sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সাহেদের এনআইডি ব্লক করা হয়েছে: ইসি সচিব




 সাহেদের এনআইডি ব্লক করা হয়েছে: ইসি সচিব
 
জালিয়াতি করে নাম পরিবর্তনের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সায়েদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইড) ব্লক করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (২০ জুলাই) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশনের সভা শেষে সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর এ তথ্য জানান।

ইসি সচিব বলেন, ‘সাহেদের এনআইডি কার্ড ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।’ 

সাহেদের নাম পরিবর্তনের সঙ্গে কমিশনের যেসব কর্মকর্তা জড়িত তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ঘোষণা দিয়ে ইসি সচিব মো. আলমগীর আরও বলেন, ‘সাহেদের নাম পরিবর্তনের জালিয়াতির সঙ্গে ইসির কারা জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রমাণ সাপেক্ষে সাহেদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে করোনার  ভুয়া সার্টিফিকেট দেওয়াসহ নানা অভিযোগে গ্রেফতার রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ তার জাতীয় পরিচয় পত্রে থাকা ‘সাহেদ করিম’ নাম পরিবর্তন করে ‘মো. সাহেদ’ ধারণ করেন। জালিয়াতির মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করার বিষয়টি জানিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসএসসি পাস সাহেদ জাতীয় পরিচয়পত্রে সাহেদ করিম নাম পরিবর্তন করে মো. সাহেদ হতে  নির্বাচন কমিশনে ‘ও’ লেভেলের সনদ জমা দিয়েছেন। ওই শিক্ষাগত সনদের সত্যতা খতিয়ে দেখা হবে।

ইসি সচিব জানান, এনআইডি মহাপরিচালকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সাহেদ বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সনদ দিয়ে নাম পরিবর্তন করেছেন।

তিনি বলেন,  ‘আমরা ব্রিটিশ কাউন্সিলের মাধ্যমে কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে দেখবো,   প্রকৃত ঘটনা কী। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার সংশোধিত এনআইডি বাতিল করা হবে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। আমরা ইতোমধ্যে এ ধরনের ঘটনায় অনেকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি। অনেকে শাস্তিও পেয়েছেন।’

সচিব বলেন, ‘সাহেদ প্রথমে যখন এনআইডি করেছিলেন,  সেখানে তার নাম ছিল সাহেদ করিম। পরবর্তীকালে তিনি এটি সংশোধন  করে মো. সাহেদ হয়ে যান। প্রথমে তার জন্ম সাল ছিল ২ জুলাই ১৯৭৫। পরবর্তীকালে তিনি সেটা ৭৮ করে নেন। আবার এর স্বপক্ষে তিনি ও লেভেলের কাগজপত্র দাখিল করেন।’

প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এই সময় পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর থেকে সাহেদ পলাতক ছিল। পরে ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। 






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply