Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বিক্ষোভ দমনে ট্রুডোর জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ




বিক্ষোভ দমনে ট্রুডোর জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগ

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো দেশটিতে চলমান বিক্ষভ দমনে জরুরি ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কোভিড-১৯ বিধিনিষেধের প্রতিবাদে ট্রাকচালকদের ডাকা এই বিক্ষোভে দেশটির রাজধানী শহর অচল হয়ে পড়েছে এবং সীমান্তের সংযোগ সেতুও বন্ধ রয়েছে। কানাডার প্রদেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে একটি ভার্চ্যুয়াল বৈঠকের পর সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রুডো এ ঘোষণা দেন। “এই ধরনের অবরোধ বেআইনি এবং আপনারা যদি এখনো এই বিক্ষোভে অংশ নিয়ে থাকেন, এখনই ঘরে ফিরে যান”, ট্রুডো বলেন। কানাডার সরকার কর্তৃক কোভিড টিকা এবং কোয়ারান্টাইন বাধ্যতামূলক করার নীতি গৃহীত হলে ট্রাকচালকেরা “ফ্রিডম কনভয়” নামে এই বিক্ষোভটি শুরু করেন। ধীরে ধীরে বিক্ষোভটি অন্য মহামারী বিধিনিষেধের পাশাপাশি ট্রুডোর প্রশাসনের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ট্রুডো ১৯৮৮ সালের এই জরুরি আইনটি প্রয়োগ করেন, যার মাধ্যমে ফেডারেল সরকার কানাডার প্রদেশগুলোর কর্তৃত্বকে অগ্রাহ্য করতে পারে। ট্রুডোর বাবা, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে ট্রুডো এর আগে মাত্র একবার এই আইনটির পূর্ববর্তী সংস্করণ প্রয়োগ করেছিলেন। ১৯৭০ সালে কুইবেকে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের একটি জঙ্গি গোষ্ঠী ব্রিটিশ কূটনীতিক এবং প্রাদেশিক মন্ত্রিপরিষদের একজন মন্ত্রীকে অপহরণ করার পরে তিনি এই আইনটি ব্যবহার করেছিলেন। ট্রুডো বলেন যে, নতুন জরুরি পদক্ষেপগুলোর “সময়-সীমিত হবে, ভৌগলিক লক্ষ্যে, যুক্তিসঙ্গত এবং সমানুপাতিক হুমকিগুলো মোকাবিলা করতে প্রয়োগ হবে।” বিক্ষোভ ভাঙার জন্য রবিবার অন্টারিও প্রদেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পর কানাডার পুলিশ উইন্ডসর এবং ডেট্রয়েটের মধ্যে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংযোগকারী অ্যাম্বাসেডর ব্রিজ অবরোধকারী যানবাহনগুলোর একটি বহরকে হটিয়ে দেয়। ট্রাক ও অন্য যানবাহনের অন্য একটি বহর কানাডার রাজধানী অটোয়ার রাস্তায দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আটকে রেখেছে এবং এই গাড়িগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার বেশ কয়েকটি ছোট সীমান্ত অবরুদ্ধ করে রেখেছে। এ ছাড়াও সোমবার অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড বলেন যে, তিনি আন্দোলনের কেন্দ্রস্থল এই প্রদেশে বেশ কয়েকটি মহামারী বিধিনিষেধ তুলে নেবেন। যদিও এই পদক্ষেপ বিক্ষোভের কারণে গ্রহণ করা হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ফোর্ড বলেন, ব্যবস্থাগুলোর মধ্যে দুই সপ্তাহের মধ্যে টিকা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার প্রমাণপত্রের বিষয়টি বাতিল করা হয়েছে। কানাডার বিক্ষোভের রেশ বিশ্বের আরও কিছু দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ইসরাইলে কয়েক শ যানবাহন ফ্রিডম কনভয় আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে জড়ো হয়। ব্রাসেলসেও প্রায় পাঁচ শতাধিক যানবাহন বিক্ষোভের জন্য জড়ো হয়। যদিও পুলিশের বাধায় যানবাহনগুলো শহরের বাইরে চলে যায়। পরে বিক্ষোভকারীরা পায়ে হেঁটে শহরে প্রবেশ করে। এ ছাড়া ফ্রান্সেও একই ধরনের বিক্ষোভে অংশ নেয় জনগণ। সারা বিশ্ব সোমবার হংকংয়ের নেতা ক্যারি লাম বলেছেন যে, “মহামারীর পঞ্চম ঢেউ হংকংয়ে ব্যাপকভাবে আঘাত হেনেছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।” সুইডেনের পাবলিক হেলথ এজেন্সি সোমবার ৮০ বছর বা তার বেশি বয়সের লোকেদের জন্য ওমিক্রনের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে দ্বিতীয় কোভিড বুস্টার টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছে। একটি বিবৃতিতে, সুইডিশ প্রধান মহামারী বিশেষজ্ঞ অ্যান্ডার্স টেগনেল বলেছেন, চতুর্থ ডোজ গুরুতর রোগের বিরুদ্ধে “প্রতিরোধ শক্তিশালী করবে”। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমেরিকানদের জন্য ৫০০ মিলিয়ন বা পরিবার প্রতি চারটি বিনামূল্যে কোভিড পরীক্ষার পরিকল্পনায় “অশ্বেতাঙ্গ আমেরিকান এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ সম্প্রদায়গুলোকে ঠকানো হয়েছে”। “যতবার আমরা একটি পরিকল্পনা তৈরি করি, আমরা এই সম্প্রদায়গুলোকে কেন সামনে রাখতে পারি না?” লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি সংস্থা প্যাসিফিক এশিয়ান কাউন্সেলিং সার্ভিসেসের নির্বাহী পরিচালক মাইরন কুওন ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেন। তিনি বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের পরিবারের জন্য চারটি পরীক্ষা কোনোভাবে যথেষ্ট তো নয়ই, ধারেকাছেও নেই। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিতে হবে।” জনস হপকিনস করোনাভাইরাস রিসোর্স সেন্টার সোমবার জানিয়েছে যে, বিশ্বব্যাপী কোভিড সংক্রমণ ৪১৩ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে এবং ৫ দশমিক ৮ মিলিয়ন লোকের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ১০ বিলিয়নেরও বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। [এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য রয়টার্স, দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস এবং এজেন্সি ফ্রান্স-প্রেস থেকে নেওয়া হয়েছে]






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply