Sponsor



Slider

দেশ

মেহেরপুর জেলা খবর

মেহেরপুর সদর উপজেলা


গাংনী উপজেলা

মুজিবনগর উপজেলা

ফিচার

খেলা

যাবতীয়

ছবি

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » মডেল বারিশের অভিযোগে আসামি গ্রেপ্তার




মডেল বারিশের অভিযোগে আসামি গ্রেপ্তার

র‍্যাম্প মডেল হিসেবে শোবিজে বেশ পরিচিত মুখ বারিশ হক। একাধারে উপস্থাপিকা, নৃত্যশিল্পী এবং ব্র্যান্ড প্রমোটার তিনি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু নোংরা এবং কুরুচিপূর্ণ ট্রলের শিকার হয়েছেন বারিশ। যেটিকে সাইবার অপরাধের পর্যায়ে পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে বারিশ ও তার স্বামী সীমান্ত জানান, তারা সোমবার (৯ মে) সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনে অভিযোগ করেছেন এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াতে এগোচ্ছেন। আরও পড়ুন... ট্রলের শিকার হয়ে আইনের আশ্রয় নিলেন মডেল বারিশ এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ কমিশনার, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন (ডিএমপি) ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তারা একটি অভিযোগ পেয়েছেন বারিশ হকের কাছ থেকে। পরে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেন তারা। এদিকে অভিযোগের ২৪ ঘণ্টা শেষ হওয়ার আগেই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি, সিটিটিসি’র সাইবার অপরাধ তদন্ত বিভাগ। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর দক্ষিণখান থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (এডিসি) নাজমুল। তিনি লিখেছেন, উপস্থাপিকা, নৃত্যশিল্পী এবং ব্র্যান্ড প্রমোটার বারিশ হককে নিয়ে বদ মেজাজ নামক একটি পেজ থেকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যসহ ভিডিও প্রকাশ করে ট্রল করার দায়ে কুমিল্লা থেকে কবির (১৮) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি, সিটিটিসি’র সাইবার অপরাধ তদন্ত বিভাগ। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর দক্ষিণখান থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। অত্র বিভাগের সম্মানিত চিফসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এ জন্য তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সাইবার স্পেসে বাজে কুরুচিপূর্ণ ট্রল বা সামজিক সংযুক্তি বিঘ্নকারী যেকোনো অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে আমরা বদ্ধ পরিকর। অনেকেই উদ্দেশ্য নিয়ে বা নেহাতই পেজ প্রমোট করার জন্য বা শুধু অর্থ কামানোর জন্য বা মিছে জনপ্রিয়তা কামানোর জন্য এহেন অনৈতিক কাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হরহামেশাই করে যাচ্ছেন। তাদের জন্য এটা একটা শক্ত মেসেজ। ইন্টারনেটকে আমরা নিরাপদ রাখতে বদ্ধ পরিকর। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সাইবার রিজিলিয়েন্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব। অন্যদিকে, সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে স্ট্যাটাস দেওয়া হয়। সেই পোস্টে লেখা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীলতার মাধ্যমে পাবলিক নুইসেন্স সৃষ্টিকারী গ্রেপ্তারে কিছু দিন ধরে বেশ কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিমস, ট্রল এবং রোস্টের নামে অশ্লীলতা ছড়িয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে হ্যারাজ করে আসছে। বদমেজাজ নামক একটি পেজ থেকে এরকম পাবলিক নুইসেন্স সৃষ্টি করলে আক্রান্ত ভুক্তভোগী সিটি-সাইবার ক্রাইমের কাছে অভিযোগ করে এসি ধ্রুব জ্যোতির্ময় গোপের নেতৃত্বে ইন্টারনেট রেফারেল টিম অভিযুক্ত মো. কবির হোসেন (১৮)’কে শনাক্ত করেন। কুমিল্লার বড়ুড়া থানা থেকে মঙ্গলবার (১০ মে) দুপুরের দিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানোর অপরাধে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ঢাকার দক্ষিণ খান থানায় মামলা নং-১১, তারিখ ১০-০৫-২০২২ ধারা পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮ (৪) ও ৮ (৭) ধারায় মামলা রুজু করা হয়। সম্মানিত নেটিজেনদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বারিশ হক সাইবার টিমকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি আরটিভি নিউজকে বলেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞ আমি। ভবিষ্যতে যাতে অন্য কেউ এ ধরণের অপরাধে যুক্ত না হতে পারে। সে জন্যই এ ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করি সবাই এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গুলো েভালো কাজে ব্যবহার করবেন। ধন্যবাদ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply