Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » জনি বেয়ারস্টোর ব্যাটিং তাণ্ডবে পরাজয়ের শঙ্কা কাটিয়ে অবিশ্বাস্য জয় পেল ইংল্যান্ড




বেয়ারস্টোরের ব্যাটিং তাণ্ডবে ইংল্যান্ডের অবিশ্বাস্য জয় জনি বেয়ারস্টোর ব্যাটিং তাণ্ডবে পরাজয়ের শঙ্কা কাটিয়ে অবিশ্বাস্য জয় পেল ইংল্যান্ড। লর্ডসের পর নটিংহ্যামে জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতল ইংলিশরা। ড্র্যারেল মিচেল (১৯০) ও টম বান্ডেলে

র জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৫৫৩ রান করে নিউজিল্যান্ড। জবাবে সাবেক অধিনায়ক জো রুট (১৭৬) আর ওলি পপের (১৪৫) জোড়া সেঞ্চুরিতে ভর করে ৫৩৯ রান করে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে সোমবার চতুর্থ দিনে ৬৯ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২২৪ রান করে নিউজিল্যান্ড। মঙ্গলবার পঞ্চম দিনে ১৫.৪ ওভারে ৬০ রান করতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রানে ইনিংস গুটায় কিউইরা। দলের হয়ে ৬২*, ৫৬ ও ৫২ রান করে করেন ড্র্যারেল মিচেল, উইলি ইয়াং ও ডেভন কনওয়ে। জয়ের জন্য শেষ দিনে মিনিমাম ৭২ ওভারে ইংল্যান্ডের টার্গেট দাঁড়ায় ২৯৯ রান। এমন কঠিন টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২৫.২ ওভারে ৯৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপের মধ্যে পড়ে যায় ইংল্যান্ড। কিন্তু পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক বেন স্টোকসকে সঙ্গে নিয়ে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে যান জনি বেয়ারস্টো। টি-টোয়েন্টির স্টাইলে ব্যাটিং করে একের পর এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৭৭ বলেই ৯টি চার আর ৫টি ছক্কায় শতরান পূর্ণ করেন জনি। ৫৫ বলে ৭টি চার আর দুই ছক্কায় ফিফটি পূর্ণ করেন স্টোকস। জয়ের জন্য মিনিমাম ২৬.৩ ওভারে প্রয়োজন ছিল মাত্র ২৭ রান। খেলার এমন অবস্থায় আউট হয়ে ফেরেন জনি বেয়ারস্টো। তার আগে বেন স্টোকসের সঙ্গে ১২১ বলে ১৭৯ রানের জুটি গড়েন। সাজঘরে ফেরার আগে ৯২ বলে ১৪টি চার আর ৭টি ছক্কায় ১৩৬ রান করে ফেরেন জনি বেয়ারস্টো। সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতে নামা বেন ফোকসকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন অধিনায়ক বেন স্টোকস। দলের জয়ে ৭০ বলে ১০ টি চার আর ৪টি ছক্কায় অপরাজিত ৭৫ রান করেন স্টোকস। চতুর্থ দিন শেষে বেন ফোকস বলেছিলেন, “লক্ষ্যটা ৩০০-এর নিচে হলে সেটা ‘চেজেবল’।” তিনি এক শর্ত আরোপ করে বলেছিলেন, “দারুণ ভালো ব্যাট করতে হবে।” নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী দিনের প্রথম ১৬ ওভারে ৬০ রান খরচায় নিউজিল্যান্ডের ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ইংলিশ বোলাররা নিজেদের কাজের অর্ধেকটা শেষ করে। তবে ব্যাটিংয়ে গিয়ে ইংলিশরা আরেকটু হলেই ব্যর্থ হওয়ার পথ ধরেছিল। স্কোর বোর্ডে ১০০ যোগ না হতেই ৪ উইকেটের পতন। ম্যাচটা জেতা তখন অসম্ভবই মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ডের। এমন সমীকরণে দাঁড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ডই হাসল বিজয়ীর হাসি। সংক্ষিপ্ত স্কোর নিউজিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৫৫৩/১০ (ড্র্যারেল মিচেল ১৯০, টাম বান্ডেল ১০৬)। এবং ২য় ইনিংস: ২৮৪/১০ (ড্র্যারেল মিচেল ৬২*, উইলি ইয়াং ৫৬, ডেভন কওনয়ে ৫২)। ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৫৩৯/১০ (জো রুট ১৭৬, ওলি পপ ১৪৫, অ্যালেক্স লি ৬৭, বেন ফোকস ৫৬; ট্রেন্ট বোল্ট ৫/১০৬)। এবং ২য় ইনিংস: ২৯৯/৫ রান (জনি বেয়ারস্টো ১৩৬, বেন স্টোকস ৭৫*)। ফল: ইংল্যান্ড ৫ উইকেটে জয়ী।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply