Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » বন্দি হওয়া এড়াতে ইউক্রেনীয় বাহিনী লুহানস্ক থেকে পিছু হটতে পারে




বন্দি হওয়া এড়াতে ইউক্রেনীয় বাহিনী লুহানস্ক থেকে পিছু হটতে পারে

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দনবাস অঞ্চল। ছবি : রয়টার্স বন্দি হওয়া এড়াতে ইউক্রেনীয় বাহিনী লুহানস্ক অঞ্চলে তাদের শেষ ঘাঁটি থেকে পিছু হটতে পারে জানিয়েছেন একজন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, রুশ সেনারা পূর্ব ইউক্রেনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, যা তিন মাস ধরে চলা এ যুদ্ধের গতিবিধি পরিবর্তন করে দিতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, ইউক্রেনীয় বাহিনী লুহানস্ক থেকে পিছু হটলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চল সম্পূর্ণ দখলের লক্ষ্যের খুব কাছাকাছি চলে আসবেন। এদিকে, পুতিনের সৈন্যরা ওয়েস্টল্যান্ডের কিছু শহরে বিস্ফোরণের পর দনবাস নামে পরিচিত লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চল দুটিতে ব্যাপক আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। লুহানস্কের গভর্নর সের্হি গাইদাই বলেছেন, কয়েক দিন ধরে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে অবরুদ্ধ করে রাখার চেষ্টা করার পর রুশ সেনারা এখন ইউক্রেনের অধীনে থাকা বৃহত্তম দনবাসের সেভেরোদোনেৎস্ক শহরে প্রবেশ করেছে। শহরের ৯০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাইদাই বলেন, ‘বিশ্লেষকেরা ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে, রুশ বাহিনী আগামী কয়েক দিনে লুহানস্ক অঞ্চল দখল করতে সক্ষম হবে না। আমাদের আত্মরক্ষার জন্য যথেষ্ট শক্তি এবং পুঁজি রয়েছে। তবে এটাও সম্ভব যে, বন্দি হওয়া এড়াতে আমাদের পিছু হটতে হবে।’ গতকাল শুক্রবার ইউক্রেনের পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চলের লিমান শহর পুরোপুরি দখলে নিয়েছে রাশিয়াপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। ইউক্রেন সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, সেখানে এখনও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সেনারা। ইউক্রেনে হামলা শুরুর সময় রাশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দেশটিকে ‘নাৎসি প্রভাব’ মুক্ত করা ও ‘নিরস্ত্র’ করাই তাদের উদ্দেশ্য। পরে অভিযানে পরিবর্তন আনে মস্কো। বলা হয়, যুদ্ধে তাদের নতুন লক্ষ্য পূর্ব ইউক্রেনের দনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া। এর পর থেকে এ অঞ্চলে হামলা জোরদার করা হয়। লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক অঞ্চল নিয়ে গঠিত দনবাস। রাশিয়ার হামলা শুরুর আগে থেকেই অবশ্য এ দুই অঞ্চলের বেশির ভাগ এলাকা রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দখলে ছিল। এখন রাশিয়া বাকি এলাকাগুলোও নিয়ন্ত্রণে নিতে চাচ্ছে। এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনীয়রা যথাসাধ্য নিজেদের ভূমিকে রক্ষা করছে। দখলদারেরা যদি মনে করে যে, লিমান ও সেভেরোদোনেৎস্ক তাদের হবে, তাহলে তারা ভুল করছে। দনবাস ইউক্রেনীয়দেরই হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply