sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ




বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের লড়াই। ছবি : সংগৃহীত সতীর্থদের আশা-যাওয়ার মিছিলে উইকেটে থিতু হয়ে গেছেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম। কিন্তু অতিথি অধিনায়কের প্রতিরোধ ছাপিয়ে জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এরই মধ্যে পাঁচ ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে ফেলেছে নিউজিল্যান্ড। ল্যাথামের ব্যাটে লড়াই করছে সফরকারীরা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৯৪ রান। জয়ের জন্য ৪৮ রান দরকার কিউইদের। বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। তবে নিউজিল্যান্ড ওপেনারদের প্রতিরোধ জমে যেতে দেননি সাকিব আল হাসান। ওপেনার রাচিন রবীন্দ্রকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দিয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। ৯ বলে ১০ রান এসেছে রবীন্দ্রর ব্যাট থেকে। সাকিবের পর দ্বিতীয় সাফল্য এনে দেন মেহেদী হাসান। আরেক ওপেনার টম ব্লান্ডেলকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ৮ বলে ৬ রান করেন কিউই ওপেনার। দুই ওপেনারকে হারানোর পর টম ল্যাথাম ও উইল ইয়ংয়ের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে তোলে নিউজিল্যান্ড। জমে যাওয়া ওই জুটিও ভাঙেন সাকিব আল হাসান। ইয়ংকে ফিরিয়ে দিলেন বিশ্বসেরা অলরান্ডার। ২৮ বলে ২২ রান করে ফেরেন কিউই তারকা। এর আগে টস জিতে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪১ রান করে বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন ওপেনার নাঈম শেখ। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শেষ সাত টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান এটি। গত ম্যাচে স্পিনের উইকেট রান বেশি হয়নি। ওইম্যাচ নিয়ে বেশ সমালোচনাও হয়েছে। তবে এই ম্যাচে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাটসম্যানরা। আগে ব্যাটিং করে টিকে ছিলেন ২০ ওভার পর্যন্ত। তাতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। সাবধানী ব্যাটিংয়ে ইনিংসের শুরুতে শুরুটা ভালো করেন দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও লিটন দাস। আগের ম্যাচে মাত্র এক রানে আউট হওয়া দুই ওপেনার এবার টিকে ছিলেন লম্বা সময়। যদিও শুরুতেই বিপদে পড়তে পারতেন লিটন দাস। ১.৩ ওভারের সময় ক্যাচ তুলে দিয়েছেন তিনি। ওই সহজ ক্যাচ মিস করে লিটনকে বাঁচিয়ে দেন ডি গ্র্যান্ডহোম। জীবন পেয়ে উইকেটে থিতু হয়ে যান লিটন। যদিও পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে খুব একটা রান আসেনি। এরপর অবশ্য দুজনই হাতখুলে খেলার চেষ্টা করেন। বেশ সময় পর্যন্ত টিকেও যান। কিন্তু থিতু হয়ে স্টাম্প হন লিটন। দশম ওভারে রবীন্দর অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে বেরিয়ে যাওয়া বল অফে সরে গিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন লিটন। কিন্তু ব্যাটে-বলে মেলেনি। ব্যাটের কানায় লেগে বল আঘাত হানে স্টাম্পে। ২৯ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৩ রান করেন লিটন । ৫৭ বলে ভাঙে ৫৯ রানের ওপেনিং জুটি। ওপেনিং জুটি ভাঙার পরপর দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। লিটন ফেরার পর টপ অর্ডারে ব্যাট করতে নেমে হতাশ করেন মুশফিক। রাচিন রবীন্দ্রর বলেই গোল্ডেন ডাকে ফেরেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। চারে নেমে আজ থিতু হতে পারেননি সাকিব আল হাসান। ১২ রানের মাথায় ক্যাচ তুলে দেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। অবশ্য অল্পের জন্য বেঁচে যেতে পারতেন সাকিব। তাঁর উড়িয়ে মারা বল লং অফে ক্যাচ ধরতে গিয়ে তালগোল পাকিয়েছিলেন বেন সিয়ার্স। ভাগ্যভালো থাকায় ক্যাচ মিস হয়ে যাননি। এত ভালো শুরুর পর ১৩ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। উইকেটে থেকে চাপ সামলানোর চেষ্টা করেন ওপেনার নাঈম। ১৬তম ওভারে নাঈমের প্রতিরোধ ভাঙেন সেই রবীন্দ্র। ৩৯ বলে তিন বাউন্ডারিতে ৩৯ রান করে ফেরেন নাঈম। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হওয়া রবীন্দ্র নাঈমেরসহ মোট তিনটি উইকেট নেন। নাঈম ফেরার পর দায়িত্ব নেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের ব্যাটে চড়ে শেষ পর্যন্ত ১৪১ রানে থামে বাংলাদেশ। ইনিংস শেষে ৩৭ রানে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের সঙ্গে ১৩ রান করেন নুরুল হাসান সোহান






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply