Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » সৌর জগতের সপ্তাশ্চর্য কী?




শনির বলয়কে শনির ক্রাউন বলা হয়। শনির বিস্তৃত রিং সিস্টেম ৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মানবতার কল্পনা ধারণ করেছে। এই বলয় কী দিয়ে তৈরি? শত কোটি বরফ আর পাথরের কণা দিয়ে তৈরি এই বলয়। এই বলয়ের রহস্যভেদ করা খুব সহজ নয়। ক্যাসিনি স্পেস প্রোব শনির বলয় আর গ্রহের মাঝের ফাঁকা স্থানে গিয়েছিল। শনির আয়তনের ৭ হাজার গুণ বড় এই বলয়। কিন্তু এই বলয়ের পাশের স্তর খুব পাতলা। পৃথিবী, সূর্য আর চাঁদের ঘূর্ণন। পৃথিবী সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ, যেখানে সুর্যের সম্পূর্ণ গ্রহণ দেখা যায়। চাঁদ পৃথিবী থেকে ৪০০ গুণ কাছে সূর্যের তুলনায়। চাঁদের ব্যাস সূর্যের তুলনায় ৪০০ গুণ ছোট। গ্রহাণু বেল্ট আরেকটি আশ্চর্য। জুপিটার বা বৃহস্পতি আর মার্স বা মঙ্গলের মাঝে আছে গ্রহাণু বেল্ট। এই বেল্টে লাখ লাখ কোটি কোটি গ্রহাণু আছে। অন্তত ৭ হাজার গ্রহাণু আছে এই বেল্টে। এই বেল্ট ১৫ কোটি কিলোমিটারজুড়ে প্রসারিত। পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্বও অনেকটা একই। আরেকটি আশ্চর্যের নাম জুপিটার গ্রেট রেড স্পট। এটি একটি সাইক্লোন, যেটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় ঝড়, চলছে ৩০০ বছর ধরে। এই ঝড় এত বড় যে অন্তত ৩ টি পৃথিবী এই গ্রেট রেড স্পটে রাখা যাবে। নাসার জুনো স্পেসক্রাফট সাম্প্রতিক সময়ে এই ঝড়ের গতিবেগ বের করেছে। ঘণ্টায় এই ঝড়ের গতিবেগ ৬৮০ কিলোমিটার। ২০১২ সাল থেকে এই গ্রেট রেড স্পটের আয়তন কমছে। বছরে ৯০০ কিলোমিটার করে কমছে এই ঝড়ের আকার। সূর্য, পৃথিবী কিংবা পৃথিবীতে জীববৈচিত্রের পেছনের কারণ, মহাজাগতিক এই বস্তু সৌরজগতের সবচেয়ে বড় আশ্চর্য। সৌরজগতের মোট ভরের ৯৯.৯৬ শতাংশই সূর্য বহন করে। পৃথিবীকে বাঁচিয়ে রেখেছে এই সূর্য। সূর্য ৫০০ কোটি বছর পুরনো। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রে যেতে সূর্যের সময় লাগবে ২৫ কোটি বছর। সূর্য এরইমধ্যে নিজের জীবনের অর্ধেক সময় পার করে ফেলেছে। আরও ৫০০ বছর পরে সূর্য শুধুমাত্র একটা সাদা তারা থাকবে। এর আগে রেড জায়ান্টে পরিণত হবে এই সূর্য। মারকিউরি আর ভেনাসকে গ্রাস করে ফেলবে সূর্য। আরও পড়ুনঃ করোনার-মুখে-খাওয়ার-ওষুধ-নিয়ে-বিস্ময়কর-সাফল্য অলিম্পাস মনস সৌরজগতের বিশাল আগ্নেয়গিরির একটি। অলিম্পাস মনস আছে মঙ্গল গ্রহে। মনস সৌরজগতের সর্বোচ্চ আগ্নেয়গিরির একটি। এই আগ্নেয়গিরি থেকে যেন পর্বত তৈরি হয়েছে সেটি২১ কিলোমিটার লম্বা। যা মাউন্ট এভারেস্টের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি বড়। ৩ লাখ স্কয়ার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই আগ্নেয়গিরি। এর আয়তন ইতালির চেয়েও বড়। পৃথিবীর সমুদ্রগুলো সৌরজগতের আরেকটি আশ্চর্য, আমাদের সর্বোচ্চ সম্পদ। সমুদ্রগুলো পৃথিবীর স্থলভাগের ৭০ শতাংশজুড়ে বিস্তৃত। সৌরজগতের আর কোথাও এত তরল পানি নেই। শুধু পানি না, পানির নিচে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যও আশ্চর্যের বিষয়। সৌরজগতে গ্রহ আছে ৮ টি। ছোট গ্রহ আছে আরও ৫টি। এরমধ্যে বুধ (মারকিউরি), শুক্র (ভেনাস), পৃথিবী ও মঙ্গল (মার্স) তুলনামূলক ছোট, স্থলভাব পৃথিবীর মতো পাথরে ঢাকা। এর বাইরে বৃহস্পতি (জুপিটার) আর শনি (স্যাটার্ন) গ্যাস দিয়ে পরিপূর্ণ। সূর্য থেকে সর্বোচ্চ দূরত্বে থাকায় ইউরেনাস আর নেপচুনকে আইস জায়ান্ট বা বরফের গ্রহ বলা চলে। প্লুটোকে এখন আর গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply