Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » যান্ত্রিক ত্রুটি ও যমুনা নদীতে নাব্য সংকটে সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ




বগুড়ার সারিয়াকান্দির যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের পাশাপাশি সি-ট্রাকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ১৭ দিন ধরে সারিয়াকান্দি-মাদারগঞ্জ রুটে ফেরি সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর মাঝ নদীতে ফেরি বিকল হয়ে যায়। এর আগে উদ্বোধনের চার দিন পরেও একবার বিকল হয়ে গিয়েছিল নৌযানটি। এতে একদিকে ওই রুটে চলাচলকারী যাত্রীদের দুর্ভোগ ও অন্যদিকে ইজারাদার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, বগুড়া থেকে রাজধানীমুখী বিভিন্ন এলাকায় স্বল্প সময়ে ও যানজটমুক্ত যাতায়াতের সুবিধার্থে যমুনা নদীতে ফেরি সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়। নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী গত ১২ আগস্ট সারিয়াকান্দির কালিতলা ঘাট থেকে জামথল ঘাট পর্যন্ত সি-ট্রাক “শহীদ আব্দুর রব সেনিয়াবাত” উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের চার দিনের মাথায় যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সি-ট্রাকের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিআইডব্লিউটিসির নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল এসে সেটিকে মেরামত করে। জানা গেছে, সি-ট্রাকটি গত কয়েক দিন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছিল। গত ১৭ সেপ্টেম্বর জামালপুরের মাদারগঞ্জের কাছে সারিয়াকান্দির জামথল ঘাট থেকে সি-ট্রাক কালিতলা ঘাটের উদ্দেশে রওনা হয়। মাঝনদীতে ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেলে যাত্রীরা আটকা পড়েন। যাত্রীদের নৌকার মাধ্যমে নদী তীরে পৌঁছে দেওয়া হয়। দু’দিন পর উদ্ধারকারী ফেরির মাধ্যমে সি-ট্রাকটিকে পূর্ব পাড়ে নেওয়া হয়েছে। জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জাহিদুর রহমান উজ্জ্বল জানান, তিনি মাসিক ৫০ হাজার টাকায় সি-ট্রাক ইজারা নিয়েছেন। যান্ত্রিক ত্রুটি ও যমুনা নদীতে নাব্য সংকটের কারণে গত ১৭ দিন ধরে চলাচল বন্ধ রয়েছে। তিনি বলেন, 'ইজারা নেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে। প্রতিদিন সি-ট্রাক যাতায়াতে ১১ হাজার টাকা মূল্যের ১৪০ লিটার জ্বালানি লাগে এবং ১১ জন স্টাফকে তিন হাজার টাকা বেতন দিতে হয়। প্রতিটি টিকিটের মূল্য নেওয়া হয় ১০০ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ১০ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি হলেও কালিতলা ঘাটের ইজারাদারকে জনপ্রতি ৪০ টাকা দিতে হয়। ঘাটের ইজারামূল্য বেশি হওয়ায় প্রতিটি টিকিটের মূল্য ১০০ টাকা করে নিতে বাধ্য হচ্ছি। ইজারাদারকে ফি দেওয়ার পর অবশিষ্ট ৬০ টাকার মধ্যে সব খরচ বহন করতে হচ্ছে।' ইজারাদার উজ্জ্বল আরও জানান, সি-ট্রাক বিকল ও নাব্য সংকটের বিষয়টি তিনি বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক আশিকুজ্জামানকে জানিয়েছেন। তবে ইঞ্জিন মেরামত করা সম্ভব হলেও নাব্য সংকটের কারণে সি-ট্রাক আপাতত চলাচল বন্ধ রাখতে হচ্ছে। আরও পড়ুন: আবারও সাগরে লঘুচাপের আশঙ্কা এতে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এবং ওই রুটে চলাচলকারী জনগণকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাদের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘ ১৬-১৮ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। সারিয়াকান্দি জামালপুর নৌরুটে নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রী নূর মোহাম্মদ সময় টিভিকে জানান, এই রুটে নৌরুটে সি-ট্রাক চালু হওয়ায় আশান্বিত হয়েছিলাম। কিন্তু কয়েক দিন পর পর সি-ট্রাক নষ্ট হয়ে যাওয়ায় আমাদের যাতায়াত করতে বিঘ্ন হচ্ছে। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়া জানান, নাব্য সংকটের কারণে বর্তমান নৌরুটে সি-ট্রাক চালানো সম্ভব হচ্ছে না। ড্রেজিং করা না গেলে এই রুট চালানো সম্ভব হবে না






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply