Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » রফতানির পথে রংপুরের হাড়িভাঙা আম!




বাংলাদেশের মাটি, জলবায়ু ও ভৌগলিক অবস্থান ভালো মানের আম চাষে বিশেষ উপযোগী। এছাড়া এদেশে শ্রমিকের সহজলভ্যতা থাকায় প্রতিবছরই গুণগতভাবে উৎকৃষ্ট আম উৎপাদন করে তা বিদেশে রফতানি করা সম্ভব বলে মনে করেন কৃষিবিদরা। বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিসের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে উৎপাদিত আমের পরিমাণ ৮,৮৯,১৭৬ মেট্রিক টন। এসব উৎপাদিত আমের মধ্যে ল্যাংড়া, ফজলি, হিমসাগর এবং আশ্বিনা জাতের আম বিদেশে রফতানি হয়ে থাকে। এ নামের তালিকায় এবার স্থান পেল হাড়িভাঙা আমের নাম। হাড়িভাঙা আম গাছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো গাছের ডালপালা উর্ধ্বমুখী বা আকাশচুম্বী। এ বৈশিষ্টের কারণে এ গাছ ঝড়ে উপড়ে পড়ে না, আমও কম ঝড়ে পড়ে। আরও পড়ুন: সক্ষমতার অভাবে পণ্য খালাস হচ্ছে না, উদ্যোগ নেই বন্দর কর্তৃপক্ষের আমটি দেখতে সুঠাম ও মাংসালো, শ্বাস গোলাকার ও একটু লম্বা। এর উপরিভাগ বেশি মোটা ও চওড়া, নিচের অংশ অপেক্ষাকৃত চিকন। আঁশমুক্ত আমের তুলনায় শ্বাস অনেক ছোট। আকারের তুলনায় ওজন বেশি। এ আমে জেনেটিক পরিবর্তন করার কারণে আমের চামড়া কুঁচকে গেলেও আম পচে না। এ আমটি মূলত উত্তরের জেলা রংপুরে আবাদ হয়। রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, রংপুরে এ বছর ১,৮৮৭ হেক্টর জমিতে হাড়িভাঙা আম চাষ করা হয়েছে। উৎপাদিত এসব আম প্রতি হেক্টর জমিতে পাওয়া যায় ১৬মেট্রিক টনের মতো। এ হিসেবে বাংলাদেশে ৩০ হাজার ২০০ মেট্রিক টন আম পাওয়ার আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাই জাতীয়ভাবে এই আম বিদেশে রফতানির প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, জুনের ২০ তারিখ থেকে হাড়িভাঙা আম পাড়া হলে জুলাই মাস থেকে আম রফতানি হবে। হাড়িভাঙা আম রফতানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভারত, ভুটান, শ্রীলংকা, সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়াতে। এছাড়াও দেশের বাইরে আরও যেসব দেশে আম রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে তা হলো যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, সৌদিআরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান। আরও পড়ুন: বাংলাদেশকে ১৪৩ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ২০১৫ সালে ঢাকার ফল মেলা হলে থেকে এ আমের পরিচিতি বাড়তে শুরু করে। তবে বিদেশে আম রফতানি বাড়ানোর প্রসঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. জমির উদ্দিন বলেন, বিদেশে আম রফতানির জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে দেশীয় আম বাগান পরিদর্শন করানো প্রয়োজন। এছাড়াও বাংলাদেশি আমকে বিদেশে সম্প্রসারণ করার জন্য সরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার পাশাপাশি আম রফতানির জন্য একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরি করার দিকেও গুরুত্ব দেয়ার কথা তিনি বলেন। এগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশীয় অর্থনীতিতে আম একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply