Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » শার্দূলের ৭ উইকেট রেকর্ডের ছড়াছড়ি জোহানেসবার্গে




শার্দূল ঠাকুর এদিন আগুনে বোলিংয়ে ছারখার করে দেন প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইন-আপকে। শার্দূল ঠাকুর (Shardul Thakur) একাই ম্যাচের রং বদলে দিয়েছেন। ৬১ রানে ৭ উইকেট তুলে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস থামিয়ে দিয়েছেন ২২৯ রানে। ডিন এলগারের টিম মাত্র ২৭ রানে লিড নিতে পেরেছে। শার্দূলের পরিসংখ্যান বলছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে এটাই কোনও ভারতীয় বোলারের পক্ষে সেরা পরিসংখ্যান। ঠাকুর এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও কখনও সাত উইকেট পাননি। ২০১৬ সালে শার্দূল রঞ্জি ট্রফিতে মুম্বইয়ের হয়ে খেলতে নেমে বাংলার বিরুদ্ধে ৬ উইকেট পান ৩১ রানের বিনিময়ে। শার্দূলের সাত উইকেটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি হয়েছে জোহানেসবার্গে। আরও পড়ুন: Shardul Thakur: শার্দূলের 'সপ্ত'বাণে বিদ্ধ দক্ষিণ আফ্রিকা, গুটিয়ে গেল ২২৯ রানে শার্দূলের সতীর্থ রবিচন্দ্রন অশ্বিন (Ravichandran Ashwin) এর আগে নাগপুরে ৬৬ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ২০১৫ সালে ভারতকে ১২৪ রানে জেতাতে সাহায্য করেছিলেন তিনি। হরভজন সিং সম্প্রতি সব রকমের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। শার্দূলের আগে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় সাত উইকেট পেয়েছিলেন। ভাজ্জি ৭/১২০ র সৌজন্যে কেপটাউনে টেস্ট ড্র করেছিল ভারত। শার্দূল কেরিয়ারের ৬ নম্বর টেস্টেই সাত উইকেট পেয়ে গেলেন। দ্বিতীয় দ্রুততম ভারতীয় বোলার হিসাবে এই নজির গড়েন। শার্দূল দত্তু ফাড়করকে টপকে গেলেন। ১৯৪০-১৯৫০ পর্যন্ত দেশের হয়ে ৩১টি টেস্ট খেলা অলরাউন্ডার রয়েছেন একে। অমর সিং, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে যিনি টেস্ট খেলেছিলেন, দেশের সর্বকালের অন্যতম জোরে বোলার হিসাবে তাঁকে গণ্য করা হয়। তিনি ছিলেন দ্রুততম। চার নম্বর টেস্টে এই নজির গড়েছিলেন। শার্দূল দেশের প্রথম জোরে বোলার হিসাবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইনিংসে সাত উইকেট নেওয়ার রেকর্ড করলেন। এর আগে জাভাগল শ্রীনাথের (Javagal Srinath) সেরা পরিসংখ্যান ছিল। ২০০১ সালের নভেম্বরে পোর্ট এলিজাবেথে ৭৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন। গতকাল শার্দূল প্রোটিয়া ওপেনার ও ক্যাপ্টেন ডিন এলগারের (২৮) উইকেট তুলে নিয়েছেলিনে। এদিন তুলে নিলেন এদিন ক্রিজে জমে যাওয়া কিগান পিটারসেন (৬২) ও রাসি ফান ডার ডাসেন, (১) তেম্বা বাভুমা (৫১), কাইল ভেরিন (২১), মার্কো জানসেন (২১) ও লুঙ্গি নিদিকে (০)। শার্দূল ছাড়া জোড়া উইকেট মহম্মদ শামির। একটি উইকেট পেলেন জসপ্রীত বুমরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply