sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » চুয়াডাঙ্গায় করোনায় শনাক্তের হার শতভাগ




চুয়াডাঙ্গায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ৪১ জনের নমুনা পরীক্ষায় সবার শরীরেই পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ শনাক্তের হার শতভাগ। শনাক্তের এই হার দেশের অন্য সব অঞ্চলের মধ্যে রেকর্ড। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘন্টায় ৪১ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪১ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ১০০ দশমিক ০০ শতাংশ। গতকাল বুধবার শনাক্তের হার ছিলো ৯৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই হার মঙ্গলবার ছিলো ৬৫ দশমিক ৬০ শতাংশ। অবশ্য এই ৪১ জনের নমুনা স্থানীয়ভাবে র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। বুধবার (২৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান। তিনি জানান, বুধবার রাতে চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে ৪১টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসে। সবগুলোর ফলাফলই করোনা পজিটিভ। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৮৩৭ জনে। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৯ জন, দামুড়হুদা উপজেলার ১ জন, আলমডাঙ্গার ৭ জন এবং জীবননগরের ১৪ জন রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় মারা গেছেন ২ জন। এর মধ্যে একজন সদর ও অন্যজন জীবননগর উপজেলার বাসিন্দা। এ পর্যন্ত জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের। তাদের মধ্যে জেলার ৮১ জন ও জেলার বাইরে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯ জন। এ নিয়ে জেলায় মোট ২ হাজার ৪৯ জন সুস্থ হলেন। বর্তমানে চুয়াডাঙ্গায় করোনা রোগী ৬৯৭ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলার ২৭২ জনের মধ্যে ২৩ জন আছেন হাসপাতালে। আর ২৪৯ জন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং একজনকে জেলার বাইরে রেফার্ড করা হয়েছে। আলমডাঙ্গা উপজেলার ৯৪ জনের মধ্যে ৮৩ জন বাড়িতে, ১০ জন হাসপাতালে এবং একজনকে রেফার্ড করা হয়েছে। এছাড়া দামুড়হুদা উপজেলার ২০৫ জনের মধ্যে বাড়িতে ১৮৪ জন, হাসপাতালে ১৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং রেফার্ড করা হয়েছে দুইজনকে। জীবননগর উপজেলার ১২৬ জনের মধ্যে ৯ জন হাসপাতালে এবং ১১৭ জন বাড়িতে আইসোলেশনে রয়েছেন। চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম মারুফ হাসান বলেন, সংক্রমণ বেড়েছে। তবে জেলায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক নার্স এবং পর্যাপ্ত ওষুধ রয়েছে। অক্সিজেনেরও কোনো সংকট নেই। এদিকে, সংক্রমণের হার উদ্বেগজনক হারে বেড়ে যাওয়ায় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকা, আলুকদিয়া ইউনিয়ন, দামুড়হুদা এবং জীবননগর উপজেলায় লকডাউন চলছে। কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন কিছুটা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও এরপর থেকে অনেকটা গাছাড়াভাবে চলছে মানুষ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply