন ব্যয় করেছেন বলে মনে করছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।


 

তবে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, এখন থেকে এনজিও ব্যুরোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনও বিদেশি এনজিওগুলোর খরচের বিষয়টি তদারকি করবে। তিনি বলেন, যতগুলো এনজিও রোহিঙ্গা নিয়ে কাজ করছে তারা সবাই আমাদের মনিটরিং-এর আওতায় আছে। মানবতামূলক কাজে কোন রকমের দুর্নীতি মেনে নেয়া হবে না।

এদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বিদেশি এনজিওগুলোর বরাদ্দের চার ভাগের তিন ভাগই বাংলাদেশে আসা তাদের কর্মীদের জন্য ব্যয় করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে এনজিওদের সমন্বয় সংস্থা আইএসসিজি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে কক্সবাজারের কর্মরত রয়েছেন দু'শর বেশি বিদেশি এনজিওর অন্তত ১৩শ কর্মকর্তা। যারা তারকামানের ১০টি হোটেলের পাশাপাশি স্থানীয় হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও বাসা ভাড়া নিয়ে থাকছেন।







«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply