পার্বত্য শান্তিচুক্তির ২২ বছর হলো। কিন্তু চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পাহাড়ে এখনও শান্তি ফেরেনি। বরং বেড়েছে সংঘাত, অপহরণ-হত্যার মতো ঘটনা। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর দাবি, শান্তি নিশ্চিতে চুক্তির পরিপূর্ণ বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।
পাহাড়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত বন্ধে জনসংহতি সমিতির সঙ্গে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিচুক্তি করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। পরের বছর ১০ ফেব্রুয়ারি খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে সন্তু লারমার নেতৃত্বে আত্মসমর্পণ করেন জনসংহতি সমিতির নেতাকর্মীরা। অবসান হয় দুই দশকের লড়াইয়ের।
সংঘাতের সময় ভারতে আশ্রয় নেয় ৬৫ হাজার পাহাড়ি, বেদখল হয় তাদের ভূমি। শান্তিচুক্তির পর তাদের ভারত থেকে ফিরিয়ে আনা হলেও চুক্তি অনুযায়ী এখনো ভিটেমাটিতে ফিরতে পারেনি অনেকে। পায়নি সরকারি চাকরিও।
দীর্ঘ দিনেও ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি, পার্বত্য জেলা পরিষদ নির্বাচন না হওয়াসহ আরো কিছু দাবি নিয়ে অসন্তোষ কাটেনি। বরং পাহাড়ে নতুন করে বেড়েছে সংঘাত। গঠন হয়েছে নতুন নতুন দল ও বাহিনী। যারা জড়িয়ে পড়েছে অপহরণ ও খুনের মত ঘটনায়।
চুক্তি সম্পাদনকারী দল জেএসএস নেতাদের অভিযোগ, চুক্তি বাস্তবায়নে আন্তরিক নয় সরকার। তবে সরকারের প্রতিনিধিরা বলছেন, পাহাড়ের জনগণের অধিকার নিশ্চিতে কাজ চলছে।
পার্বত্য এলাকায় ১১টি জাতিসত্ত্বার পাশাপাশি সহবস্থানে আছে বাঙালিরাও। স্থানীয়রা বলছেন, চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
শান্তিচুক্তির ২২ বছরে পাহাড়ে বেড়েছে সংঘাত
Tag: others

No comments: