sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশিট




এমসি কলেজে গণধর্ষণ: ৮ ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশিট সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি) ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণের দুই মাস ৮ দিনের মাথায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। ওই ঘটনায় গ্রেফতার আট ছাত্রলীগ কর্মীকে অভিযুক্ত করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বহুল আলোচিত এ গণধর্ষণ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগরের শাহপরাণ (রহ.) থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। এর আগেই বুধবার (২ ডিসেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের। আরো পড়ুন: এমসি কলেজে গণধর্ষণের আসামিদের ডিএনএ মিলেছে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এ ঘটনায় করা মামলায় আট আসামি ছাত্রলীগের সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, মাইফুজুর রহমান মাসুম, রাজন ও আইনুল কারাগারে রয়েছে। এর আগে ২৯ নভেম্বর দুই মাস পর আসামিদের ডিএনএ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। তাতে ধর্ষণের সংশ্লিষ্টতা মিলেছে বলে জানানো হয়। গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ৮টার দিকে সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসের ভেতরে একটি রাস্তায় প্রাইভেটকারের মধ্যেই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ ঘটনায় ৬ জনকে আসামি করে ওইদিন রাতেই মহানগর পুলিশের শাহপরাণ (রহ.) থানায় নির্যাতিতা নারীর স্বামী বাদী হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় আরও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। পুলিশ ও র‌্যাব ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে এজাহারভুক্ত ছয় আসামিসহ আটজনকে গ্রেফতার করে। ১ ও ৩ অক্টোবর আট আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। ডিএনএর পরীক্ষার প্রতিবেদন গত রোববার তদন্তকারী কর্মকর্তার হাতে পৌঁছায়। আরো পড়ুন: এমসি কলেজে ধর্ষণ: স্বামীর গাড়িতেই ঘটনা, ছাত্রাবাসে নয় পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, মামলার আসামিদের ডিএনএ টেস্টের প্রতিবেদন না পাওয়ায় অভিযোগপত্র দাখিলে বিলম্ব হচ্ছে। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসি সেন্টারের ডিএনএ ল্যাবে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তীতে এ প্রতিবেদন তদন্ত কর্মকর্তার হাতে এসে পৌঁছে রোববার (২৯ নভেম্বর)। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে র‌্যাব ও রেঞ্জ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৬ জনসহ মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করে। পরে তাদের ৫ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ। রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হলে তারা সবাই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে তারা জেলহাজতে রয়েছেন। তারা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, হাইকোর্টের নিদের্শে গঠিত তদন্ত কমিটি সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের হলরুমে গত ৪ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত এ ঘটনায় গণশুনানি হয়। পরে কমিটির সদস্যরা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের গণধর্ষণের ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনসহ সাক্ষীদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে গত ১৬ অক্টোবর ১৭৬ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্ট বেঞ্চে জমা দেওয়া হয়েছে। যার শুনানি হয় ২০ অক্টোবর। এদিন শুনানি শেষে প্রতিবেদনটি গ্রহণ করেন হাইকোর্ট বেঞ্চ। এদিকে গণধর্ষণের এ ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে ২৬ অক্টোবর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

এ ছাড়া গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চার আসামির ছাত্রত্ব এবং সনদ বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে এমসি কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন: সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাসুম ও রবিউল হাসান। এর আগে ঘটনার কয়েক দিন পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণধর্ষণের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি এমসি কলেজে তদন্ত করতে আসে। তদন্ত শেষে তারা তাদের প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছেন। দীর্ঘ ১২৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মুরারিচাঁদ কলেজ (এমসি) কলঙ্কিত করেছে তারা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply