Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ইউক্রেন ঘিরে ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি




ইউক্রেনঘিরে ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি বইছে। আর তিন দিক থেকে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়ছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো ইউরোপীয় দেশে স্থল, সাগর ও বিমানপথে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে লাখ লাখ লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ভোর হওয়ার আগে যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এতে ৩০ লাখ জনসংখ্যার কিয়েভে সকালেই বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধের শব্দে নাগরিকদের ঘুম ভেঙেছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, এটি পূর্ব পরিকল্পিত হামলা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে তিনি নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, পুতিন একজন আগ্রাসনকারী। এই যুদ্ধ তিনি ডেকে এনেছেন। এখন তিনি ও তার দেশকে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে। রাতে ইউক্রেনের কয়েকটি ফ্রন্টে লড়াই চলছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে এক উপদেষ্টা বলেন, চেরনোবিলের সাবেক পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প দখল করেছে রুশ বাহিনী। যা রাজধানী থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে। এছাড়া কিয়েভ অঞ্চলের হোস্টেমল বিমানবন্দরও রুশ নিয়ন্ত্রণে। সেখানে রাশিয়ার ছত্রীসেনারা অবতরণ করেছেন। খেরসন এবং ওডেসার উত্তরপূর্বাঞ্চলের সুমি ও খারকিভ অঞ্চলেও ব্যাপক গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। ইউক্রেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরটি এখানে অবস্থিত। নাগরিকরা রাজধানী ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে মহাসড়কগুলোতে মারাত্মক যানজট লেগে যায়। বোমাবর্ষণের ভয়ে লোকজন পালাতে গেলে যানজটে আটকে যায়। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা জানিয়েছে, এক লাখের বেশি ইউক্রেনের নাগরিক বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। এছাড়াও কয়েক হাজার রোমানিয়া ও মালদোভাসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে ইউক্রেনের কাছে ভোরোনেহ অঞ্চলে রাশিয়ার একটি অন্তোনভ-২৬ সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় সামরিক জেলা জানিয়েছে, যন্ত্রপাতি পরিবহনের সময় বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে। এতে ক্রু নিহত হয়েছেন। তবে বিমানটিতে কতজন যাত্রী ছিলেন, তা উল্লেখ করা হয়নি। যান্ত্রিক ক্রুটির কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা বলছেন, কিয়েভে রুশ বাহিনীর হামলায় অন্তত ৫৭ নিহত ও ১৬৯ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের স্বাস্থ্যসেবামন্ত্রী ভিক্টর লিয়াসকো বলেন, হতাহতদের মধ্যে সেনা ও বাইরের লোকও রয়েছে। ইউক্রেনের ভূ-উপরিভাগের ৭৪টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী। যার মধ্যে ১১টি বিমানঘাঁটিও রয়েছে। চেরনোবিলে অবস্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছেন রুশ সেনারা। আরও পড়ুন: রাশিয়া আলোচনার জন্য সবসময় প্রস্তুত: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশের পর আজ বেলারুশ ও ক্রিমিয়া থেকে ইউক্রেনে প্রবেশ করেন রুশ সেনারা। দেশটির একাধিক শহরে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। প্রথম দিনই ইউক্রেনের ৭৪টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার দখলদার বাহিনী চেরনোবিল দখল করার চেষ্টা করছে। ১৮৮৬ সালের বেদনাদায়ক ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সে জন্য আমাদের প্রতিরোধ সেনারা নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিচ্ছেন। ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে অবস্থিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। সে সময় বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিচালনা করত সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। ওই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যু হয় ৩১ জনের। এখন পর্যন্ত রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনের ৪০ সেনাসদস্য ও ১০ বেসামরিক লোক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কিয়েভ। পাল্টা জবাবে রাশিয়ার ছয়টি বিমান ও একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। এ ছাড়া রাশিয়া-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীরা একটি শহরে হামলা করার পর তা প্রতিহত করার সময় প্রায় ৫০ জন দখলদার রুশ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। রুশ হামলায় উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্শাল ল জারি করেছেন ভলোদিমির জেলেনস্কি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply