Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » সব পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করতে যাচ্ছে জার্মান




জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিপর্যয়ের পর জার্মানির পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে ব্যাপক শঙ্কা থেকেই পর্যায়ক্রমে সব পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে দেশটিতে সচল রয়েছে সাতটি কেন্দ্র আর এগুলো ২০২২ সালের মধ্যে বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছে জার্মান সরকার। তবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংসের পর সেগুলোর উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় বর্জ্য কোথায় রাখা হবে, তা নিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছে দেশটি। এ রকম স্থানও খুঁজে পাচ্ছে না তারা। এ বর্জ্য রাখার ‘স্থায়ী ভাগাড়’ খুঁজে বের করতে জার্মান সরকারের হাতে সময় আছে ২০৩১ সাল পর্যন্ত। উপযুক্ত স্থান খুঁজে বের করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটির সদস্য জার্মানির টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অব মিউনিখের পরিবেশ ও জলবায়ু নীতির চেয়ারপারসন মিরান্ডা শ্রয়াস। তিনি বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ধ্বংসের ফলে ২৮ হাজার কিউবিক মিটারের বেশি বর্জ্য তৈরি হবে যা যুক্তরাজ্যের লন্ডনের বিগ বেন ক্লক টাওয়ারের মতো ছয়টি স্থাপনার সমান। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর এ বিপুল বর্জ্য কোথায় নিরাপদে ব্যবস্থাপনা করা হবে, তা নিয়ে বড় সমস্যায় পড়েছে জার্মানি। জার্মানির অর্থনীতি ও জ্বালানিবিষয়ক মন্ত্রণালয় বলেছে, উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় বর্জ্য পুঁতে রাখার জন্য উপযুক্ত স্থান খুঁজে বের করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। কিন্তু এমন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে সচল থাকা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় বর্জ্যগুলো পাশেই তৈরি করা সাময়িক স্থাপনাগুলোয় সংগ্রহ করা হয়। এই বিষয়ে মিরান্ডা শ্রয়াস বলেন, ‘আপনি যদি পারমাণবিক চুল্লির জ্বালানি পরিবহন রডের সঙ্গে থাকা একটি ক্যানিস্টার খোলেন, তাহলে আপনি সঙ্গে সঙ্গে, না হয়ে একটু পরেই মারা পড়বেন। কারণ, রডগুলো খুবই গরম থাকে। তাই এগুলো আগে ঠাণ্ডা করতে হবে। রডগুলো ঠাণ্ডা করতে দশকের পর দশক সময় লেগে যেতে পারে। শ্রয়াস বলেন, রডগুলো ঠাণ্ডা বা শীতল করার জন্য জার্মানিতে কিছু অস্থায়ী জায়গা খুঁজে পাওয়া গেছে। সেগুলো স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য নতুন জায়গা খোঁজা হচ্ছে। বর্জ্যগুলো যাতে লাখ লাখ বছর নিরাপদে রাখা যায়, সেজন্য কমপক্ষে এক কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ বর্জ্যভাণ্ডার গড়ে তুলতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ রকম ভাণ্ডার গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন ভৌগোলিকভাবে খুবই স্থিতিশীল স্থান। সেখানে কোনো ভূমিকম্প হবে না। জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা থাকবে না। ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে, এমন স্থানও নির্বাচন করা যাবে না। ২০১১ সালে জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply