sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ভারমন্ট রাজ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আনুষ্ঠানিক ভোট শুরু




যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ভারমন্টে স্থানীয় সময় ভোর পাঁচটায় ভোট গ্রহণের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তবে এর আগে মধ্যরাতে নিউ হ্যাম্পশায়ারের ছোট্ট শহর ডিক্সভিলে নচেতে ভোট নেয়া হয়। সেখানে মাত্র পাঁচজন ভোটার। যার সবগুলোই পান ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন জানা যায়, ডিক্সভিল নচ ১২ জন বাসিন্দার একটি ছোট্ট শহর। মঙ্গলবার রাত ১২টা ১৫ মিনিটের মধ্যেই কেন্দ্রের ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হয়। ঐতিহ্য অনুযায়ী সেখানে প্রথমেই ভোট শেষ হয়ে যায়। বিজ্ঞাপন ভোর ৫টায় ভোট শুরু হওয়া ভারমন্টে ১৯৯২ সাল থেকে সব সময় ডেমোক্র্যাটরা জিতে এসেছেন। সাধারণত সেখানকার প্রতিটি কাউন্টিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরাই জয়ী হন। তবে ব্যতিক্রম ছিলো ২০১৬ সালে। সে বছর একটি কাউন্টিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প জিতেছিলেন। এবার ভারমন্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি গভর্নর নির্বাচনের জন্যও ভোট হচ্ছে। বর্তমান গভর্নর রিপাবলিকান দলের ফিল স্কট। তিনি রাজ্যে বেশ জনপ্রিয়। যদিও তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের একজন ঘোর সমালোচক। ফিল স্কটের প্রতিদ্বন্দ্বীডেমোক্র্যাট দলের লেঃ গভর্নর ডেভিড জাকারম্যান। তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন চেয়ে ব্যর্থ হওয়া বার্নি স্যান্ডার্সের সমর্থক ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা নির্ধারণ করবে আগামী চার বছর হোয়াইট হাউজে কে থাকবেন- ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেন নাকি ফের ডোনাল্ড ট্রাম্প। যিনি রিপাবলিকান দলের প্রার্থী। যদিও নির্বাচন পূর্ব জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন ডো বাইডেন। ট্রাম্পের চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন তিনি। জরিপে ৫২ শতাংশই বাইডেনকে চায়। শুধু জনগণের ভোটেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়া যায় না। দেখতে হবে ইলেকটোরাল কলেজ ভোট কে পাচ্ছেন সেটি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৫৩৮ টি ইলেকোটারাল ভোট রয়েছে। এর মধ্য থেকে যে প্রার্থী ২৭০টি ভোট পাবেন, তিনি হবেন পরবর্তী চার বছরের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নির্বাচনে ৯ কোটি ৯০ লাখ ভোটার এরই মধ্যে তাদের ভোট দিয়েছেন ডাকযোগে বা সশরীরে আগাম ভোটের মাধ্যমে। ২০১৬ সালে যত মানুষ আগাম ভোট দিয়েছিলেন, তার চেয়ে এবারে আগাম ভোট দেয়া মানুষের সংখ্যা অনেক অনেক বেশি। নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এবার যে হারে আগাম ভোট পড়েছে, তাতে ভোট দানের হার খুবই বেশি হবে, এক্ষেত্রে নতুন রেকর্ডও সৃষ্টি হতে পারে। আগাম ভোট এত বেশি পড়ার অন্যতম কারণ করোনাভাইরাস মহামারি। অনেকে সশরীরে ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার ব্যাপারটি এড়াতে চেয়েছেন করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকার হতে পারেন এমন আশংকায়। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সময়ের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দানের হার ছিল গড়ে ৬০ শতাংশের কাছাকাছি। ২০১৬ সালে ভোট পড়েছিল ৫৮ দশমিক ১ শতাংশ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply