sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বনানীতে চিরনিন্দ্রায় শায়িত শাহজাহান সিরাজ




 
বনানীতে চিরনিন্দ্রায় শায়িত শাহজাহান সিরাজ

স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠকারী, বিএনপির নেতা ও সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজকে রাজধানীর বনানীর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।


আজ বুধবার এশার নামাজের পর রাজধানীর গুলশান সোসাইটি মসজিদে শাহজাহান সিরাজের তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বনানী কবরস্থানে। রাত পৌনে ১০টায় তাঁকে দাফন করা হয়।

শাহজাহান সিরাজের তৃতীয় জানাজায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সদস্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিএনপি নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, তাবিথ আউয়াল, আইনজীবী নেতা অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ অংশ নেন।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে (সাবেক এ্যাপোলো হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহজাহান সিরাজ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

আজ সকালে শাজাহান সিরাজের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর জন্মভূমি টাঙ্গাইলে। সেখানকার এলেঙ্গা ও কালিহাতীতে তাঁর দুটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁর মরদেহ ফের ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শাজাহান সিরাজ ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ  জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম আবদুল গণি মিয়া ও মা রাহিমা খাতুন। বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার বেতডোবায়। শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী রাজনীতির ‘চার খলিফা’র একজন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তৈরির পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ মহান স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন তৎকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ।

শাজাহান সিরাজ একজন তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে ষাটের দশকে বঙ্গের আলীগড় খ্যাত টাঙ্গাইলের করটিয়ার সরকারি সা’দত কলেজের ছাত্র সংসদে দুবার ভিপি নির্বাচিত হন।

পরে দক্ষ, জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ শাজাহান সিরাজ জাসদ ও বিএনপির প্রার্থী হয়ে ১৯৭৯, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে পাঁচবার টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপি সরকারের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী, বন ও পরিবেশ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

স্বাধীনতার পর শাজাহান সিরাজ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরে তিনি জাসদ থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান হন। ১/১১ সময়ে দুর্নীতির দায়ে শাজাহান সিরাজের জেল হয়। তিনি কালিহাতী উপজেলা সদরে কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজসহ একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে রাজিব সিরাজ শুভ ও এক মেয়ে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply