sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় ডেরেক চাউভিন দোষী সাব্যস্ত




যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েড হত্যার ঘটনায় সব অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাউভিন। ছবি : সংগৃহীত যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি জর্জ ফ্লয়েড হত্যার ঘটনায় সব অভিযোগেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাউভিন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ হলো—সেকেন্ড ডিগ্রি অনিচ্ছাকৃত হত্যা, থার্ড ডিগ্রি হত্যা ও সেকেন্ড ডিগ্রি নরহত্যা। সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও বিবিসির প্রতিবেদনে আজ বৃহস্পতিবার এ খবর জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সেকেন্ড ডিগ্রি অনিচ্ছাকৃত হত্যার জন্য সর্বাধিক ৪০ বছর, থার্ড ডিগ্রি হত্যার জন্য সর্বাধিক ২৫ বছর ও সেকেন্ড ডিগ্রি নরহত্যার জন্য সর্বাধিক ১০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ হতে পারে চাউভিনের। শাস্তি দেওয়ার আগ পর্যন্ত চাউভিন কারাগারে থাকবেন। আদালত জানিয়েছেন, পরবর্তী আট সপ্তাহের মধ্যে চাউভিনের কারাদণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হবে। অন্যদিকে, মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, চাউভিন এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে গত সোমবার উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শোনার পর বিচারকদের একটি হোটেলে আইসোলেটেড করে রাখা হয়, যেন বিচারের জন্য বাইরের কোনো প্রভাব না পড়ে। এদিকে, চাউভিনকে দোষী সাব্যস্ত করার পরই আদালতের বাইরে জর্জ ফ্লয়েডের পক্ষে আন্দোলনকারীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। এ ছাড়াও জর্জ ফ্লয়েডের পরিবার সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। ফ্লয়েডের পরিবারের আইনজীবী বেন ক্রাম্প মনে করেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া রায়। এদিকে, রায় ঘোষণার পরই ফ্লয়েডের পরিবারকে ফোন দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। বাইডেন বলেন, ‘অন্তত এখন কিছু ন্যায়বিচার হয়েছে।’ বাইডেন আরও বলেন, ‘আমরা আরও অনেক কিছু করতে যাচ্ছি। পদ্ধতিগত বর্ণবাদ মোকাবিলায় এটি প্রথম পদক্ষেপ।’ গত বছরের ২৫ মে মিনিয়াপোলিসে পুলিশ কর্মকর্তাদের হাতে ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মিনিয়াপোলিসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি শহরে পুলিশি সহিংসতা ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। সূচনা হয় ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ নামের আন্দোলনের। নতুন প্রকাশ পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রেপ্তার হওয়ার পর জর্জ ফ্লয়েড পুলিশ কর্মকর্তাদের অনুনয় করছেন, ‘আমি খারাপ লোক নই।’ ভিডিওতে আরও দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাউভিন ফ্লয়েডের ঘাড় টানা ৯ মিনিটের বেশি সময় হাঁটু দিয়ে চেপে ধরে আছেন। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা টমাস লেন, জে আলেকজান্ডার কুয়েং ও টো থাওয়ের বডি ক্যামেরা থেকে ধারণ হওয়া ফুটেজ আদালতে দেখানো হয়। নির্যাতনের সময় অভিযুক্ত চাউভিনের বডি ক্যামেরা পড়ে যাওয়ায় ওই ক্যামেরা থেকে ঘটনাটি দেখা যায়নি। ফ্লয়েডের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি ২০ ডলারের একটি জালনোট ব্যবহার করেছিলেন। তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গাড়িতে নেওয়ার আগে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, হাতকড়া পরাতে বাধা দিচ্ছিলেন তিনি। এ ঘটনায় নিরস্ত্র ফ্লয়েডের ঘাড়ের ওপর হাঁটু রাখা ৪৪ বছর বয়সী পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চাউভিনসহ চারজন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। সেই সঙ্গে ফ্লয়েডকে হত্যার অভিযোগে চাউভিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply