Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আরও ৫০ কোটি ফাইজার ডোজ অনুদান দেবে যুক্তরাষ্ট্র




উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও ৫০ কোটি ফাইজার টিকার ডোজ অনুদান দেবে যুক্তরাষ্ট্র। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) এমন অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে। এ নিয়ে ১০০ কোটি করোনার টিকার ডোজ অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক জনসংখ্যার ৭০ শতাংশকে টিকা দিতে এক হাজার ১০০ কোটি ডোজ দরকার। ২০২১ সালের শেষ নাগাদ প্রতিটি দেশের জনসংখ্যার ৪০ শতাংশকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু এই লক্ষ্য পূরণ অসম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাত্ত বলছে, অনেক উন্নত-আয়ের দেশ তাদের অর্ধেক জনগণকে টিকার অন্তত একটি ডোজ দিয়েছে। কিন্তু নিম্ন আয়ের দেশগুলোর কেবল দুই শতাংশ জনগণকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। বিবিসির সাংবাদিক স্টিফানি হেগার্টি বলেন, বাইডেনের জন্য এটি বড় একটি প্রতিশ্রুতি। কিন্তু দুই শতাংশ জনগণকে টিকা দেওয়ার অপেক্ষায় থাকা দেশগুলো এর ন্যায্য হিস্যা পাবে কিনা; তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আরও পড়ুন: জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা চাইলেন বাইডেন এর আগে যুক্তরাষ্ট্র টিকার ৫৮ কোটি ডোজ দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪ কোটি ডোজ সরবরাহ করেছে। গেল কয়েক মাসে বৈশ্বিক টিকার উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে। এখন টিকার ডোজ পাওয়া অনেকটা সহজলভ্য। এ বছরের শেষে ধনী দেশগুলো যদি বুস্টার ডোজও দেয়, তার পরেও ১২০ কোটি ডোজ অতিরিক্ত থাকবে। কিন্তু তারা যদি ডোজগুলো অনুদান হিসেবে অন্য দেশগুলোকে না দেয়, তবে তাদের ২৪ কোটি ১০ লাখ ডোজ অপচয় হবে। কিন্তু এসব ডোজ খুবই শীঘ্রই প্রয়োজনীয় দেশগুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমর্থিত কোভ্যাক্স প্রকল্প ন্যায়সঙ্গতভাবে টিকার ডোজ বিতরণে সহায়তা করছে। এখন তারা বলছে, তারা যেসব টিকার ডোজ গ্রহণ করছেন, তা সংখ্যায় খুবই কম এবং তা একেবারে শেষ মুহূর্তে দান করা হচ্ছে। এসব ডোজের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় খুবই অল্প দিন বাকি থাকে। কাজেই যেসব দেশে এসব ডোজ বিতরণ প্রয়োজন, তাদের কাছে সঠিক সময়ে পৌঁছানো অনেক কঠিন হয়ে যায়। যদি বাইডেন তার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করতে চায়, তবে একটা বড় পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply