Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পিএনজিকে ১২৯ রানে থামাল ওমান




শুরুতেই আঘাত হেনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজের নাম লিখিয়েছেন ওমান পেসার বিলাল খান। তাকে অনুস্মরণ করে পরের ওভারেই উইকেট তুলে নেন আরেক বোলার কালিমুল্লাহ। যাতে শূন্য রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে পাপুয়া নিউগিনি। আসাদ-আমিনি প্রতিরোধ গড়ে বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে পিএনজির লাগাম টেনে ধরে ১২৯ রানের বেশি তুলতে দেয়নি ওমান। ম্যাচে নিজ দলের বিপর্যয় সামাল দিয়ে বিশ্বমঞ্চে ব্যক্তিগত প্রথম ফিফটি হাঁকিয়ে রেকর্ড বোর্ডে নামা লিখিয়েছেন পিএনজি অধিনায়ক আসাদ ভালা। চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে আসাদের ব্যাট থেকে আসে মূল্যবান ৫৬টি রান। তাঁর ৪৩ বলের এই ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কার মার। তার আগে ইনিংসের ত্রয়োদশ ওভারে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক জীশান মাকসুদকে ছক্কা হাঁকিয়ে ৪০ বলেই আদায় করে নেন ব্যক্তিগত ফিফটি। যা এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ফিফটি হিসেবেই লেখা হয়ে থাকল। সেইসঙ্গে চার নম্বরে নামা চার্লস আমিনির সঙ্গে গড়েন ৮১ রানের অতি মূল্যবান এক জুটি। যাতে আমিনির অবদান ছিল ৩৭ রান। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউটের শিকার হয়ে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম রান আউট হওয়া ব্যাটার হিসেবেই নাম লেখালেন বাঁহাতি এই তরুণ। একইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপের প্রথম বাউন্ডারিটি হাঁকান আমিনি। অধিনায়ক আসাদ ভালা ও চার্লস আমিনির ব্যাটে প্রাথমিক ওই বিপর্যয় কাটিয়ে বড় লক্ষ্যেই ছুটছিল পাপুয়া নিউগিনি। তবে এই দুজনের আউটের সঙ্গেসঙ্গেই যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙ্গে পড়ে পিএনজির ব্যাটিং লাইন। একই ওভারে তিনটি উইকেট তুলে নিয়ে দলটির ইনিংসে ধস নামান ওমান অধিনায়ক। যাতে ১৬তম ওভারে ১১৩ রানেই ৭টি উইকেট হারিয়ে বসে পাপুয়া নিউগিনি এবং বোলারদের সুনিয়ন্ত্রিত বোলিং কারিশমায় বিশ্বকাপের নবাগত এই দলকে ১২৯ রানেই আটকে দেয় ওমান। অর্থাৎ নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ১২৯ রান জড় করতে সক্ষম হয় আসাদ ভালার দল। এর আগে বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব পেরিয়ে মূল টুর্নামেন্টে জায়গা করে নিয়েছে স্বাগতিক ওমান। নিজেদের ভূমিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে স্মরণীয় করে রাখতে চাইছে দেশটির ক্রিকেট দল। সেই লক্ষ্যে টস জিতে পাপুয়া নিউগিনিকে আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়ে ইনিংসের চতুর্থ বলেই উইকেট তুলে নেয় স্বাগতিকরা। সেইসঙ্গে এবারের বিশ্বকাপে প্রথম আঘাত হেনে ইতিহাসে নাম লেখালেন বিলাল খান। প্রতিপক্ষের ওপেনারকে বোল্ড করে বিলাল খান ইতিহাস গড়লে পিছিয়ে থাকেননি আরেক স্ট্রাইক বোলার কালিমুল্লাহ। তিনিও নিজের তৃতীয় বলেই বোল্ড করেন পাপুয়া নিউগিনির আরেক ওপেনারকে। যাতে শুন্য রানেই দুই ওপেনার টনি উরা (০) এবং লেগা সাইকাকে (০) হারিয়ে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ওশেনিয়ার দ্বীপদেশটি। ওমানের পক্ষে সফল বোলার হিসেবে ৪টি উইকেট শিকার করেন ওমান অধিনায়ক জীশান মাকসুদ। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২০টি রান দেন এই স্পিনার। এছাড়া দুই পেসার বিলাল খান ও কালিমুল্লাহ তুলে নেন ২টি করে উইকেট, যথাক্রমে ১৬ ও ১৯ রান দিয়ে। পাপুয়া নিউ গিনি একাদশ: টনি উরা, আসাদ ভালা (অধিনায়ক), চার্লস আমিনি, লেগা সাইকা, নরম্যান ভানুয়া, সেস বাউ, সাইমন আতাই, কিপলিন ডোরিগা (কীপার), নোসাইনা পোকানা, ডেমিয়েন রাভু, কাবুয়া মোরিয়া। ওমান একাদশ: যতিন্দর সিং, খাওয়ার আলী, আকিব ইলিয়াস, জীশান মাকসুদ (অধিনায়ক), নাসিম খুশি (কীপার), মোহাম্মদ নাদিম, আয়ান খান, সন্দীপ গৌড়, কালিমুল্লাহ, বিলাল খান।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply