Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইউক্রেন ইস্যুতে আবারও আলোচনায় পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতি




ইউক্রেন ইস্যুতে আবারও আলোচনায় পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতি ইউক্রেন ইস্যুতে আবারও আলোচনায় পশ্চিমাদের দ্বিমুখী নীতি। ইউক্রেনের মতো দেশের ক্ষেত্রে পশ্চিমারা যতটাই সরব, বছরের পর বছর নির্যাতনের শিকার হয়ে আসা ফিলিস্তিন, ইয়েমেন কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর বিষয়ে তারা ততটাই নীরব। এমনকি পাশ্চাত্য গণমাধ্যমের বিরুদ্ধেও বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ করছেন অনেকে। ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে সরব হ

য়েছে গোটা বিশ্ব। হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া অধিকাংশ দেশই রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছে। মস্কোর ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাসহ কঠোর সব ব্যবস্থা নিচ্ছে তারা। বিশেষ করে ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপ ও পশ্চিমা দেশগুলোর সক্রিয় ভূমিকার সঙ্গে সঙ্গে তাদের দ্বিমুখী নীতিও আলোচিত হচ্ছে সবখানে। সমালোচকরা বলছেন, ইউক্রেন কিংবা তাদের মতাদর্শের দেশগুলোতে যে কোনো আগ্রাসনের বিষয়ে পশ্চিমারা যতটা সোচ্চার হয়েছে ঠিক ততটাই নির্বিকার থেকেছে ফিলিস্তিন, ইয়েমেন, কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আগ্রাসনের ক্ষেত্রে। ফিলিস্তিনের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসন কিংবা ইয়েমেন সৌদি জোটের মুহুর্মুহু হামলা সব ক্ষেত্রেই কেবল গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে দেশগুলো। নিজেদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও ইরানকে পরমাণু অস্ত্র থেকে বিরত রাখতে চায় ইসরাইল। নিরাপত্তার দোহায় দিয়ে ইরানকে পরমাণু মুক্ত রাখার বিষয়ে একমত পশ্চিমারাও। অন্যদিকে, রাশিয়ার চাওয়া ইউক্রেন যেন কখনোই ন্যাটোতে যোগ না দেয় কিংবা পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী না হয় এতে নিরাপত্তা হুমকিতে পড়বে রাশিয়া। এ ক্ষেত্রে ইউক্রেনকে সার্বভৌম দেশ এবং তার নিজের ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাট্টা যুক্তরাষ্ট্রসহ তার মিত্ররা। সহজ ভাষায় পশ্চিমাদের এ ধরনের আচরণকে দ্বৈত নীতির সঙ্গে তুলনা করছেন সমালোচকরা। আরও পড়ুন: ইউক্রেন সংকটে চীন, ভারত এবং বাংলাদেশ পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর পাশাপাশি তাদের গণমাধ্যমের ভূমিকারও সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই করা মানুষের সন্ত্রাসী আখ্যা দেওয়া হলেও ইউক্রেনের নাগরিকদের যোদ্ধা আখ্যা দিচ্ছে গণমাধ্যম। এ ধরনের দ্বিমুখী আচরণেরও তীব্র সমালোচনা করছেন অনেকে। এদিকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। তবে রাশিয়া কূটনৈতিক উপায়ে সমস্যার সমাধান করতে চায় বলেও তিনি দাবি করেছেন। বুধবার আলজাজিরা টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন জাখারোভা। ইউক্রেন সংকটে ন্যাটোর হস্তক্ষেপ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ন্যাটো জোট ইউক্রেন সংকটে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে না বলে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে বোঝা যায় তাদের বুদ্ধিসুদ্ধি এখনো লোপ পায়নি। এদিকে রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানিয়েছেন, মস্কো কিয়েভের সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত রয়েছে। পেসকভ বলেন, আজকের বৈঠকে ইউক্রেনের প্রতিনিধিদল যোগ দেবে কিনা তা তার জানা নেই। তবে তারা যোগ দেবে বলে তিনি আশা করছেন। এ ছাড়া রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে ইইউ ও ন্যাটোর পক্ষ থেকে সামরিক সহযোগিতা দেওয়ার আপাতত তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই বলেও জানিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply