Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » করোনাযুদ্ধে জয়ী হয়ে ফিরলেন কনস্টেবল অরুন চাকমা




করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে ফিরলেন চট্টগ্রামের ট্রাফিক পুলিশ কনস্টেবল অরুন চাকমা। প্রথমবার পজেটিভ এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা শেষে পর পর দু’বার নেগেটিভ রিপোর্ট আসার পর রোববার (০৩ মে) দুপুরে তাকে বাসায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন চিকিৎসকরা। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল থেকে তাকে অব্যহতি দেয়া হয়। চট্টগ্রামে পুলিশের প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া ট্রাফিক কনস্টেল শাহেদ এবং জহিরুলেরও দ্বিতীয় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাদের তৃতীয় পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যদি তৃতীয় রিপোর্টও নেগেটিভ আসে, তাহলে দু’একদিনের মধ্যে তারাও হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন বলে আশা করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। আর হাসপাতাল থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর পরই এই কোভিড যোদ্ধাকে বরণ করে নিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের-ট্রাফিক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এমনকি মনোবল চাঙা রাখার জন্য খোদ সিএমপি কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুবর রহমানকে তার হাতে ফুল তুলে দিয়ে রোগ মুক্তির শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সিএমপি কমিশনার মাহবুবর রহমান জানান, পুলিশ হলো এই দুঃসময়ের মাঠের যোদ্ধা। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তারা আক্রান্ত হয়েছেন। তাই তাদের মনোবল ধরে রেখে আমরা জনগনকে কাঙ্ক্ষিত সেবাটি দিতে চায়। সে কারণে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। যাতে অসুস্থ অন্যরা তাদের মনোবল চাঙা রাখতে পারে। সিএমপি ট্রাফিক বিভাগ উত্তর জোনের উপ কমিশনার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, গত ৯ এপ্রিল নগরীর জি ই সি মোড়ে দায়িত্ব পালনের সময় কনস্টেবল শাহেদ এবং অরুন চাকমা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার পরদিনই পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মেডিকেল টিম তৈরি করে তাদের পরীক্ষা করে। ১০ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহের পর ১১ এপ্রিলের ফলাফলে কনস্টেবল শাহেদের রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশ কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ জানান, কনস্টেবল অরুন চাকমার মধ্যে করোনা ভাইরাসের তেমন উপসর্গ না থাকলেও তিনি আইসোলেশনে চলে যান। কিন্তু ১৯ এপ্রিলের পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চিকিৎসার জন্য তাকে’ও নিয়ে যাওয়া হয় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অরুন চাকমা সুস্থ হয়ে উঠেন। বর্তমানে জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ট্রাফিক বিভাগের ৮ সদস্যের মধ্যে ৭ জনই সুস্থ রয়েছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply