Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » রাশিয়াকে অবিলম্বে কীভাবে থামানো যাবে




রাশিয়াকে অবিলম্বে কীভাবে থামানো যাবে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের অন্য মিত্ররা রাশিয়ার অর্থনীতি বাধাগ্রস্ত করতে ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের যুদ্ধাভিযান থামাতে তিনটি পদক্ষেপের মধ্যে দুটি বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী আর্থিক নিষেধাজ্ঞা এবং রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধে ইউরোপের জোট গঠন। কিন্তু এখন তৃতীয় পদক্ষেপটি বাস্তবায়ন করা দরকার। সমুদ্রপথে অপরিশোধিত তেল (ক্রুড) থেকে পুতিনের রাজস্ব কমাতে অবিলম্বে তা নি

শ্চিত করতে হবে। ইউক্রেনে অভিযানের পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ফ্রিজ করে পশ্চিমারা। তখন থেকে রুশ মুদ্রা রুবলের স্থিতিশীলতা শুধু শক্তিশালী মূলধন নিয়ন্ত্রণ ও তেল-গ্যাস বিক্রির অব্যাহত প্রবাহের ওপর নির্ভর করে। তবে এটি একটি অনিশ্চিত ব্যবস্থা, যা অন্য নেতিবাচক ধাক্কায় সহজেই ভেঙে যেতে পারে। ক্রেতাদের নিয়ে জোট তৈরি করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এরইমধ্যে এ ধরনের ধাক্কা দেয়ার একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে। অনেক বিতর্কের পর ইইউর সদস্যদেশগুলো এখন থেকে মাত্র পাঁচ মাসের জন্য জাহাজে পরিবহন করা রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখানে বলতে হবে, রাশিয়া এখনো সমুদ্রপথে দৈনিক ১ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি করছে। সমুদ্রপথে অর্থাৎ জাহাজে করে রাশিয়ার তেল রফতানি কমানো হলে পুতিনের রাজস্ব, রুবলের শক্তি ও রাশিয়ার অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়তে পারে। তবে পুতিনকে যুদ্ধ থেকে আটকানোর জন্য পাঁচ মাস অপেক্ষা করা ঠিক হবে না। প্রতিদিন রাশিয়ার বাহিনীর হাতে ইউক্রেনীয়রা নিহত হচ্ছে। এখন অপেক্ষা করার সময় নয়। রাশিয়ার অপরিশোধিত ও পরিশোধিত পণ্যের মূল্য কমানোর জন্য কৌশল চূড়ান্ত করতে হবে। এর ফলে ক্রেমলিনের রাজস্ব কমে আসবে। আরও পড়ুন: ইউক্রেন থেকে পিছু হটছেন বাইডেন গত মে মাসে সমুদ্রপথে ইইউ একাই রাশিয়া থেকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ক্রুড কিনেছে। চলতি জুনেও ইইউ সমমূল্যের ক্রুড কেনার পথে রয়েছে। প্রতি ব্যারেল তেলে পুতিন ১০০ ডলার পাচ্ছেন, যা তিনি সরাসরি যুদ্ধে কাজে লাগাতে পারেন। এছাড়া রুবলও অন্য মুদ্রার চেয়ে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখছে। বিপরীতে, ইইউর মালিকানাধীন, ইইউ-বিমা করা বা ইইউর অর্থায়ন করা জাহাজে করে বাকি বিশ্বে রুশ তেল রফতানি বন্ধ করা গেলে রাশিয়ার তেলের দাম বেড়ে যাবে। এটি বিশ্বজুড়ে আরও অর্থনৈতিক যন্ত্রণার কারণ হবে। যে দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা মানছে না, তাদের বেশি দরে তেল কিনতে হবে। আগামী পাঁচ মাস ইইউ তেল কেনা বন্ধ রাখলে এবং ইইউ, যুক্তরাজ্য ও এর মিত্রদের বিমা করা ও অর্থায়ন করা জাহাজে রুশ তেল পরিবহন বন্ধ রাখলে রাশিয়ার তেলেসমাতি এমনিতেই কমবে। ইইউ সদস্যগুলোর মধ্যে এ ব্যাপারে আলোচনা চলছে এবং সব সদস্যকে এ নিষেধাজ্ঞা মানতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: পুতিন একাই একশ! রাশিয়ার তেল উৎপাদনের প্রান্তিক খরচ কম। তেল রফতানিতে শুল্ক বা ট্যাক্স সুবিধা সীমাবদ্ধ করলে রাশিয়া কম দামে তেল সরবরাহ করতে অস্বীকার করতে পারে। এটি মনে রাখা দরকার, এর আগে করোনা মহামারি চলাকালে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০ ডলারের কমে নেমেছিল। রাশিয়া যদি তেলের উৎপাদন ‘বন্ধ’ করে দেয়, তবে তেলের খনিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনকি তেল উৎপাদনকারী সদস্যদের জোট ওপেক প্লাস থেকে রাশিয়া ছিটকে পড়তে পারে। এতে রাশিয়ার অর্থনীতি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং রুবলের মানে ধস নামবে। রাশিয়ার হার্ড কারেন্সি (অবমূল্যায়ন বা মূল্যে ব্যাপকভাবে ওঠানামা করার আশঙ্কা নেই) না থাকলে পুতিন অন্য দেশ থেকে রকেট ও অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র কিনতে পারবে না। রাশিয়াকে তখন নতুন করে নোট ছাপাতে হবে। ফলে দেশটিতে মুদ্রাস্ফীতি (ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস) বাড়বে। পশ্চিমারা ইউক্রেনে পুতিনের যুদ্ধ থামাতে দুর্দান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রজেক্ট সিন্ডিকেট থেকে নেয়া, ভাষান্তর: পাপলু রহমান, কিছুটা সংক্ষেপিত লেখক: ইউক্রেনের জ্বালানিমন্ত্রী জার্মান গালুশচেঙ্কো এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ওলেগ উসতেনকো।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply