sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » তালেবানের প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্র




আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাপ্রত্যাহারের পর দেশটি থেকে আমেরিকানদের অন্যত্র সরিয়ে নিতে সহযোগিতা পেয়ে তালেবানের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দেশটি জানায়, তালেবান দক্ষ ও সহায়ক। তালেবানের প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র এমিলি হর্ন বলেন, কাতার এয়ারওয়েজের একটি চার্টারড ফ্লাইটে কাবুল থেকে লোকজনকে দোহায় সরিয়ে নেওয়া ছিল ইতিবাচক প্রথম পদক্ষেপ। তিনি বলেন, কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চার্টার ফ্লাইটে মার্কিন নাগিরক ও আফগানিস্তানের আইনগত বৈধ স্থায়ী বাসিন্দাদের সরিয়ে নিতে তালেবান সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করেছে। তারা আমাদের সঙ্গে নমনীয়তা দেখিয়েছে—দক্ষতা ও পেশাদার আচরণ করছে। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, প্রায় চল্লিশ মার্কিন নাগিরক কিংবা আফগানিস্তানের স্থায়ী বাসিন্দাকে ফ্লাইটে উঠতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে ২১ জন সাড়া দিয়েছে। সামনে আরও ফ্লাইট পরিচালনা করবো আমরা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, শতাধিক আমেরিকান নাগরিক আফগানিস্তানে রয়ে গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: 'তালেবানদের হাতে হয়রানি হচ্ছেন জাতিসংঘের কর্মীরা' নেড প্রাইস বলেন, যারা সেখানে অবস্থান করছেন, তাদের সঙ্গে আফগানিস্তানের সংযোগ আছে। তারা সেখানে রয়ে যাবেন নাকি আমেরিকায় চলে আসবেন—মোটামুটি কঠিন সিদ্ধান্তই নিতে হচ্ছে তাদের। তারা এখন চলে আসতে অস্বীকার করলেও সুযোগ হারাবেন না। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত পাল্টালে আমেরিকায় চলে আসতে পারবেন। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অর্থ আটকা। তাই অর্থের যোগান না থাকায় আফগানিস্তানের অর্থনীতি ও সামাজিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। যা কয়েক লাখ আফগানকে দারিদ্র্য ও ক্ষুধার দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার দিন আফগানিস্তানের তালেবান গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। যুদ্ধবিদ্ধস্ত একটি দেশকে পুনর্গঠন করতে হলে প্রয়োজন দক্ষ নেতৃত্ব, জনবল, বিদেশি সমর্থন ও বিশাল পরিমান অর্থের। তবে নতুন সরকার গঠনের পর বিদেশি সমর্থন ও অর্থের যোগানের বিষয়ে অনেকটাই পিছিয়ে আছে দেশটি। ক্ষমতা দখলের পরপরই যুক্তরাষ্ট্রে থাকা দেশটির ১০ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ জব্দ করে মার্কিনরা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও আফগানদের ৪৪০ মিলিয়ন ডলার তালেবানদের হাতে দেয়নি। বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি নব গঠিত সরকার নিজেদের দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন করলে বিদেশি সমর্থন পেতে পারে বলেও মনে করে দেশটি। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জেং শুয়াং জানান, জলদিই আফগানিস্তান উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজে পাবে বলে মনে করে চীন। দেশ পুনর্গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আফগান সরকারের সাহায্যে এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। তিনি বলেন, আফগানিস্তানের অপ্রত্যাশিত পট পরিবর্তন দেখলে বোঝা যায়, সামরিক হস্তক্ষেপ ও শক্তির রাজনীতি দিয়ে গণতন্ত্র পাওয়া যায় না। গেল ২০ বছরের সামরিক শক্তির পতন হয়েছে। চীনের পর আফগান সঙ্কটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে রাশিয়াও। তবে আফগানিস্তানে বর্তমান মানবিক পরিস্থিতিতে নিঃশর্তভাবে সাহায্যের জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান ও কাতার। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ২০ বছর পূর্তির দিন আফগানিস্তানের তালেবান গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকার শপথ নিতে পারে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। শপথ অনুষ্ঠানে চীন ও ইরানসহ ছয় দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply