sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » পাঞ্জশিরে এখন যা ঘটছে




কাবুলের উত্তরের পাঞ্জশির উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তালেবানের সঙ্গে বিদ্রোহীদের তীব্র লড়াই চলছে। তালেবান অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করলেও বিরোধীরা তা প্রত্যাখ্যান করছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, উপত্যকাটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কোনো প্রকাশ্য দাবি ইসলামপন্থী গোষ্ঠীটির কাছ থেকে আসেনি। বিবিসি জানিয়েছে, দুপক্ষের মধ্যে নতুন করে লড়াই শুরু হয়েছে। উপত্যকাটি তালেবানের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন পাঞ্জশিরের প্রতিরোধযোদ্ধা আমরুল্লাহ সালেহ। তবে পরিস্থিতি কঠিন বলে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন। দেশটির সাবেক এই আফগান ভাইস-প্রেসিডেন্ট বলেন, উপত্যকাটির ফোন, ইন্টারনেট ও বৈদ্যুতিক লাইন বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান। তালেবান যখন আফগানিস্তানে সরকার গঠন করছে, তখন উপত্যকাটি থেকে তীব্র লড়াইয়ের খবর আসছে। স্থানীয় নেতা আহমাদ মাসুদের নেতৃত্বাধীন লড়াইরত যোদ্ধাদের ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের মুখপাত্র ফাহিম দাস্তি বলেন, কাপিসা প্রদেশ ও পাঞ্জশিরের মধ্যবর্তী সীমান্তের দারবন্দ চূড়ায় তালেবান যোদ্ধারা পৌঁছালেও তাদের হটিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের এই শক্তঘাঁটির নিরাপত্তা ভঙ্গুর না। দুর্ভেদ্য। তালেবান সূত্র বলছে, পাঞ্জশিরে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। প্রাদেশিক গভর্নরের কম্পাউন্ড ও রাজধানী বাজারাকের সড়কে ভূমিমাইন পুঁতে রাখায় অগ্রগতি ধীরে হচ্ছে। মাইন অপসারণ ও হামলা একইসঙ্গে চলছে। পাঞ্জশিরের বর্তমান ঘটনা স্বাধীন সূত্র দিয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব না। সরু প্রবেশ পথ ছাড়াও পাহাড়ের দেয়াল দিয়ে ঘেড়া উপত্যকাটি। সোভিয়ত দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে উপত্যকাটি যেমন প্রতিরোধী ছিল, তেমনই তালেবানের আগের সরকারের নিয়ন্ত্রণ থেকেও ছিল সুরক্ষিত। উপত্যকাটিতে দেড় থেকে দুই লাখের মতো মানুষের বসবাস। পাহাড়ের চূড়ার আড়ালে হওয়ায় অঞ্চলটি জয় করা যে কোনো শক্তির জন্যই কঠিন হয়ে পড়েছে। আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর সাবেক সদস্য ও স্থানীয় মিলিশিয়াদের নিয়ে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট গঠিত। ১৯৮০-এর দশকে আহমাদ মাসুদের বাবা সফলভাবেই সোভিয়েত আগ্রাসন রুখে দিয়েছিলেন। ১৯৯০-এর দশকে তালেবানও অঞ্চলটি দখল করতে পারেনি। আরও পড়ুন: নারী মন্ত্রীর দাবিতে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ বিবিসিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় আমরুল্লাহ সালেহ বলেন, এখানে দুপক্ষেরই লোকজন হতাহত হয়েছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে আছি। তালেবানের অভিযানের বিরুদ্ধে আমরা লড়ছি। তবে তার বাহিনী আত্মসমর্পণ করবে না বলে তিনি দাবি করেছেন। প্রতিরোধ নেতারা বলছেন, পাঞ্জশিরের কয়েকটি জেলার পতন হয়েছে। তালেবানপন্থী সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়েপড়া ভিডিওক্লিপে দেখা যাচ্ছে, তাদের যোদ্ধারা ট্যাংক ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করেছেন। বিবিসির ইয়ালদা হাকিম বলছেন, সেখানে তালেবানবিরোধী প্রতিরোধের চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারণে আগামী কয়েক সপ্তাহ গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সরকার গঠনের আগেই আমরুল্লাহ সালেত ও তার গোষ্ঠীর পতন দেখতে চায় তালেবান। কিন্তু অক্টোবরের শেষের দিকেও যদি তারা উপত্যকাটির নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হয়, তবে প্রচণ্ড শীতের মাসগুলোতে বড় ধরনের অভিযান সম্ভব হবে না। সালেহের প্রতিরোধ যোদ্ধারা এখন সময় গুণছেন। যদিও আর কয়েকটি সপ্তাহ তারা তালেবানকে রুখে দিতে পারেন, তবে নতুন করে সংগঠিত হতে আরও অন্তত পাঁচটি মাস সময় পাবেন তারা। তখন তাদের হয়ে সহায়তার জন্য বিদেশি শক্তিগুলোরও দারস্থ হতে পারবেন তারা। উপত্যকাটিতে তালেবানের বিজয়ের গুজবে বন্দুকের গুলি ছুড়ে ও আতশবাজিতে উদযাপন করতে গিয়ে আফগানিস্তানে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় বার্তা সংস্থার বরাতে ব্রিটিশভিত্তিক রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। তালেবান সূত্র বলছে, তাদের যোদ্ধারা পাঞ্জশির উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। ইসলামি গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে সর্বশেষ প্রতিরোধ গড়েছে এই উপত্যকাটির যোদ্ধারা। স্যামশাদ বার্তা সংস্থা বলছে, শুক্রবার আকাশে এলোপাতাড়ি গুলিতে ১৭ জন নিহত ও ৪১ জন আহত হয়েছেন। সংবাদসংস্থা টোলোও একই খবর দিয়েছে। প্রাদেশিক রাজধানী জালালাবাদের একটি হাসপাতালের মুখপাত্র গুলজাদা শাঙ্গার বলেন, কাবুলের পূর্বে নানগারহার প্রদেশে বন্দুক থেকে গুলি ছুড়ে বিদায় উদযাপন করতে গিয়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১৪ জন। বন্দুকের গুলি ছুড়ে এভাবে বিজয় উদযাপনের বিরোধিতা করেছেন তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ। তিনি বলেন, এভাবে আকাশের দিকে গুলি না করে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায়া করুন। বুলেটে বেসামরিক লোকজন হতাহত হতে পারেন। অপ্রয়োজনীয় গোলাগুলি করবেন না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply