Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » স্বামীর লাশ পুঁতে তার ওপর রান্না




স্বামী আরাফাত মোল্লাকে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে হত্যার পর রান্না ঘরে মাটির নিচে লাশ পুঁতিয়ে রেখে থানায় নিখোঁজ মামলা করেছেন তার স্ত্রী আকলিমা আক্তার। পুলিশের গোপন তদন্তের মাধ্যমে নিখোঁজের ২ মাস ১৪ দিন পর রান্না ঘরের মাটির নিচ থেকে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সন্দেহভাজন আকলিমা আক্তার ও রিয়াজ নামে আরেক জনকে। মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার পূর্ব শীলমন্দি এলাকা থেকে শুক্রবার (১৬ জুলাই) আরাফাতের লাশ উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পুলিশ। আরাফাত পূর্ব শীলমন্দি এলাকার দুখাই মোল্লার ছেলে। ২২ বছর আগে আকলিমার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এই দম্পতির চার সন্তান। বড় মেয়ের বিয়ে হয়েছে। ছোট এক মেয়ে ও দুই ছেলে বাড়িতেই থাকে। এদের মধ্যে দুইজন শিশু ও একজন কিশোর। মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ১৫ মে আরাফাতের নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আকলিমা। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২ মে আরাফাত আর বাড়ি ফেরেননি। নিখোঁজের ১৫ দিন পর আকলিমা ফের থানায় আরেকটি অভিযোগ করেন। সেখানে বলা হয়েছে, অজ্ঞাতপরিচয় মোবাইল নম্বর থেকে তার স্বামীর মেজো ভাইয়ের কাছে ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছে। তবে আরাফাতের কল লিস্ট ঘেঁটে পুলিশ দেখতে পায় নিখোঁজের (জিডি অনুসারে) দিন আরাফাতের ফোন বাসাতেই ছিল। তখন পুলিশ আকলিমাকে সন্দেহ করে। তাকে ফাঁদে ফেলতে একজনকে কাজে লাগায়। ওই ব্যক্তি আকলিমারই প্রতিবেশী। তদন্তের একপর্যায়ে শুক্রবার সকালে আকলিমার সঙ্গে ওই ব্যক্তির কথোপকথনের একটি ভিডিও রেকর্ড পুলিশের হাতে আসে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আরাফাতকে হত্যা করে রান্নাঘরে পুঁতে রাখার বিষয়টি বলছেন আকলিমা। আকলিমাকে আটক করে পুলিশ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, তার স্বামীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। এ কারণে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে হত্যা করে রান্নাঘরে পুঁতে রেখেছেন। মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দিক বলেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি আকলিমাই তার স্বামীকে হত্যা করেছেন। এ জন্য আকলিমা ও রিয়াজ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply