করোনামুক্তির পর রাজধানীর দুটি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ জন
। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের করতালি আর আগামী দিনের পরামর্শ নিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলেন তারা। সুস্থ হওয়ারা চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি জানালেও অনিয়মের অভিযোগ করলেন কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনেরা। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, শতভাগ সেবার মানসিকতা নিয়েই কাজ করছেন তারা।
দুপাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে রোগমুক্ত হওয়াদের অভিবাদন জানাচ্ছেন সেবা দেয়া যোদ্ধারা। তাদের সেবায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন করোনায় আক্রান্ত হওয়া এসব রোগী।
করোনা জয়ের আনন্দ তাদের কণ্ঠে। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফেরা একজন বলেন, আমি হাসপাতালে আসার সময় সবার থেকে বিদায় নিয়ে আসছি, মনে হয়েছিল পৃথিবীতে আর বোধ হয় থাকা হবে না।
আরেকজন বলেন, এখানের চিকিৎসক, নার্সরা খুবই সাপোর্টিভ ছিলেন।
একদিকে যখন সুস্থতার স্বস্তি, তখনই হাসপাতালের ছাদ থেকেই কয়েকজন অনিয়মের অভিযোগ করলেন। নেমে এসে শোনালেন দুর্দশার গল্প।
একজন বলেন, আমি ১১ দিন এখানে। আজ পর্যন্ত ১টা টেস্টও হয়নি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কর্তৃপক্ষের দাবি, সেবায় নেই কোনো গাফিলতি।
মুগদা জেনারেল হসপিটাল অধ্যক্ষ ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. শাহ গোলাম নবী তুহিন বলেন, সেবা দেয়া হচ্ছে না এটা কী হতে পারে? আমরাতো সেবার ব্রত নিয়েই কাজ করছি। তাহলে সেবা কেনো দেব না। যদি এই ২০ জনকে ভালো করতে পারি তাহলে অন্যদের প্রতিও আমাদের কোনো বিদ্বেষ নেই।
দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে শনিবার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ২৩ জন ও মুগদা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৯ জনসহ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন ৩২ জন।
আছে নানা সংকট, সীমাবদ্ধতা একইসাথে আছে যুদ্ধ জয়ের সফলতার গল্প। তবে সব অভিযোগ, সব প্রতিবন্ধকতাকে পেছনে ফেলে সবার সম্মিলিত চেষ্টায় জয় একদিন আসবেই।
No comments: