sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কালোমাথা কাস্তেচরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Threskiornis melanocephalus)[43]




মহসিন আলী আঙ্গুর//

কালোমাথা কাস্তেচরা Black-headed Ibis (Threskiornis melanocephalus) W IMG 1435.jpg কালোমাথা কাস্তেচরা, হায়দ্রাবাদ, ভারত সংরক্ষণ অবস্থা প্রায়-বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১) বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Pelecaniformes পরিবার: Threskiornithidae গণ: Threskiornis প্রজাতি: T. melanocephalus দ্বিপদী নাম Threskiornis melanocephalus (Latham, 1790) প্রতিশব্দ Tantalus melanocephalus কালোমাথা কাস্তেচরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Threskiornis melanocephalus) (ইংরেজি: Black-headed Ibis), সাদা দোচরা, কাচিচোরা বা শুধু কাস্তেচরা Threskiornithidae (থ্রেসকিওর্নিথিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Threskiornis (থ্রেসকিওর্নিস) গণের এক প্রজাতির বড় জলচর পাখি।[১][২] কালোমাথা কাস্তেচরার বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ কৃষ্ণমস্তক পবিত্রপক্ষী (গ্রিক: threskos = ধার্মিক, ornis = পাখি, melos = কালো, -kephalos = মস্তকের)।[২] সারা পৃথিবীতে প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জায়গা জুড়ে এদের আবাস।[৩] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে কমে যাচ্ছে। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে প্রায়-বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।[৪] বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[২] সমগ্র বিশ্বে দশ হাজার থেকে বিশ হাজারটি কালোমাথা কাস্তেচরা জীবিত রয়েছে।[৩] পরিচ্ছেদসমূহ ১ বিস্তৃতি ২ বিবরণ ৩ স্বভাব ৩.১ প্রজনন ৪ তথ্যসূত্র ৫ বহিঃসংযোগ বিস্তৃতি সমগ্র এশিয়া জুড়ে একসময় কালোমাথা কাস্তেচরার অবাধ বিচরণ ছিল। ফিলিপাইন, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, জাপান ও হংকঙে পাখিটি শীতকালীন পরিযায়ী হয়ে আসে। লাওসে পাখিটি মাত্র একবার দেখা গেছে। রাশিয়া ও চীনের কোথাও কোথাও হয়তো এরা এখনও প্রজনন করে। তবে চীনের পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূলে (সিচুয়ান ও ইউনান প্রদেশ) এরা পরিযায়ী হয়ে আসে। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও নেপালে এরা আবাসিক, কিন্তু সংখ্যায় খুব কম। ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে এদের সচরাচর দেখা যায়, পূর্বাঞ্চলে কম দেখা গেলেও সম্ভবত মনুষ্যনির্মীত জলাভূমি সৃষ্টির কারণে এখন সন্তোষজনক পর্যায়ে দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় এদের সচরাচর দেখা মেলে। দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলেও এরা বেশ সুলভ। [৪] বিবরণ






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply