Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » Twitter: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কি টুইটার অ্যাকাউন্ট ফেরানো হবে? কী বলছেন ইলন মাস্ক?




Twitter: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কি টুইটার অ্যাকাউন্ট ফেরানো হবে? কী বলছেন ইলন মাস্ক? মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকেরা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবনে রক্তক্ষয়ী হামলা চালান। এ হামলায় উসকানির অভিযোগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে টুইটারে স্থায়ীভাবে ন

িষিদ্ধ করা হয়। Twitter: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কি টুইটার অ্যাকাউন্ট ফেরানো হবে? কী বলছেন ইলন মাস্ক? নিজস্ব প্রতিবেদন: মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে টুইটারের মালিক হওয়ার পর প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর থাকা এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবেন। ট্রাম্পকে ফিরিয়ে দেবেন তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট। মঙ্গলবার এ কথা বলেন মাস্ক। টুইটার কেনার জন্য গত মাসে চুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। চলতি বছরের শেষ নাগাদ আনুষ্ঠানিক চুক্তি হওয়ার কথা। চুক্তি হলে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে টুইটারের মালিক হবেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি ইলন। মাস্ক নিজেকে বারবার বাকস্বাধীনতার পক্ষে বলে দাবি করে এসেছেন। তবে এ নিয়ে তিনি তাঁর পরিকল্পনা কখনো নির্দিষ্ট করে জানাননি। তবে আগামি দিনে টুইটারে পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে মাস্ক কত দূর যাবেন, সময়ই তা বলবে। ট্রাম্প আশা করেন, মাস্ক টুইটার কিনে এ মাধ্যমের উন্নতি করবেন। কারণ, তিনি একজন ভালো মানুষ। টুইটার কিনতে মাস্ককে প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প-ই উৎসাহিত করেছেন বলে খবর। এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চুপি চুপি মাস্ককে টুইটার কেনার জন্য উৎসাহিত করেছেন। তবে এ প্রতিবেদনকে মিথ্যা আখ্যা দেন টেসলার প্রধান। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনো যোগাযোগ নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে গত বছরের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকেরা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবনে রক্তক্ষয়ী হামলা চালান। এ হামলায় উসকানির অভিযোগে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে টুইটারে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। টুইটারের পাশাপাশি সেসময় ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামেও নিষিদ্ধ হন ট্রাম্প। এই প্রসঙ্গেই পরে মাস্ক বলেন, 'আমি মনে করি, চিরতরে নিষিদ্ধের বিষয়টি টুইটারের উপর আস্থা কমায়। কারণ, টুইটার এমন এক প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সবাই মতপ্রকাশ করতে পারেন।'






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply