sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » নিউজিল্যান্ডকে ১৪২ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ




সফরকারী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪১ রান করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এ ম্যাচেও টস ভাগ্যে জয় পেয়ে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমদুুল্লাহ রিয়াদ। অপরিবর্তিত একাদশ নিয়ে প্রথমে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশকে শুভ সূচনা এনে দেন দলের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও লিটন দাস। দেখেশুনে খেলে পাওয়া প্লেতে অবিচ্ছিন্ন থেকে ৩৬ তোলেন এ জুটি। তাড়াহুড়ার না করে উইকেট বাঁচিয়ে খেলাতেই বেশি মনোযোগি ছিলেন নাইম-লিটন। তাই ৯ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান রেটও খুব বেশি ছিলো না। বিনা উইকেটে ৫৩। নিউজিল্যান্ডের স্পিনার রাচিন রবীন্দ্রর করা দশম ওভারের প্রথম বলে ইনিংসের প্রথম ছক্কা মারেন লিটন। একই ওভারের তৃতীয় বলে ইনসাইড-এজ হয়ে লিটন বোল্ড হলে দলীয় ৫৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ২৯ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩৩ রান করেন লিটন। লিটনের বিদায়ে তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নামেন মুশফিকুর রহিম। রবীন্দ্র রাচিনের প্রথম ডেলিভারিতেই স্টাম্প আউট হন মুশফিক। ১ বল খেলে খালি হাতে ফিরেন মুশফিক। মুশফিক ব্যাটিংয়ে তিন নম্বরে নামায়, চার নম্বরে ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। দ্রুত রান তোলার পরিকল্পনা ছিলো সাকিবের। ১১তম ওভারে নিউজিল্যান্ডের পেসার স্পিনার কোল ম্যাকোঞ্চিকে দু’টি বাউন্ডারি মারেন সাকিব। কিন্তু একই ওভারের শেষ বলে আবারো বাউন্ডারি মারতে গিয়ে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে আউট হওয়ার আগে ৭ বলে ২টি চারে ১২ রান করেন সাকিব। দলীয় ৭২ রানে সাকিব ফিরলে, নাইমের সাথে জুটি বাঁধেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। রানের চাকা সচল রেখেছিলেন তারা। এতে ১৫তম ওভারে শতরানে পৌঁছায় বাংলাদেশের ইনিংস। ১৬তম ওভারে নাইম-মাহমুদুল্লাহর জুটি ভাঙ্গেন রবীন্দ্র। বলের সাথে পাল্লা দিয়ে রান করতে থাকা নাইম, ব্যক্তিগত ৩৯ রানে আউট হন। ৩৯ বলের ইনিংসে ৩টি চার মারেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে মাহমুদুল্লাহর সাথে ২৯ বলে ৩৪ রান যোগ করেন নাইম। এরপর উইকেটে এসে মাত্র ৩ রানে থামেন আফিফ হোসেন। নিউজিল্যান্ডের স্পিনার আজাজ প্যাটেলের প্রথম শিকার হন তিনি। ফলে ১০৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আফিফ যখন ফিরেন তখন ইনিংসের ২২ বল বাকী ছিলো। ১৯তম ওভারে মাহমুদুল্লাহর ২টি চারে ১৩ রান পায় বাংলাদেশ। শেষ ওভারে ১১ রান তোলেন মাহমুদুল্লাহ ও নুরুল। ইনিংসের শেষ বলে ডিপ মিড-উইকেটে ক্যাচ দিয়ে থামেন নুরুল। ৯ বলে ১টি চারে ১৩ রান করেন নুরুল। ৩২ বলে ৫টি চারে অপরাজিত ৩৭ রান করেন মাহমুদুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪১ রান করে বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের রবীন্দ্র ২২ রানে ৩ উইকেট নেন। ১টি করে শিকার করেন প্যাটেল-ম্যাককঞ্চি ও বেনেট।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply