Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ‘ওঁরা বুদ্ধিজীবী নয়, আল্লাহজীবী’, রাজ্যে অশান্তি নিয়ে বিদ্বজ্জনদের তোপ রাহুলের




নাগরিকত্ব আইন ঘিরে রাজ্যে বিশৃঙ্খলার জেরে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার বার্তা দিয়েছে বাংলার বুদ্ধিজীবীমহল। এবার বিদ্বজ্জনদের উপর খড়গহস্ত হলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদকের তোপ, ‘ওরা বুদ্ধিজীবী নয়, আল্লাহজীবী। তৃণমূলের পয়সা খাওয়া বুদ্ধিজীবীরা কী বলছে তার গুরুত্ব কী?’ নাগরিকত্ব (সংশোধিত) আইনের প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে বাংলার জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ-অবরোধ। শনিবার লালগোলা-কৃষ্ণপুর স্টেশনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি ট্রেন। কোনা এক্সপ্রেসওয়েতে পরপর ১৫টি বাসে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা। শনিবার বিকেলে প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্যের মানুষকে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন-প্রতিবাদ করার বার্তা দেন আবুল বাশার, জয় গোস্বামী, শুভপ্রসন্ন, সুবোধ সরকারের মতো বিদ্বজ্জনরা। তাঁদের একহাত নিয়ে রাহুল সিনহার তোপ, ‘ওঁরা একপেশে বুদ্ধিজীবী, ওঁরা আসলে আল্লাহজীবী। এদের কেউ পাত্তা দেয় না। সিপিএম জমানায় সিপিএম, তৃণমূল জমানায় তৃণমূল, পরে বিজেপি আসলে বিজেপির পিছনে ঘুরঘুর করবে। এদের কথার আর কোনও মূল্য দেয় না বাংলার মানুষ।’

প্রসঙ্গত, রাজ্যের পরিস্থিতি এরকম চলতে থাকলে রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া অন্য পথ খোলা থাকবে না বলে শনিবার বলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে রাজ্যের জেলায় জেলায় বিক্ষোভের আগুন জ্বলছে। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতার মন্তব্য ছিল, ‘যে অশান্তির ঘটনা ঘটছে তাতে বিজেপির বসে বসে প্রচার হবে। অনুকূলে হাওয়া আসবে। কিন্তু এভাবে আমরা রাজনৈতিক ফায়দা চাই না।’ তিনি আরও বলেন, ‘যে ঘটনা ঘটছে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কড়া বিবৃতি দিন। মুখ্যমন্ত্রী এই আন্দোলন বন্ধ করার জন্য দেখামাত্র গুলির আদেশ দিন।’ উল্লেখ্য, শনিবারই বিবৃতি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “সকল রাজ্যবাসীর কাছে আমি আবার অনুরোধ করছি যে কোনওভাবেই কোনওরকম হিংসাত্মক কাজকর্মে লিপ্ত হবেন না এবং রাজ্যজুড়ে সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখুন। মনে রাখবেন থানা, রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, পোস্ট অফিস, সরকারি দপ্তর, পরিবহণ ব্যবস্থা জনগণের সম্পত্তি। সরকারি এবং বেসরকারি যে কোনও ধরনের সম্পত্তির কোনওরকম ক্ষতি হলে তা রাজ্য সরকার কোনওমতেই বরদাস্ত করবে না এবং আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। রাজ্য সরকার একদিকে যেমন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এবং এনআরসির বিরুদ্ধে। পাশাপাশি রাজ্য সরকার সমস্ত রকম দাঙ্গা-হাঙ্গামা এবং শান্তি নষ্ট করার যাবতীয় প্রচেষ্টারও ঘোর বিরোধী। আমরা নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এবং এনআরসির বিরুদ্ধে যাবতীয় বিরোধিতা করতে চাই কেবলমাত্র গণতান্ত্রিক এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে। কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে রাজ্যজুড়ে অশান্তির আবহ ও দাঙ্গা তৈরি করার চেষ্টা করছে।আমি সকলকে অনুরোধ করছি তাদের এই অসাধু উদ্দেশ্যে কর্ণপাত না করতে। সকল রাজ্যবাসীর কাছে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ যে সবাই শান্তি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখুন।”






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply