sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » পাতালে দেবতার সঙ্গে কথা বলতে মমির মুখে সোনার জিভ!




পাতালে দেবতার সঙ্গে কথা বলতে মমির মুখে সোনার জিভ!

গত কয়েক বছর ধরে মিশরের উত্তরাঞ্চলীয় আলেক্সান্ড্রিয়ার শহরের কাছে তাপোসাইরিস ম্যাগনা মন্দির এলাকার আশপাশে চলছিল খনন কাজ। উদ্দেশ্য টলেমিক মিশরের সর্বশেষ সক্রিয় ফারাও রাণী ক্লিওপেট্রার সমাধি সন্ধান করা। এ খনন কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে আবিষ্কৃত হয়েছে বহু সমাধি। এসব সমাধি বিভিন্ন সময়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সংবাদের শিরোনাম হয়েছে তার বিশেষ কোনো না কোনো বৈশিষ্ট্যের কারণে। এমনই ১৬টি সমাধির সন্ধান পেয়েছে মিশরের প্রত্নতত্ত্ব কর্তৃপক্ষ। পাথরের এসব সমাধির ভেতরে পাওয়া মমিগুলোও প্রায় ২ হাজার বছরের পুরানো-এমনই মনে করছে প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। তবে এসব সমাধিতে পাওয়া মমিগুলোর মধ্যে একটি মমি তৈরি করেছে নতুন রহস্যের। যেখানে দেখা গেছে মমির মুখের ভেতরে বসানো রয়েছে একটি সোনার জিভ। বিভিন্ন সময়ে আবিষ্কৃত মমিগুলোর বৈশিষ্ট্য প্রকৃতি দেখে তা বিশ্লেষণ করে মতামত দেয়াটা যত না কঠিন তার চেয়েও এই মমি বিশ্লেষণ করা। প্রত্নবিদদের ধারণা, এ মৃত মানুষটি যাতে পাতালে গিয়ে মৃতলোকের দেবতা আসিরিসের সঙ্গে কথা বলতে পারে, সেই জন্যই তাকে দেওয়া হয়েছিল সোনার জিভ। যখন এ মৃতদেহটিকে মমিফায়েড করা হয়েছিল, তখন এই জিভ বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এ সোনার জিভ যুক্ত মমিটির কঙ্কাল এবং করোটির বেশির ভাগটাই অটুট আছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। ওই অঞ্চলে ইউনিভার্সিটি অফ সান্তো ডমিনগো এবং তার তরফে অধ্যাপক ক্যাথলিন মার্টিনেজের তত্ত্বাবধানে এই খননকার্য থেকে ১৬টি পাথরের কবর খুঁজে পাওয়া গেছে। আর তার মধ্যেই একটি মমির মুখের ভিতরে কিছু একটা চকচক করতে দেখে অবাক হয়ে যান গবেষকরা। পরে দেখা যায় যে ওটা আসলে একটা সোনার জিভ। এই সোনার জিভটি নিয়ে আপাতত নানা জল্পনা চলছে প্রত্নমহলে। সঠিক কারণটি নিশ্চিত করে বলা যদিও সম্ভব নয়। পাশাপাশি তারা জানিয়েছেন যে, আবিষ্কৃত অন্য মমিগুলো এতটা ভালো দশায় না থাকলেও এদের সবগুলোর পাথরের মুখাবরণ ঠিক আছে। ফলে জীবদ্দশায় কে কেমন দেখতে ছিল, তা বোঝা যাচ্ছে স্পষ্ট। এই সোনার জিভ ছাড়াও একটি মমির মাথায় সাপ খোদাই করা সোনার মুকুট মিলেছে। এছাড়াও মিলেছে বুক-জোড়া সোনার হার, যেখানে বাজপাখি খোদাই করা রয়েছে। ক্লিওপেট্রার প্রতিকৃতি শোভিত স্বর্ণমুদ্রাও পাওয়া গেছে এখান থেকে। যা থেকে অনুমান করা হয় যে, ক্লিওপেট্রার সমকালীন ব্যক্তিদেরও এখানে কবর দেয়া হত। সূত্র: ডয়েচে ভেলে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply